ময়নাগুড়িতে বিজেপির প্রার্থী বদল! কারণ ঘিরে জল্পনা

ময়নাগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী বদল ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা তৈরি হয়েছে। শেষপর্যন্ত বিদায়ী বিধায়ক কৌশিক রায়কে সরিয়ে বিজেপি প্রার্থী করা হয়েছে ডালিম রায়কে। দলের চতুর্থ দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরই এই পরিবর্তন। প্রসঙ্গত, এর আগে দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকায় ময়নাগুড়ি কেন্দ্রের জন্য কৌশিক রায়ের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই ঘোষণার পর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ দানা বাঁধতে শুরু করে। একাংশ কর্মী সমর্থক প্রকাশ্যেই দলের প্রতি ক্ষোভ উগরে দেন। প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দলীয় কার্যালয়ে। অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ কর্মীরা বিজেপির জেলা সভাপতিসহ কয়েকজন নেতৃত্বকে কার্যালয়ের ভিতরে তালাবন্দী করে রাখেন। এই ঘটনার পর থেকেই ময়নাগুড়িতে প্রার্থী বদলের জোর জল্পনা শুরু হয়। যদিও ততদিনে কৌশিক রায় নির্বাচনী প্রচারও শুরু করে দিয়েছিলেন। ফলে হঠাৎ প্রার্থী পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। দলের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা না মিললেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, স্থানীয় স্তরে সংগঠনের চাপ এবং কর্মীদের ক্ষোভই এই সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা নিয়েছে। নতুন প্রার্থী ডালিম রায়কে সামনে রেখে এখন সংগঠনকে কত দ্রুত ঐক্যবদ্ধ করা যায়, সেটাই বিজেপির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে, এই প্রার্থী পরিবর্তন বিরোধীদের হাতে নতুন রাজনৈতিক অস্ত্র তুলে দিল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Read More

ভোটার তালিকায় নাম বাদ! প্রতিবাদে আগুন জ্বালিয়ে পথ অবরোধ

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার হাসনাবাদ ব্লকের রাজাপুর এলাকা। ক্ষুব্ধ ভোটাররা আগুন জ্বালিয়ে বসিরহাটে নেজাট রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। ঘটনায় সাময়িকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজাপুর এলাকার ২০৭ নম্বর বুথে মোট ১২৮৩ জন ভোটারের মধ্যে প্রায় ২৫৭ জনের নাম সাম্প্রতিক সংশোধনে বাদ পড়েছে। শুধু তাই নয়, বেশ কিছু ভোটারের নাম এখনও বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। এর ফলে ভোটাধিকার হারানোর আশঙ্কায় উদ্বেগ বাড়ছে এলাকায়।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বারবার বিএলও, ইআরও এবং নির্বাচন দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও সমস্যার কোনও সুরাহা হয়নি। কমিশনার তরফে স্পষ্ট করে সুরাহার বার্তা না মেলায় শেষ পর্যন্ত রাস্তা অবরোধের পথ বেছে নিতে বাধ্য হন তাঁরা। এদিন সকাল থেকেই রাজাপুর এলাকায় জড়ো হন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। টায়ার ও কাঠ জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করা হয়। বিক্ষোভকারীদের দাবি, অবিলম্বে বাদ পড়া নামগুলি পুনর্বিবেচনা করে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তা না হলে বিক্ষোভ কর্মসূচি আরও তীব্রতর হবে এমনই হুশিয়ারি আন্দোলনরত ভোটারদের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। প্রশাসনের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে এই ঘটনায় নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এলাকায়।

Read More

পণের দাবিতে নির্যাতন! এক মাসের শিশুকে তুলে আছাড়!

