বাইক কিনতে আসার সময় দুটি বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত চার নিহত

বাইক কিনতে আসার সময় দুটি বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত চার নিহত এক. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৭ এপ্রিল: কুলতলী থেকে একটি বাইকে চেপে তিনজন বারুইপুরে আসছিল বাইক কিনতে। অন্যদিকে বারুইপুর সূর্যপুর বুলবুলিয়ার ২ বাসিন্দা বাইকে চেপে বারুইপুর থেকে বাড়ির দিকে ফিরছিল।কুমারহাট স্কুল মোড় ও চাঁদখালী মোড় এর মধ্যস্থলে,জল ট্যাঙ্কের কাছাকাছি ব্যাকের মুখে দুটি বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলেই ছিটকে পড়ে দুটি বাইকে থাকা পাঁচজন।গুরুতর অবস্থায় এলাকাবাসীরা পাঁচজনকেই নিয়ে আসে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে। ৩৫ বছর বয়সী সাদ্দাম হোসেনকে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে। বাকি চারজনের অবস্থার অবনতি ঘটলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাদেরকে কলকাতার একটি সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।রাস্তার উপরে বালি পড়ে থাকার কারণেই দুর্ঘটনা বলে এলাকাবাসীদের মত।আহত তিনজন গিয়াস উদ্দিন গায়েন (৪২)আমানউল্লা গায়েন(৩৬) সাগির গায়েন(২২)।তিনজনই কুলতলী থানা এলাকার মহিষমারি ও কীর্তনখোলা এলাকার বাসিন্দা। মৃত সাদ্দাম হালদার (৩৫) গুরুতর আহত নাজির হালদার(৪০) বারুইপুর থানার অন্তর্গত সূর্যপুর বলবলিয়া এলাকার বাসিন্দা।

Read More

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইলেকট্রিক পোল ও শনি মন্দিরে বাসের ধাক্কা

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইলেকট্রিক পোল ও শনি মন্দিরে বাসের ধাক্কা ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৭ এপ্রিল:নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইলেকট্রিক পোল ও শনি মন্দিরে ধাক্কা বাসের, ঘটনায় গুরুতর আহত কমপক্ষে ২৫ জন। ঘটনাটি নদীয়ার হরিণঘাটা থানার মিলনপল্লী এলাকায়। জানা যাচ্ছে, দুপুর আড়াইটা নাগাদ কাঁচরাপাড়া নগর উখড়া ২২ নম্বর রুটের বাস জাগুলি নগরউখড়া রাজ্য সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইলেকট্রিক পোলে ধাক্কা মেরে পাশে শনি মন্দিরে ধাক্কা মারে এবং উল্টে যায়। ঘটনাস্থলে হরিণঘাটা থানার পুলিশ ও এলাকার মানুষ উদ্ধার কাজে হাত লাগায় স্থানীয়দের কল্যাণী মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অনুমান বাসের স্টিয়ারিং এর সমস্যা হওয়ার কারণেই এই দুর্ঘটনা।

Read More

গর্ভবতী মহিলাকে হয়রানির অভিযোগ আম্বুলেন্স চালকের বিরুদ্ধে

গর্ভবতী মহিলাকে হয়রানির অভিযোগ আম্বুলেন্স চালকের বিরুদ্ধে ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৭ এপ্রিল:গর্ভবতী মহিলাকে হয়রানির অভিযোগ উঠলো আম্বুলেন্স চালকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে প্রসব যন্ত্রণা উঠলে রানিতলা থানার নন্দনপুর এর বাসিন্দা মেহেনুরা খাতুন কে নসিপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসে।কর্তব্যরত চিকিৎসকরা চিকিৎসার পর গর্ভবতী মহিলাকে রেফার করে লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে। আম্বুলেন্স এ করে যাওয়ার সময় বাড়ির লোকজন যে সরকারই হাসপতালের পরিবর্তে বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়ার জন্য জোরাজুরি করতে শুরু করে এম্বুলেন্স ড্রাইভার বাড়ির লোকজনকে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যেতে রাজি না হওয়ায় মধ্য রাস্তা থেকে আবারও নসিপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গর্ভবতী মহিলাকে নিয়ে ফেরত চলে আসে অ্যাম্বুলেন্স চালক। তারপরেই আরেকজন এম্বুলেন্স চালক গর্ভবতী মহিলার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে তড়িঘড়ি করে তাকে নিয়ে যায় লালবাগ হাসপাতালে। ঘটনায় রানীতলা থানায় অভিযোগ দায়ের করে গর্ভবতী মহিলার আত্মীয়-স্বজনরা।ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক না থাকায় আজ সোমবার অভিযোগ জানাতে আসেন বাড়ির লোকজন। অ্যাম্বুলেন্স চালকের নাম গোপাল মন্ডল বলে জানা গিয়েছে। এই বিষয়ে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডক্টর সৈয়দ আসিফ ইকবাল বলেন, যে রোগীর পরিবারের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি ঘটনার তদন্তের প্রয়োজনে এম্বুলেন্স ড্রাইভার যদি সত্যিই খারাপ ব্যবহার করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Read More

