admin

অযোধ্যা পাহাড়ে পর্যটন উন্নয়ন নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক,

অযোধ্যা পাহাড়ে পর্যটন উন্নয়ন নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, আশ্বাস পর্যটন মন্ত্রীর।রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে পুরুলিয়া জেলার গুরুত্ব আরও বাড়াতে মঙ্গলবার অযোধ্যা পাহাড়ের কোলে অনুষ্ঠিত হলো পর্যটন উন্নয়ন সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ, পর্যটন প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী, পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, জেলাশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, জেলার ৯ জন বিধায়ক, পুলিশ-প্রশাসনের আধিকারিক, রেল দপ্তরের প্রতিনিধি এবং পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা। বৈঠকে জেলার পর্যটন সম্ভাবনাকে আরও বিকশিত করতে অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও পর্যটক পরিষেবা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। হোটেল ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা তাঁদের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার কথা মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। পর্যটন মন্ত্রী সেগুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি আসন্ন দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে পুরুলিয়ায় পর্যটক আকর্ষণে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের কথাও জানান তিনি। সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, এই উদ্যোগের ফলে জেলার পর্যটন শিল্পের পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

Read More

শেখ হাসিনা দেশে ফিরুক!!

শেখ হাসিনা দেশে ফিরুক!! জামাতিদের ধর্মন্ধতার রাজনিতি দূরে হাটুক,এতে নারি স্বাধিনতায় এবং প্রগতির বাধা হয়ে উঠছে।নিজের বাংলাদেশে ফেরা অনিশ্চিত। তাই কবে দেশে ফিরবেন তা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করলেন সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন* দীর্ঘ নির্বাসনের পরে, ভালোবাসার শহরে ওপার বাংলার লেখিকা তসলিমা, পানিহাটি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে এসে, বেগম রোকেয়ার সমাধিতে মাল্যদান লেখিকার, পাশাপাশি বেশ খানিকটা সময় কাটালেন পানিহাটি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাভ থেকে শুরু করে পড়ুবাদের সাথে। যে ভালোবাসা একসময় মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল তসলিমার থেকে, সেই ভালোবাসার শহর ফের বরণ করে নিলেন প্রিয় লেখিকাকে। ১৯৩২সালের ৯ই ডিসেম্বর, কলকাতার পার্শ্ববর্তী উত্তর ২৪ পরগনা সোদপুরের, এই মাটিতেই সমাধিস্থ হয়েছিলেন, ওপার বাংলার শিক্ষানবিশ নারী শিক্ষার অগ্রদূত, মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন, তারপর থেকে দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর পার হয়ে গিয়েছে, অবশেষে নির্বাসন কাটিয়ে সেই বেগম রোকেয়ার সমাধি তো স্মৃতিতে মাল্যদান করলেন প্রিয় লেখিকা তসলিমা নাসরিন, পাশাপাশি তুলে ধরলেন বেগম রোকেয়ার বিভিন্ন স্মৃতির কথা।

Read More

ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা

ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা। ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যান ইনজামূল ইসলামের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দিলেন দলেরই ১৩ জন কাউন্সিলর। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে লিখিত আকারে এই অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে পৌর রাজনীতিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনাস্থা প্রস্তাবে স্বাক্ষরকারী কাউন্সিলরদের দাবি, লিখিতভাবে ১৩ জন স্বাক্ষর করলেও বাস্তবে ১৬ জন কাউন্সিলর তাঁদের পক্ষেই রয়েছেন। ধুলিয়ান পৌরসভায় মোট কাউন্সিলরের সংখ্যা ২১। বর্তমানে পৌরসভার সমস্ত কাউন্সিলরই তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য। ফলে একই দলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দলেরই কাউন্সিলরদের এই পদক্ষেপ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের পৌরসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ইনজামূল ইসলামকে ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়তে থাকে বলে অভিযোগ। অনাস্থা প্রস্তাবকারী কাউন্সিলরদের দাবি, রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যান নিয়মিত পৌরসভায় আসছেন না। ফলে প্রশাসনিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে এবং বিভিন্ন নাগরিক পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে না। কাউন্সিলরদের আরও দাবি, পৌরসভার স্বাভাবিক কাজকর্ম সচল রাখা এবং নাগরিক পরিষেবা স্বাভাবিক করতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Read More

গ্রেফতার তৃনমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সদ্য প্রাক্তন জেলা সভাপতি সুব্রত দত্ত