নদিয়ার শান্তিপুরে পণের দাবিকে কেন্দ্র করে পারিবারিক হিংসার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, গৃহবধূর ওপর দীর্ঘদিনের অত্যাচারের পাশাপাশি এক মাসের শিশুকে তুলে আছাড়। বর্তমানে অসুস্থ শিশুকে নিয়ে উদ্বেগে পরিবার। অভিযোগকারিণী সাইরুন খাতুন জানিয়েছেন, প্রায় দু’বছর আগে প্রেম করে বিয়ে হয় তাঁদের। প্রথমদিকে সংসার স্বাভাবিক থাকলেও, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকেই শুরু হয় অশান্তি। তাঁর দাবি, শাশুড়ি সফুরা খাতুন প্রায়ই অকারণে ঝগড়া বাধাতেন এবং বাপের বাড়ি থেকে খাট, সোফাসেট, সোনার গয়না ও মোটরবাইক আনার জন্য চাপ দিতেন। সম্প্রতি ঘটনাটি চরম আকার নেয়। বাথরুমে শিশুর জামাকাপড় মেলাকে কেন্দ্র করে বচসা শুরু হয়। সাইরুনের অভিযোগ, সেই বচসা মুহূর্তে হাতাহাতিতে পৌঁছয়। স্বামী জাবির শেখ ও শাশুড়ি মিলে তাঁকে মারধর করেন। তাঁর কোল থেকে এক মাসের শিশুকে কেড়ে নিয়ে মাটিতে আছাড় মারা হয় বলেও অভিযোগ। চিকিৎসকদের মতে, শিশুটির মাথায় গুরুতর চোট লেগেছে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে কলকাতার একটি বড় হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত এটি সাইরুন ও জাবিরের দ্বিতীয় সন্তান। প্রথম সন্তান জন্মের তিন দিনের মধ্যেই মারা গিয়েছিল। বারবার একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে সাইরুন এখন আইনের দ্বারস্থ হতে চাইছেন। শান্তিপুর থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

Read More

কল্যাণীতে ভোটার বিভ্রাট! গ্রামবাসীর ক্ষোভ চরমে

নদীয়ার কল্যাণী বিধানসভার ১১৩ নম্বর বুথে ভোটার তালিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দানা বাঁধল। চর যাত্রাসিদ্ধি গ্রামের এই বুথে একসময় মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১০১৩। কিন্তু সাম্প্রতিক বিশেষ নিবিড় সংশোধনের পর সেই সংখ্যা নেমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৯২ জন। ইতিমধ্যেই ৩৭১ জনের নাম বাদ পড়েছিল, আর বিচারাধীন তালিকায় থাকা ২৫১ জনের মধ্যে ২৫০ জনের নামও শেষ পর্যন্ত কেটে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। গ্রামবাসীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই সমস্যা নিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও বাস্তবে কোনও সুরাহা হয়নি। বরং প্রতিবার তালিকা সংশোধনের সময় নতুন করে নাম বাদ পড়ার ঘটনা ঘটছে। ফলে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় ক্ষোভ বাড়ছে এলাকায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, নদিয়া ও হুগলি জেলার সীমানা নিয়ে জটিলতার জেরে প্রায় ২৮ বছর ধরে এই গ্রামের বাসিন্দারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। পরে ২০০৯ সালে নদিয়া জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের বিশেষ উদ্যোগে তাঁদের ভোটার তালিকাভুক্ত করা হয়। তাতে সমস্যার কিছুটা সমাধান হলেও, সাম্প্রতিক ‘এসআইআর’ প্রক্রিয়ায় ফের সেই সংকট সামনে এসেছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে তথ্য যাচাইয়ের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু গ্রামবাসীদের প্রশ্ন, এত বছর পর হঠাৎ করে সেই পুরনো নথির ভিত্তিতে নাম বাদ দেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত? এই পরিস্থিতিতে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে আসন্ন নির্বাচনে বড় অংশের মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন।

Read More

কংগ্রেসে ঘর-ওয়াপসি! তৃণমূল ভাঙনে ডোমকলে জল্পনা!