পথচারী শিশুদের বাঁচাতে গিয়ে খাদে পড়ল যাত্রীবাহী বাস

পথচারী শিশুদের বাঁচাতে গিয়ে খাদে পড়ল যাত্রীবাহী বাস ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৭ এপ্রিল:পথচারী শিশুদের বাঁচাতে গিয়ে রাজ্য সড়কের ধারের খাদে পাল্টি যাত্রীবাহী বেসরকারি বাস। গুরুতর জখম পথচারী ৩ শিশু সহ বাসের মোট ৯ জন যাত্রী। স্থানীয়রা জখম দের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনায় ব্যপক উত্তেজনা ছড়ায় ইটাহারের গোশাইপুর এলাকায় চাঁচল ইটাহার রাজ্য সড়কে। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ইটাহারের পুলিশ। বাসটি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে আসছিল বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দা সহ বাসের যাত্রীদের। এদিন স্থানীয়রা জখম সকলকে উদ্ধার করে প্রথমে ইটাহার গ্রামীণ হাসপাতালে পাঠায়। পরবর্তীতে তাদের রায়গঞ্জ মেডিক্যালে স্থানান্তর করেন চিকিৎসক। বাসের চালক ও খালাসি পলাতক। পুলিস ক্রেনের সাহায্যে বাসটিকে খাদ থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা যায়, গোশাইপুরের তিন জন শিশু নদীতে স্নান করতে যাবে বলে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ছিল। সেই সময় তাদের বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের ধাক্কা মেরে রাস্তার ধারের খাদে উলটে যায় যাত্রীবাহী বাসটি।

Read More

আলিপুরদুয়ারে চিতা বাঘের হামলা, চিন্তায় ঘুম উড়েছে এলাকাবাসীর

আলিপুরদুয়ারে চিতা বাঘের হামলা, চিন্তায় ঘুম উড়েছে এলাকাবাসীর ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৭ এপ্রিল:চা বাগানের পর এবার আলিপুরদুয়ার জেলার কালচিনির অন্যান্য এলাকায়ও চিতাবাঘের হামলায় ঘুম উড়েছে বাসিন্দাদের।অভিযোগ, প্রায় এক মাসেরও বেশি সময় ধরে প্রতিনিয়ত কালচিনি ব্লকের সাতালি নাকাডালা এলাকায় হানা দিচ্ছে চিতাবাঘ এবং নিয়ে যাচ্ছে বাসিন্দাদের বাড়ি থেকে গবাদি পশুও।চিতাবাঘের এরূপ হানায় একদিকে যেখানে জীবিকা হারানোর আশঙ্কা, অপরদিকে প্রতিনিয়ত চিতাবাঘ লোকালয়ে আসায় ভয়ে ঘুম উড়েছে সাতালি নাকাডালা এলাকার বাসিন্দাদের। সন্ধ্যা নামতেই গৃহবন্দী হয়ে পড়ছেন বাসিন্দারা, খুব একটা জরুরি কাজ ছাড়া কেউই বেরোন না বাড়ি থেকে, এমনটাই দাবি বাসিন্দাদের।বাসিন্দাদের কথায়, এই এলাকায় কয়েকশো পরিবারের বাস।আর সকলেরই অন্যতম প্রধান জীবিকা হল পশুপালন। আর চিতাবাঘ এসে বাসিন্দাদের বাড়ি থেকে শুকর,ছাগল, গরুর মতো গবাদি পশু নিয়ে যাচ্ছে ফলে জীবিকা হারানোর আশঙ্কায় রয়েছি আমরা।অপরদিকে বাসিন্দারা জানান, এখন না হয় গবাদি পশুর ওপর হামলা করছে, পরবর্তীতে আমাদের ওপর করবে না তার কী নিশ্চিয়তা রয়েছে।বনদফতরের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত। যদিও বাসিন্দাদের দাবি মেনে এলাকায় একটি খাঁচাও বসানো হয়েছে বনদফতরের তরফে তবে এখনও খাঁচাবন্দি হয়নি চিতাবাঘ।

