হনুমানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গ্রাম,নাম সংকীর্তনে শেষকৃত্য
কখনও কখনও এমনও হয়। যাকে এক বাক্যে বলে বিরল দৃশ্য। পবন পত্রের মৃত্যু। এলাকার মানুষজন শোকস্তব্ধ। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা নিকারি ঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার সকালে। গ্রামবাসীরা হঠাৎ দেখে গাছের ডালে একটি হনুমান শুয়ে রয়েছে। প্রথমে বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি। প্রায়শই হনুমান গাছে শুয়ে থাকে। কিন্তু বেলা যত বাড়ে তখনও একই জায়গায় শুয়ে রয়েছে সে। তখনই গ্রামবাসী তড়িঘড়ি হনুমানকে গাছ থেকে নামিয়ে আনে। এরপর তাকে অনেকবার ডাকা হয়। কেউ কেউ খাওয়ানোর চেষ্টা করে। কোনো কিছুতেই কোনো লাভ হয় নি। ততক্ষণে ইহকাল ছেয়ে পরকালে পারি দিয়েছে হনুমান। হনুমানের শেষকৃত্য নিয়ে এলাকার মানুষজন আলোচনায় বসে। ঠিক হয় নিজেদের কাছের মানুষ মারা গেলে যেভাবে শেষকৃত্য হয় ঠিক একই ভাবে হনুমানের শেষকৃত্য হবে। খাটিয়ায় চড়িয়ে খোল করতাল বাজিয়ে শ্মশানে নিয়ে যায়। সিঁদুর মাখিয়ে মাথায় জল ঢেলে স্নান করানো হয় তাকে। হাপুসনয়নে কাঁধছে গ্রামবাসী। পুরোহিত ডেকে তার নানাবিধ ক্রিয়াকলাপ সেরে শ্মশান চত্বরে হনুমানের কবর দেওয়া হয়। মদন নস্কর নামে এক ব্যক্তি কাঁছা নেন। মদন নস্কর জানিয়েছেন, আগামী তিন দিন এই কাঁছা পরে থাকবেন। তার বিভিন্ন ক্রিয়াকর্ম ব্রাহ্মণ ডেকে সারাহবে। এলাকায় একটি শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে। বিষয়টি কে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোতেও আলোচনা শুরু হয়েছে। নানা মহল থেকে প্রশংসার ঝড় বয়ে আসছে। এমন দৃশ্য দেখে কেউ কেউ বলছেন এটাই মানবিকতা। এই দৃশ্য মানবিকতার জয়। হনুমানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গ্রাম,নাম সংকীর্তনে শেষকৃত্য কখনও কখনও এমনও হয়। যাকে এক বাক্যে বলে বিরল দৃশ্য। পবন পত্রের মৃত্যু। এলাকার মানুষজন শোকস্তব্ধ। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা নিকারি ঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার সকালে। গ্রামবাসীরা হঠাৎ দেখে গাছের ডালে একটি হনুমান শুয়ে রয়েছে। প্রথমে বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি। প্রায়শই হনুমান গাছে শুয়ে থাকে। কিন্তু বেলা যত বাড়ে তখনও একই জায়গায় শুয়ে রয়েছে সে। তখনই গ্রামবাসী তড়িঘড়ি হনুমানকে গাছ থেকে নামিয়ে আনে। এরপর তাকে অনেকবার ডাকা হয়। কেউ কেউ খাওয়ানোর চেষ্টা করে। কোনো কিছুতেই কোনো লাভ হয় নি। ততক্ষণে ইহকাল ছেয়ে পরকালে পারি দিয়েছে হনুমান। হনুমানের শেষকৃত্য নিয়ে এলাকার মানুষজন আলোচনায় বসে। ঠিক হয় নিজেদের কাছের মানুষ মারা গেলে যেভাবে শেষকৃত্য হয় ঠিক একই ভাবে হনুমানের শেষকৃত্য হবে। খাটিয়ায় চড়িয়ে খোল করতাল বাজিয়ে শ্মশানে নিয়ে যায়। সিঁদুর মাখিয়ে মাথায় জল ঢেলে স্নান করানো হয় তাকে। হাপুসনয়নে কাঁধছে গ্রামবাসী। পুরোহিত ডেকে তার নানাবিধ ক্রিয়াকলাপ সেরে শ্মশান চত্বরে হনুমানের কবর দেওয়া হয়। মদন নস্কর নামে এক ব্যক্তি কাঁছা নেন। মদন নস্কর জানিয়েছেন, আগামী তিন দিন এই কাঁছা পরে থাকবেন। তার বিভিন্ন ক্রিয়াকর্ম ব্রাহ্মণ ডেকে সারাহবে। এলাকায় একটি শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে। বিষয়টি কে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোতেও আলোচনা শুরু হয়েছে। নানা মহল থেকে প্রশংসার ঝড় বয়ে আসছে। এমন দৃশ্য দেখে কেউ কেউ বলছেন এটাই মানবিকতা। এই দৃশ্য মানবিকতার জয়।

