আত্মঘাতী যুবক
এসআইআর শুনানিতে ডাক,কাগজ না থাকায় নাম বাদ যাওয়ার ভয়ে সপ্তগ্রামে আত্মঘাতী যুবক। তৃনমূলের অভিযোগ কাগজ না থাকার আতঙ্কে আত্মঘাতী হয়েছে যুবক।সপ্তগ্রাম বিধানসভার সপ্তগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের তিসবিঘায়
এসআইআর শুনানিতে ডাক,কাগজ না থাকায় নাম বাদ যাওয়ার ভয়ে সপ্তগ্রামে আত্মঘাতী যুবক। তৃনমূলের অভিযোগ কাগজ না থাকার আতঙ্কে আত্মঘাতী হয়েছে যুবক।সপ্তগ্রাম বিধানসভার সপ্তগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের তিসবিঘায়
বাবার নামে রয়েছে ১৯৬৭ সালের ইস্যু হওয়া ভারতীয় নাগরিকত্বের কার্ড। অথচ তার ছেলেকেই এস আই আর শুনানির নোটিশ ধরিয়ে দিয়েছে কমিশন। শুধু শুনানির নোটিশ ধরানোই নয় আজ শুনানির হাজিরা দিতে গিয়ে শুনতে হলো বাংলাদেশি তকমা। দিনহাটা বড় নাচিনা এলাকার বাসিন্দা নিমাই দাস। অসুস্থ বয়স্ক বৃদ্ধ। তার নামে এসেছে কমিশনের শুনানি নোটিশ। অথচ তার বাবা শ্যামচরণ দাস ১৯৬৭ সালে ভারতের নাগরিকত্ব নিয়েছেন। নিমাই দাসের অভিযোগ তিনি আজকে যখন বাবার সেই নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট সহ হিয়ারিং সেন্টারে আসেন তখন সেখানে কর্মরত কর্মীরা তাকে বাংলাদেশী বলে কটাক্ষ করেন। তারা আরো অভিযোগ তার বাবা ১৯৬৭ সালেই বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে ভারতের নাগরিকত্ব লাভ করে তারপর তাদের জন্ম বেড়ে ওঠা সবটাই ভারতে। এখন তার বয়স প্রায় ৭০ ঊর্ধ। তাহলে এই বয়সে এসেও তাকে কেন শুনানির নোটিশ পেতে হবে।
দিলীপ , শুভেন্দু , শমীক , সুকান্ত সাথে আলাদা বৈঠকে অমিত শা । সাথে আছে , সুনীল বনশল , ভূপেন যাদব , বিপ্লব দেব ।সা়ংসদ অনন্ত মহারাজ আজ বৈঠকে আসেন নি। অমিত শা র নির্দেশ – প্রতিদিন পাচ টা করে সভা করতে হবেবিধায়ক সুব্রত ঠাকুর বৈঠকে ছিলেন না । দেরি করে বৈঠকে আসার জন্য বিশ্বনাথ তারক কে বৈঠকে ঢুকতে দেওয়া হয় নি ।
উত্তর ২৪ পরগনা বসিরহাট মহাকুমার হাসনাবাদ ব্লক এ ৩৭০০ জনকে হেয়ারিং পর্বে ডাকা হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে হাসনাবাদ বিডিও অফিসে এখানে দেখা গেল ৯০ ঊর্ধ্ব বৃদ্ধ বৃদ্ধার হেয়ারিং এ ডাকা হয়েছে অসুস্থ শরীর নিয়ে তিনি সশরীরে হাজির হয়েছেন হেয়ারিং এর জন্য। পাশাপাশি কিছু বৃদ্ধা মানুষও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন সেই আতঙ্কের মধ্যেও অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছে কারণ তাদের মধ্যে একটা ভয়ভীতি কাজ করছে সেই ছবি হাসনাবাদে
রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশের পুলিশ কমিশনার কেও বি এল এ টু নিয়ে বার্তা নির্বাচন কমিশনের। রাজনৈতিক দলগুলির বিএলএ টু রা ঢুকে যাতে শুনানি বন্ধ না হয় সেজন্য পুলিশকেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশের পুলিশ কমিশনার কে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের গাইড লাইন মনে করালো নির্বাচন কমিশন। শুনানি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত পুলিশের নিরাপত্তা এবং যাবতীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয় সেই বিষয় নিয়ে কমিশনের নির্দেশ ডিজি ও কলকাতা পুলিশের পুলিশ কমিশনার কে বলেই কমিশন সূত্রে খবর