গ্রেফতার তৃনমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সদ্য প্রাক্তন জেলা সভাপতি সুব্রত দত্ত নাবালিকার রহস্য মৃত্যুর ঘটনায় প্রভাব খাটিয়ে অভিযোগ করতে বাধা দেওয়া ও তথ্য প্রমাণ লোপাটে সাহায্যের অভিযোগে গ্রেফতার ।পাত্রসায়ের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূরবী দত্ত মল্লিকের পর এবার গ্রেফতার হলেন তাঁর স্বামী তথা তৃনমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সদ্য প্রাক্তন জেলা সভাপতি সুব্রত দত্ত ওরফে গোপে দত্ত। এক নাবালিকার রহস্য মৃত্যুর ঘটনায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অভিযোগ করতে বাধা দেওয়া ও তথ্য প্রমাণ লোপাটে সাহায্য করার অভিযোগে গতকাল রাতে তাঁকে গ্রেফতার করে পাত্রসায়ের থানার পুলিশ। আজ ধৃতকে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। পাত্রসায়ের থানা থেকে ধৃতকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা চোর চোর স্লোগান দেয়। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে চলতি বছর ৩০ মার্চ বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের থানা এলাকায় এক নাবালিকার রহস্য মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। অভিযোগ এই ঘটনায় পাত্রসায়ের থানা এলাকার এক যুবক ও তার মা এর বিরুদ্ধে যোগসাজসের অভিযোগ ছিল মৃতার পরিবারের। কিন্তু অভিযুক্তরা তৃনমূল ঘনিষ্ঠ হওয়ায় সে সময় তৃনমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুব্রত দত্ত ওরফে গোপে দত্ত এবং তাঁর স্ত্রী তথা পাত্রসায়ের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূরবী দত্ত মল্লিক রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মৃতার পরিবারকে অভিযোগ দায়েরে বাধা দেন। ময়িনা তদন্ত না করিয়ে মৃতার দেহ সৎকার করতেও বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ। রাজ্যে পালাবদলের পর মৃতার পরিবার ১১ জুলাই পাত্রসায়ের থানায় ঘটনার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরপরই এই ঘটনায় তথ্য প্রমাণ লোপাট ও মৃতার পরিবারকে অভিযোগ দায়েরে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ১২ জুলাই পাত্রসায়ের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূরবী দত্ত মল্লিককে গ্রেফতার করে পাত্রসায়ের থানার পুলিশ। পূরবী দত্ত মল্লিকের স্বামী তথা তৃনমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সদ্য প্রাক্তন জেলা সভাপতি সুব্রত দত্তর খোঁজেও শুরু হয় তল্লাশি। গতকাল রাতে বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে পাত্রসায়ের থানা এলাকা থেকে সুব্রত দত্ত ওরফে গোপে দত্তকে গ্রেফতার করে পাত্রসায়ের থানার পুলিশ। আজ ধৃতকে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।

Read More

মদন মিত্রের স্ত্রী অর্চনা মিত্র এসে পৌঁছালেন ইডি দপ্তরে

মদন মিত্রের স্ত্রী অর্চনা মিত্র এসে পৌঁছালেন ইডি দপ্তরে। তার সঙ্গে তার ছোট ছেলেও এসেছেন। পুরোনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বেশ কিছু আর্থিক লেনদেন এর সাথে ওনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যোগ পেয়েছেন ইডি তদন্তকারী দল। তাই তাকে আজকে ডাকা হয়েছে এবং তার সমস্ত ব্যাংক এর তথ্য , IT ফাইল নিয়ে আসতে বলা হয়েছে।ইডি সূত্রে খবর।

Read More

পঞ্চায়েতে পঞ্চায়েতে পুলিশ অভিযান জন্ম-মৃত্যুর রেজিস্টার খতিয়ে দেখতে তল্লাশি

পঞ্চায়েতে পঞ্চায়েতে পুলিশ অভিযান জন্ম-মৃত্যুর রেজিস্টার খতিয়ে দেখতে তল্লাশি কুলতলী বিধানসভার নটি গ্রাম পঞ্চায়েত সহ জেলা জুড়ে একাধিক পঞ্চায়েতে তল্লাশি চালাল পুলিশ। পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দাদের জন্ম ও মৃত্যুর রেজিস্ট্রেশন খাতা খতিয়ে দেখাই ছিল অভিযানের উদ্দেশ্য। সূত্রের খবর, রেজিস্টার খাতায় কোনও অসঙ্গতি আছে কিনা তা যাচাই করতেই পঞ্চায়েত দপ্তরের নির্দেশে এই অভিযান। রাজ্য জুড়ে পঞ্চায়েতে পঞ্চায়েতে এই একই ধরনের তল্লাশি চলছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের এই অভিযানে পঞ্চায়েত কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Read More

ধুলিয়ানের গ্রেফতার

তৃনমূল কাউন্সিলর আবাস যোজনা ইস্যু এবং শ্বশুরবাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারী ত্রিপল উদ্ধারের ঘটনায় এবার গ্রেফতার করা হল ধুলিয়ান পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের তৃনমূল কাউন্সিলর জিয়াউর রহমানকে। বুধবার গভীর রাতে কাউন্সিলরের শ্বশুরবাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। আজ বৃহস্পতিবার ধৃত তৃণমূল কাউন্সিলরকে জঙ্গিপুর আদালতে পাঠানো হবে সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশের পক্ষ থেকে। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে পৌরসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতীকে জয়ী হলেও পরবর্তীতে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করে তৃণমূলের কাউন্সিলর হিসেবেই ছিলেন জিয়াউর রহমান। রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পরেই পুলিশের বিশেষ অভিযানে কাউন্সিলরের শ্বশুরবাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রিপল উদ্ধার করা হয়। তারপর থেকেই পলাতক ছিলেন তৃনমূল কাউন্সিলর জিয়াউর রহমান। অবশেষে পুলিশের জালে পড়লেন তিনি। ধুলিয়ানে একের পর এক কাউন্সিলর গ্রেফতারের ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে। বলাবাহুল্য, এর আগেও ধুলিয়ান পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রতিনিধি মেহেবুব আলম, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সারীফ হাড্ডিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। FIR হয়েছে আরও বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। এবার সেই গ্রেপ্তারের তালিকায় সংযোজন হলেন ধুলিয়ান পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃনমূল কাউন্সিলর জিয়াউর রহমান।