Read More

আলিপুরদুয়ারে চা বাগান এলাকায় উদ্ধার এক মহিলা শ্রমিকের মৃতদেহ.

আলিপুরদুয়ারে চা বাগান এলাকায় উদ্ধার এক মহিলা শ্রমিকের মৃতদেহ. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৭ এপ্রিল: চা বাগান এলাকায় এক মহিলা শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনাটি আলিপুরদুয়ার জেলার কালচিনি ব্লকের সেন্ট্রার ডুয়ার্স চা বাগানের বাসরা ডিভিশন এলাকায়। মৃত ব্যক্তির নাম মালতি সোনার,সে চা বাগানের অস্থায়ী শ্রমিক ছিল। সোমবার বাড়িতে তার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায় পরিবারের সদস্যরা, তড়িঘড়ি কালচিনি উত্তর লতাবাড়ি গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। কালচিনি পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ও ময়নাতদন্তের জন্য আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে পাঠাচ্ছে। ঘটনা তদন্ত করছে পুলিশ।

Read More

এবার আসানসোল জেলা হাসপাতালে উদ্বোধন হল মা ক্যান্টিন

এবার আসানসোল জেলা হাসপাতালে উদ্বোধন হল মা ক্যান্টিন ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৫ এপ্রিল:শনিবার আসানসোল জেলা হাসপাতালের চত্বরে উদ্বোধন হলো পাঁচ টাকার বিনিময়ে একবেলা পেট ভরে খাবারের রাজ্য সরকারি প্রকল্প মা ক্যান্টিন। এদিন প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা হাসপাতালের সুপার ডাক্তার নিখিল চন্দ্র দাস, মেয়র পরিষদ গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এবং ৮৫ নম্বরের কাউন্সিলার কল্যাণী রায় সহ আরো অনেকে। হাসপাতাল চত্বরে এরকম প্রকল্পের জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীর পরিজনেরা। মন্ত্রী মলয় ঘটক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে সমস্ত অতিথিদের সাথে সাথে এই ক্যান্টিনে প্রথম দিনে খেতে আসা সাধারণ মানুষের সাথে বসে মধ্যাহ্নভোজন করেন। এ দিনের মেনুতে ছিল মিনিকেট চালের ভাত, ডাল, পাঁচমিশালী তরকারি ও সিদ্ধ ডিম। অনুষ্ঠান চলাকালীন মলয় ঘটক নিজের হাতে এই ক্যান্টিনে খেতে আসা সাধারণ মানুষকে নিজের হাতে খাবার পরিবেশন করেন। মন্ত্রী মলয় ঘটক বলেন, মুখ্যমন্ত্রী অনুপ্রেরণায় দুঃস্থ মানুষের জন্য সারা রাজ্য জুড়ে মাত্র পাঁচ টাকার বিনিময়ে একবেলার জন্য পেট ভরে খাবারের আয়োজন করেছেন।আসানসোল জেলা হাসপাতালে শুধু এই এলাকার নয় পার্শ্ববর্তী জেলা এমনকি ভিন রাজ্যের বহু মানুষকে অসুস্থ অবস্থায় নিয়ে আসেন আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের লোকজন। তারা তাদের পরিবারের লোককে হাসপাতালে সুস্থ চিকিৎসার জন্য ভর্তি করার পর আর্থিক অভাবে নিজেরা পেটের ক্ষুধা মেটাতে পারেন না। কিন্তু এবার থেকে এই ক্যান্টিন তাদের একবেলার ক্ষুধা নিবারণ করবে। এবং এই প্রকল্প মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প। হাসপাতাল সুপার নিখিল চন্দ্র দাস বলেন, এমনিতেই সরকারি প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হাসপাতালে ক্যান্টিন রয়েছে কিন্তু অনেক ব্যক্তি যারা রোগীর সঙ্গে আসেন তারা সেই ন্যূনতম মূল্যও ব্যয় করতে পারেনা তাই মা ক্যান্টিন তাদের এই সমস্যা সমাধান করবে। শুধু তাই নয় এর আগে সরকারি প্রকল্পের অন্তর্গত রোগীর পরিজনদের রাত্রি যাপন করার জন্য রাত্রি যাপন কেন্দ্র অনেকদিন আগেই করা হয়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলর কল্যাণী রায় বলেন,তার ওয়ার্ডে এই প্রকল্প হওয়ার জন্য তিনি রাজ্য সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রীকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। শুধু তাই নয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। তিনি বলেন, আপাতত প্রত্যেকদিন এই ক্যান্টিন থেকে গড়ে তিনশো জনকে পাঁচ টাকার বিনিময় একবেলার খাবার দেওয়া হবে।