শুনানি কেন্দ্রে কোনোভাবেই বি এল এ টু দের ঢুকতে দেওয়া যাবেনা। এটা নিশ্চিত করতে হবে জেলাশাসকদের। জেলাশাসকদের নির্দেশ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের। শুনানি প্রক্রিয়া যাতে কোনভাবেই ব্যাহত না হয় সেটাও দেখতে হবে। যদি বিএল এ টু রা শুনানি কেন্দ্রে ঢোকেন ero, aero, blo দের বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।জেলাশাসক দের কড়া নির্দেশ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এর বলেই কমিশন সূত্রে খবর।
প্রাণে মারার হুমকি বিধায়ক কেএকাধিক ফোন থেকে প্রাণে মারার হুমকি , আর সেই আতঙ্কেই মাঝরাতে সরাসরি চাকদা থানায় থানায় অভিযোগ জানাতে হরিণঘাটার বিজেপির বিধায়ক অসীম সরকার ।বিধায়কের দাবি বাংলাদেশের ঘটনার প্রতিবাদে বনগাঁ পেট্রাপোল সীমান্তে হিন্দু সনাতনীদের সংগঠনের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি।
তেহট্ট–১ ব্লকের পলাশীপাড়া বিধানসভার চাঁদেরঘাট গ্রাম পঞ্চায়েতের ২১৫ নম্বর বুথে ৪৯১ জন ভোটারকে শুনানির নোটিশ পাঠানোকে ঘিরে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এলাকায়। অভিযোগ, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও এই বিপুল সংখ্যক ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার তেহট্টের জিৎপুর মোড় থেকে মিছিল করে তেহট্ট–১ বিডিও অফিসে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল কংগ্রেস। বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য-সহ দলের নেতা-কর্মীরা ও ভোটাররা।
ঝালদা পৌরসভার বোর্ড মিটিংয়ে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঝালদা পৌরসভার বোর্ড মিটিং ঘিরে প্রকাশ্যে চলে এল তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। শোকজের জবাব দেওয়ার উদ্দেশ্যে পৌরপ্রধান সুরেশ আগরওয়ালের ডাকে অনুষ্ঠিত বোর্ড মিটিং চলাকালীন দলেরই চারজন কাউন্সিলার প্রতিবাদ জানিয়ে মিটিং ছেড়ে বেরিয়ে যান। অভিযোগ, বোর্ড মিটিংয়ের আলোচ্যসূচি নিয়ে কোনও আলোচনা না করেই রেজুলেশন বা মিনিটস বুকে আগাম সই করতে বলা হয়।পৌরসভায় মোট ১২টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের দখলে রয়েছে ১০টি (এর মধ্যে একজন কাউন্সিলার প্রয়াত), একটি কংগ্রেসের। এদিন ১১ জন কাউন্সিলার ও পৌরপ্রধান উপস্থিত থাকলেও চার কাউন্সিলার সই করতে অস্বীকার করে বেরিয়ে যান।
গঙ্গাসাগর মেলায় যাকে যা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেই দায়িত্ব পালন করবে। কোনরকম বিশৃঙ্খলা না হয় সেটা নজর রাখতে হবে। নজর বাড়াতে হবে। তোমরা দেখে নিও। ক্রাউড ম্যানেজমেন্ট এর উপরেও নজর রাখবে। মন্ত্রিসভার বৈঠক চলাকালীন গঙ্গাসাগর মেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের উদ্দেশ্যে এমনই বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে নবান্ন সূত্রে খবর।