Read More

স্বনির্ভর গোষ্ঠীতে দুর্নীতি? কেচারকুড় পঞ্চায়েতে মহিলাদের বিক্ষোভ

স্বনির্ভর গোষ্ঠীতে দুর্নীতি? কেচারকুড় পঞ্চায়েতে মহিলাদের বিক্ষোভ, ঘেরাও অঞ্চল অফিসস্বনির্ভর গোষ্ঠী পরিচালনায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কেচারকুড় গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। বৃহস্পতিবার এই দুর্নীতির প্রতিবাদে পঞ্চায়েতের অঞ্চল অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান শতাধিক মহিলা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ‘সারদা গোষ্ঠী’র নেতৃত্ব সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী ঋণের ওপর ৫০ পয়সা হারে সুদ নেওয়ার কথা থাকলেও, তাঁদের কাছ থেকে ১ টাকা হারে সুদ আদায় করা হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, সরকারের দেওয়া ১৫ হাজার টাকার অনুদান পাইয়ে দেওয়ার নামে গোষ্ঠীপিছু ৭০০ থেকে শুরু করে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত অবৈধভাবে কাটমানি নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ।এই ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ মহিলারা অঞ্চল অফিসে ঢুকে নথিপত্র দেখার দাবিতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের ঘেরাও করেন। পুলিশ দ্রুত এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ইতিমধ্যেই মহিলারা বিডিও অফিসে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। তদন্তের পরই মূল সত্য সামনে আসবে।

Read More

টানা বৃষ্টিতে ডুলুং নদীর জল বেড়ে চিল্কিগড়ের কজওয়ে প্লাবিত

টানা বৃষ্টিতে ডুলুং নদীর জল বেড়ে চিল্কিগড়ের কজওয়ে প্লাবিত ঝাড়গ্রাম জেলাজুড়ে গত কয়েকদিন ধরে একনাগাড়ে টানা বৃষ্টির জেরে বিভিন্ন নদ-নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। তারই প্রভাব পড়েছে জামবনি ব্লকের চিল্কিগড় এলাকায়। ডুলুং নদীতে প্রবল জলস্রোত নামায় নদীর উপর নির্মিত কজওয়ের উপর দিয়ে জল বইতে শুরু করেছে। ফলে কজওয়েটি সম্পূর্ণ জলমগ্ন হয়ে পড়ায় স্বাভাবিক যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কজওয়ের উপর দিয়ে প্রবল স্রোতে জল বইতে থাকায় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার না করার পরামর্শ দিচ্ছেন স্থানীয়রাও।চিল্কিগড়ের এই কজওয়েটি ঝাড়গ্রাম শহরের সঙ্গে জামবনি ব্লকের একাধিক গ্রামের মানুষের অন্যতম প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম। প্রতিদিন এই রাস্তা ব্যবহার করে ছাত্র-ছাত্রী, চাকরিজীবী, কৃষক, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষ ঝাড়গ্রাম শহরে যাতায়াত করেন। কিন্তু কজওয়ে প্লাবিত হওয়ায় সেই যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে স্কুল-কলেজে যাতায়াত, চিকিৎসা পরিষেবা, বাজার-হাট, সরকারি অফিসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা কাজে চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।স্থানীয়দের অভিযোগ, কজওয়ে ডুবে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে বহু মানুষকে কয়েক কিলোমিটার ঘুরপথে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে যেমন সময় নষ্ট হচ্ছে, তেমনই বেড়ে যাচ্ছে যাতায়াতের খরচ। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন অসুস্থ রোগী, গর্ভবতী মহিলা, পরীক্ষার্থী এবং জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষজন। অনেক ক্ষেত্রেই অ্যাম্বুল্যান্সকেও বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করতে হচ্ছে, যার ফলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। বাসিন্দাদের দাবি, প্রতিবছর বর্ষা এলেই ডুলুং নদীর জল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই কজওয়ে জলমগ্ন হয়ে পড়ে এবং একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি ঘটে। বছরের পর বছর জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থায়ী সেতু নির্মাণের আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনও পর্যন্ত বাস্তবে কোনও কাজ শুরু হয়নি। ফলে বর্ষা এলেই হাজার হাজার মানুষকে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি, ডুলুং নদীর উপর একটি উচ্চ ও স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হলে সারা বছর নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা বজায় থাকবে। শুধু যাতায়াতের সমস্যাই নয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নেও তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই আর আশ্বাস নয়, অবিলম্বে স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু করার দাবিতে সরব হয়েছেন চিল্কিগড় ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা।

Read More