বিধানসভা নির্বাচনের আগে ডোমকলে শক্তি বাড়াতে মরিয়া কংগ্রেস। প্রার্থী ঘোষণার পরেই ব্লক কংগ্রেস সভাপতি মশিউর রহমান টাইটানের নেতৃত্বে শহর জুড়ে বিশাল মিছিল করে প্রচারে ঝাঁপালেন কংগ্রেস প্রার্থী শাহানাজ বেগম। এই ‘মেগা শোডাউন’ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।মিছিল ঘিরে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে টাউন তৃণমূলের পরিচিত মুখ শাকিল মিঞা রাজুর কংগ্রেসে প্রত্যাবর্তন। যোগদানের পরেই তিনি বলেন, “কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে গিয়ে ভুল করেছি, পাপ করেছি। তাই আবার কংগ্রেসেই ফিরলাম।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে ভাঙনের জল্পনা আরও উসকে দিয়েছে। এদিনের কর্মসূচিতে প্রার্থী শাহানাজ বেগমের উপস্থিতিতে কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। তিনি দাবি করেন, তৃণমূলের ‘লাগামহীন দুর্নীতি’র বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। “ভোটের আগে আরও বহু নেতা কর্মী তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেবেন।” রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ডোমকলে দীর্ঘদিন ধরেই কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক এই যোগদান এবং জোরদার প্রচার সেই সংগঠনকে নতুন করে চাঙ্গা করতে পারে। অন্যদিকে, তৃণমূল শিবিরে এই ঘটনায় কিছুটা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, বিধানসভা ভোটের আগে ডোমকলে কংগ্রেসের এই শক্তি প্রদর্শন রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তবেই যোগদান কতটা ফলপ্রসু হয় তার জন্য নির্বাচনী ফলাফলের অপেক্ষা করতে হবে।

Read More

আরাবুল বিরোধিতায় ভাঙড়ে প্রার্থী দিল জমি কমিটি

বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভাঙড়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত মিলল। জমি জীবিকা, বস্তুতন্ত্র ও পরিবেশ রক্ষা কমিটি নিজেদের প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা করল। কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, মাছিভাঙা গ্রামের বাসিন্দা মির্জা হাসান সিপিআই(এমএল) মাসলাইন এর প্রার্থী হিসেবে এবার ভাঙড় কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কমিটির মুখপত্র অলিক চক্রবর্তী জানান, “বাম শরিক হিসেবে এতদিন আইএসএফকে নৈতিক সমর্থন জানানো হলেও, আরাবুল ইসলামকে প্রার্থী করায় সেই সমর্থন প্রত্যাহার করা হয়েছে।” তাঁর কথায়, “এই প্রার্থী ঘোষণার পর আমাদের পক্ষে আইএসএফকে সমর্থন করা সম্ভব নয়। তাই আমরা নিজেরাই প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” রাজনৈতিক মহলের মতে, ভাঙড়ে জমি আন্দোলন ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই এই কমিটির প্রভাব রয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে তাদের এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনে কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রার্থী মির্জা হাসান বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য আরাবুল ইসলামের বিরোধিতা করা। পাশাপাশি গত কয়েক বছরে এলাকায় যে উন্নয়নের কাজ হয়েছে, তার ভিত্তিতেই মানুষের সমর্থন পাব বলে আমরা আশাবাদী।” এদিকে, এই ঘোষণার ফলে ভাঙড়ে ত্রিমুখী লড়াই আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিরোধী ভোটে বিভাজন হলে তার প্রভাব পড়তে পারে মূল লড়াইয়ের ফলাফলেও। এখন দেখার, জমি রক্ষা কমিটির এই পদক্ষেপ ভোটের অঙ্কে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।

Read More

সিউড়িতে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে সতর্ক বার্তা বিকাশেরদুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন।

