বজবজে প্রণয় ঘটিত সম্পর্কের জেরে আলাদা আলাদা বাড়িতে আত্মঘাতী মামী ও ভাগ্না.

বজবজে প্রণয় ঘটিত সম্পর্কের জেরে আলাদা আলাদা বাড়িতে আত্মঘাতী মামী ও ভাগ্না. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১৫ এপ্রিল:দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজ থানার অন্তর্গত উত্তর রায়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রণয় ঘটিত সম্পর্কের জেরেই আলাদা আলাদা বাড়িতে আত্মঘাতী হয়েছে মামী ও ভাগ্না। পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় বছর দশেক আগে বজবজ থানার অন্তর্গত নন্দন পুরের বাসিন্দা ১৯ বছরের অনন্যার সঙ্গে পাইকপাড়া আশা গাজি তলার বাসিন্দা, রনজিত সরদারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং পরবর্তী সময়ে তাদের বিবাহ হয় দুই পরিবারের সম্মতিতে। বর্তমানে তাদের একটি আড়াই বছরের সন্তানও রয়েছে। রনজিতের একটি বাইক সরাবার গ্যারেজ রয়েছে।তার এবং রনজিতের মা, ও দীপ্তি সরদারের লোকের বাড়ির কাজের পয়সাতেই কোনো ভাবে তাদের দিন গুজরান হতো। সবই ঠিকঠাক চলছিল। সদা হাসমুখ মিশুকে অনন্যা কোনভাবে সম্পর্কে জড়ায় রনজিতের পিসতুতো দিদির ছেলে রাকেশ রকি বাগের সঙ্গে। রকি একটি প্রাইভেট সংস্থায় কাজ করতো পাশাপাশি নিয়মিত শারীরিক চর্চাও করত। তুলনায় স্বামী রনজিত সরদারের চেয়ে রকি একটু বেশিই স্মার্ট ছিল। প্রায়সই রকির মামার বাড়িতে আগমন, তাকে মামীর খাইয়ে দেওয়া, আদর করা বা ঘন্টার পর ঘন্টা ফোনে কথা বলাটা সবটাই পরিবারের লোকেরা এড়িয়ে গিয়েছিল। কারণ সম্পর্কে তারা মামী এবং ভাগ্না। প্রতিবেশীরা ছাড়াও রকির পরিবার অভিযোগও করত রকির, আয়ের বেশিরভাগ অংশই মামীর পেছনে খরচা করতো। সম্প্রতি মাস দুইয়েক রকি আর কাজে যাচ্ছিল না। বেশিরভাগ সময় কাটাচ্ছিল মামীর সঙ্গে। তবে গতকাল রাতে ঠিক কি ঘটেছিল তা কারোরই জানা নেই। বেশ কিছুক্ষণ দুজনেই দুজনের বাড়িতে আলাদা আলাদা ভাবে মোবাইলে কথা বলতে বলতেই এই সিদ্ধান্ত। ঘটনার ঠিক পর মুহূর্তে অনন্যা বেঁচে থাকায় পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে বজবজ পৌর হাসপাতালে তড়িঘড়ি নিয়ে আসলেও কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। সূত্রের দাবি, দুটো মোবাইল আপাতত বজবজ থানার পুলিশ তাদের হেফাজতে রাখার পাশাপাশি দেহ দুটিকে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। দুই পরিবারের এই মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *