গ্রাহকের আপত্তিকে তোয়াক্কা না করে এক প্রকার ভুল বুঝিয়ে লাগানো হচ্ছে স্মার্ট মিটার. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৩ এপ্রিল:রাজ্যসভা বিধানসভা কিংবা লোকসভায় উত্থাপন ছাড়া, গ্রাহকদের কোনরকম অবগতি ছাড়া কিংবা সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে কোনরকম মাইকিং কিংবা সরকারি নির্দেশ না দেখিয়েই বিদ্যুতের মতন একটি অত্যাবশ্যকীয় বিষয়ে গ্রাহকদের একপ্রকার সম্পূর্ণভাবে আঁধারে রেখে নিঃশব্দে বসানো হচ্ছে স্মার্ট মিটার এমনই অভিযোগ বেশ কিছু গ্রাহকের।গ্রাহকদের জন্যই উন্নয়ন আর তাদের কাছে বিষয় স্পষ্ট না হলে তারা কেনই বা লাগাবেন? কেউ ভয়ে কেউবা পরবর্তীতে সুযোগ না থাকার জন্যই একে অন্যের দেখে অন্যেরা কিছু না বুঝেই লাগালেও কিছু ব্যতিক্রমী গ্রাহক আছেন যারা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করছেন।নদীয়ার শান্তিপুর চৌগাছা পাড়ার বাসিন্দা অতনু সাহার বাড়িতে আজ শান্তিপুর বিদ্যুৎ অফিস থেকে কিছু ঠিকা কর্মী স্মার্ট মিটার লাগাতে আসলে তিনি আপত্তি জানান, তিনি তাদের কাছে জানতে চান স্মার্ট মিটার বাধ্যতামূলক কিনা উত্তর না পেয়ে তিনি বিদ্যুৎ অফিসের আধিকারিক কে জানতে চান তিনি অবশ্য বাধ্যতামূলক নয় বলেই জানান যদিও এরই মধ্যে ওই ঠিকা কর্মীরা তার পুরনো মিটার খুলে নতুন স্মার্ট মিটার বসিয়ে দেন যদিও প্রবল আপত্তির কারণে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত বদল করে আবারও পুরানো মিটার বসাতে বাধ্য হন ওই ঠিকা কর্মীরা।এ ব্যাপারে অতনু বাবু বলেন, শান্তিপুরে জন উদ্যোগের যে আন্দোলন চলছে তা থেকে তিনি উদ্বুদ্ধ হয়েছেন এবং গ্রাহকদের মনে থাকা খুব স্বাভাবিক প্রশ্নগুলোর জন্যই এই গণ আন্দোলন গড়ে উঠছে। সেক্ষেত্রে তিনি তাদের সদস্য না হলেও, বিদ্যুৎ দপ্তরের কাছে সংগঠনের প্রশ্নর সাথে তারও জিজ্ঞাস্য। আর এর সদুত্তর পেলে তবেই তিনি লাগাবেন। যদিও এবিষয়ে জন উদ্যোগের সদস্য প্রসেনজিৎ সাহা জানাচ্ছেন, তারা ধারাবাহিকভাবে সাধারণ মানুষের প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বিদ্যুৎ দপ্তরে গিয়েছিলেন কিন্তু উচ্চ মহলের নির্দেশ বলে জানতে পারলেও তার লিখিত কোন অর্ডার দেখতে পাইনি। এমনকি বাধ্যতামূলক নয় বলেও জানতে পারা যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে গ্রাহকদের সিকিউরিটি মানি জমা করা হয়, আর তাতেই স্পষ্ট পোস্ট পেডের বিষয়টি তবে কোনরকম প্রিপেইড চালু করার জন্য মাইকিং যদি হতো তাহলে হয়তো অনেকেই আপত্তি জানতো আর সেই কারণেই সুকৌশলে পর্ষদের লাভের জন্য এই সিদ্ধান্ত জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। গ্রামের এবং শহরের প্রান্তিক অনেক পরিবারে এখনো পর্যন্ত ব্যবহার হয় না সেই কারণে স্মার্ট মিটারের ব্যবহারও তাদের কাছে অপ্রাসঙ্গিক।তাই যাদের ইচ্ছা আছে তারা লাগাক, কিন্তু যারা এ বিষয়ে বুঝতে চান অথচ কর্তৃপক্ষ বোঝাতে পারছে না অথচ তাদের বাড়িতে স্মার্ট মিটার জোর করে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে এমন ঘটনার খবর পেলে সংগঠনগতভাবে নিশ্চয়ই সেই গ্রাহকের পাশে থাকবে জন উদ্যোগ।