সিউড়িতে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে সতর্ক বার্তা বিকাশেরদুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। পুনরায় ক্ষমতায় আশিন থাকতে মরিয়া শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ২৯১ কেন্দ্র সবকটি গুরুত্বপূর্ণ তালিকায়। বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সিউড়িতে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মেটাতে সক্রিয় ভূমিকানিতে দেখা গেল। বিদায়ী বিধায়ক তথা দলের কোর কমিটির সদস্য বিকাশ রায়চৌধুরী নিজে সক্রিয় ভূমিকা নিলেন। সোমবার সিউড়ি ১ নম্বর ব্লকের কর্মীসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি দলীয় কর্মীদের একদিকে সতর্ক করেন, অন্যদিকে ঐক্যের বার্তাও দেন। সভায় বিকাশ রায়চৌধুরী বলেন, “একটা সময় ছিল যখন আমরা ৯৯ শতাংশ ভোট পেতাম। কিন্তু এবার অনেক ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। ফলে পরিস্থিতি আগের মতো নেই।”তাঁর স্পষ্ট বার্তা, আত্মতুষ্টিতে ভোগার সুযোগ নেই। “নাকে তেল দিয়ে ঘুমালে চলবে না, ঘরে ঘরে যেতে হবে,” দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে এমনই কড়া সতর্কবার্তা দেন তিনি। বর্তমান প্রার্থী উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে ব্লক নেতৃত্বের একাংশের অসন্তোষের জল্পনা ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয়। সেই প্রেক্ষিতেই বিকাশবাবুর এই সভা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তিনি বলেন, “কে কার অনুগামী সেটা বড় কথা নয়, আমরা সবাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক।” ব্যক্তিগত রাগ অভিমান ভুলে বিজেপিকে হারানোর ডাক দেন তিনি। একই সঙ্গে দলীয় ভাঙন ও তথ্য ফাঁস নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিকাশবাবু। তাঁর অভিযোগ, দলের ভেতরেই এমন কিছু লোক রয়েছেন, যাঁদের বক্তব্য সরাসরি প্রতিপক্ষের কাছে পৌঁছে যায়। শেষে তিনি স্পষ্ট করে জানান, দলের প্রার্থীকে জয়ী করার দায়িত্ব তিনি নিজেই নিয়েছেন।

Read More

পানিহাটিতে ৬০০ ভোটার বাদ! প্রতিবাদে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ

ভোটের মুখে ভোটার তালিকা বিভ্রাট ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পানিহাটি পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ড। অভিযোগ, এস আই আর-এর তৃতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের পরেও ওই ওয়ার্ডের দশটি বুথে প্রায় ৬০০ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এত সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ যাওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। সোমবার নাটাগড় কালীতলা এলাকায় রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান বঞ্চিত ভোটাররা। টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ গড়ে তোলেন তারা। এর ফলে কিছুক্ষণের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।বিক্ষোভকারীদের দাবি, নিয়ম মেনে ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ করে নাম বাদ পড়ায় তারা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দফতরে যোগাযোগ করা হলেও সমস্যার সমাধান মেলেনি। ভোটের মুখে এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এদিকে, এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিক্ষোভকারীরা। তাদের বক্তব্য, এত বড় সংখ্যায় নাম বাদ যাওয়া প্রশাসনিক গাফিলতিরই প্রমাণ। দ্রুত সমস্যার সমাধান করে সকলের নাম পুনরায় তালিকাভুক্ত করার দাবিতে সরব হয়েছেন তারা।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। আদৌ কোনো সুরাহা হবে কিনা! বিধানসভা নির্বাচনে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন কিনা! চিন্তায় বাদ পড়া ৬০০ ভোটার।

