কর্তব্যরত অবস্থায় পৌরসভার সাফাই কর্মীদের উপর মাধরের অভিযোগ সিপিএম নেতার বিরুদ্ধে
কর্তব্যরত অবস্থায় পৌরসভার সাফাই কর্মীদের উপর মাধরের অভিযোগ সিপিএম নেতার বিরুদ্ধে. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৩১ মার্চ:সরকারি কাজে বাঁধা এবং সরকারি কাজে কর্মরত শ্রমিকদের বেধড়ক মার ও অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগ সিপিআইএম নেতা তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর এর বিরুদ্ধে। ঘটনায় শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের। জানা যায়, শান্তিপুর পৌরসভার ডেঙ্গু প্রতিরোধ দপ্তরের ৫ জন শ্রমিক কে বেধড়ক মারধর এবং প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করে শান্তিপুর পৌরসভার ১১ নং প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা সিপিআইএম নেতা সৌমেন মাহাতো। শুধু মারধরই নয় তার সঙ্গে সরকারি কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে প্রাক্তন কাউন্সিলর এর বিরুদ্ধে। সুপারভাইজার বাসুদেব প্রামানিক এর অভিযোগ, আজ বিকেল পাঁচটা নাগাদ পৌরসভা নির্দেশমতো শান্তিপুর পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের গোভাগার মোড় থেকে ওস্তাগার লেন যাওয়ার রাস্তায় ডেঙ্গু প্রতিরোধের কাজ করছিলেন। সে সময় হঠাৎই প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা সিপিআইএম নেতা সৌমেন মাহাতো কাজ বন্ধ করার হুমকি দিতে শুরু করেন। বারবার বাধা সৃষ্টি করেন কাজ করতে। পরবর্তীতে তার পাঁচ জন কর্মীকে প্রথমে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ এবং পরবর্তীতে বেধড়ক মারধর এবং প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করেন। তারপর ব্লিচিং ভর্তি ঠেলাগাড়ি ঠেলা মেরে রাস্তায় ফেলে দেন। ঘটনায় পাঁচ জন শ্রমিক গুরুতরভাবে আহত হন। তৎক্ষণাৎ এলাকাবাসী ছুটে আসলে অভিযুক্ত সিপিআইএম নেতা সৌমেন মাহাতো সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এরপর এলাকাবাসী আহত পাঁচ শ্রমিককে শান্তিপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই তাদের চিকিৎসা করানো হয়। ঘটনায় ডেঙ্গু প্রতিরোধের সুপারভাইজার বাসুদেব প্রামানিক অভিযুক্ত সিপিআইএম নেতা তথা প্রাক্তন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে শান্তিপুর থানায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং কর্মীদের মারধরের ঘটনায় সঠিক তদন্ত করে অভিযুক্ত সাজা চেয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। যদিও এই ঘটনা সামনে আসার পরই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব সহ শান্তিপুর পৌরসভার কর্তৃপক্ষ।তবে আইনের উপর ভরসা রেখে অভিযুক্ত সাজা হবে বলেই মনে করছেন তৃণমূল নেতৃত্বরা। যদিও মারধরের ঘটনা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা সিপিআইএম নেতা সৌমেন মাহাতো।