Read More

সীমান্তে তল্লাশিতে উদ্ধার নগদ ৪ লক্ষ টাকা

নির্বাচনকে সামনে রেখে কড়া নিরাপত্তা।পশ্চিমবঙ্গ-ঝাড়খণ্ড সীমান্তে জোরদার করা হয়েছে ইন্টারস্টেট নাকা তল্লাশি। সেই তল্লাশির মধ্যেই বড়সড় সাফল্য। নগদ অর্থ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। রবিবার গভীর রাতে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ডুবুরডিহি চেকপোস্টে তল্লাশি চলাকালীন ঝাড়খণ্ড দিক থেকে আসানসোলগামী একটি চারচাকা গাড়িকে থামানো হয়। গাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় নগদ ৪ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩০০ টাকা। গাড়িতে থাকা ব্যক্তির কাছে ওই বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থের কোনও বৈধ নথি না থাকায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্বাচনী বিধি মেনে চলার জন্যই এই কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে উদ্ধার হওয়া পুরো অর্থ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এদিনের নাকা তল্লাশিতে উপস্থিত ছিলেন এসএসটি মেজিস্ট্রেট, আবগারি দফতরের আধিকারিক, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং চৌরাঙ্গী ফাঁড়ির পুলিশ। যৌথভাবে এই অভিযান চালানো হয় বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। নির্বাচনের আগে অবৈধ অর্থ ও সামগ্রী পাচার রুখতেই এই ধরনের তল্লাশি আরও জোরদার করা হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে প্রশাসন। সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

Read More

SIR কি গলার কাঁটা! লিস্টে নাম না থাকায় হুড়মুড়িয়ে তৃণমূলে যোগ

রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের মুখে তৃণমূলের জয়জয়কার। শান্তিপুর ব্লকের আরবান্দি দু নম্বর পঞ্চায়েতের অধীনস্থ বাথানগাছি দুর্লভপাড়া এলাকায় মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির আয়োজনে নির্বাচনী কর্মীসভা পরিণত হল যোগদান সভায়। প্রায় কুড়িটি পরিবারের মহিলারা এদিন তাদের ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে পঞ্চায়েত সদস্য এবং সমিতির সদস্য নির্বাচিত করেন বিজেপির। কিন্তু উন্নয়ন তো দূরে থাক, আদিবাসী হয়েও বিজেপি কর্মী হওয়া সত্ত্বেও এন্যুমারেশন ফর্ম এসেছিল বাড়িতে। এ বিষয়ে বিজেপি নেতৃত্ব কে জানানোর পর তারা জানান ফর্ম ফিলাপ করে জমা দিতে কারোর নাম কাটা যাবে না। কিন্তু সম্প্রতি গতকাল চূড়ান্ত তালিকায় দেখা যায় তাদের নাম বাদ। তাই সকলের সমবেত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজকের এই যোগদান। যোগদান করে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব শৈলেন মল্লিক জানান বিজেপি করা সত্ত্বেও এলাকার রাস্তা আলো এবং অন্যান্য নানান উন্নয়ন ডুকেছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর কিংবা কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যান্য সুবিধা এতটুকু পাওয়া যায়নি। একটি মন্দিরের দাবী করেছিল মানুষজন। কিন্তু তাও পূরণ হয়নি পাঁচ বছরে। যখন ডাকলে তখন পাই বলে বিজেপির বিধায়কের প্রচার হলেও পাঁচ বছরের মধ্যে এই গ্রামে কখনো দেখা যায়নি। কিন্তু তাপস ঘোষ এই বিধানসভায় বর্তমান বিধায়ক পদপ্রার্থী হলেও রানাঘাট টু পঞ্চায়েত সমিতির চারবারের সভাপতি তিনি। রাজ্য সরকারের নানান সুযোগ সুবিধা এই এলাকার একচ্ছত্র বিজেপি আধিপত্য হলেও নিয়মিত পৌঁছেছেন তার কর্মীদের দিয়ে। যোগদান করিয়ে প্রার্থী তাপস ঘোষ বলেন এই এলাকায়, কিছুদিন আগেই একটি যোগদান হয়েছিল আগামীতেও বেশ কয়েকটি যোগদানের কথা চলছে। এর কারণ একটাই দলমত নির্বিশেষে মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়ন পৌঁছে যে প্রত্যেকটি বাড়িতে। তাই বিজেপি ছেড়ে এত মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে তৃণমূলে যোগদান করছেন।

Read More