Read More

আগামীকাল নন্দীগ্রামের সোনাচুড়াতে রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্থ স্থাপন করবেন শুভেন্দু অধিকারী.

আগামীকাল নন্দীগ্রামের সোনাচুড়াতে রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্থ স্থাপন করবেন শুভেন্দু অধিকারী. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৫ এপ্রিল:২২ শে জানুয়ারি নন্দীগ্রাম থেকে শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন নন্দীগ্রামে তিনি রাম মন্দির তৈরি করবেন। এরপর একাধিক জায়গায় শুভেন্দু অধিকারীর মুখে নন্দীগ্রামের রাম মন্দিরের প্রসঙ্গ উঠে আসে।সম্প্রতি কুনাল ঘোষ তার ফেসবুক পেজে সাংসদ উন্নয়ন লিস্টের একটি ছবি পোস্ট করেন। ফেসবুক পোস্টে কুনাল ঘোষ দাবি করেছেন, এই যে উন্নয়নের লিস্ট এটি তৎকালীন তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ শুভেন্দু অধিকারীর তৈরি করা,সাংসদ থাকাকালীন তিনি কি কি উন্নয়ন করেছেন সেই লিস্ট।কুনাল ঘোষ এর দাবি, ৭ এবং ১০ নম্বর পয়েন্টে MP Lade এর টাকায় হাসপাতাল তৈরীর উদ্দেশ্যে সোনাচূড়ায় জায়গা কেনা হয়েছিল।সরকারি টাকায় কেনা জায়গায় ধর্মীয় স্থান অর্থাৎ মন্দির কিংবা মসজিদ তৈরি করা যায় না।সেখানে নন্দীগ্রামে কিভাবে ধর্মীয় স্থান তৈরির পরিকল্পনা করলেন বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কুনাল ঘোষের ফেসবুক পোস্ট ঘিরেই নন্দীগ্রামের শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতা বাপ্পাদিত্য গর্গ বলেন,জমি আন্দোলনের সময় মহাশ্বেতা দেবী হাসপাতাল করার জন্য টাকা দিয়েছিলেন পরে ওই টাকা ও এমপি ল্যাডর টাকায় ওই জমি কেনা হয়। রাম মন্দির হোক আমাদের কোন আপত্তি নেই তবে ওই জায়গার উপরেই কেন, এটা আমরা কোনভাবে মানতে পারছি না।নন্দীগ্রামের মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছে শুভেন্দু অধিকারী।নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা সত্যজিৎ মন্ডল বলেন, “ওই জায়গাটি আমার পরিবারের দান করা,সেখানে বলা ছিল সামাজিক কাজকর্ম হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে এমন একটা বিষয় ছিল তবে শুভেন্দু অধিকারী তিনি ঘোষণা করেছেন রাম মন্দিরের সঙ্গে সঙ্গে আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা কেন্দ্র করা হবে। ওনাদের নেত্রী মমতা ব্যানার্জিকে ইফতারে যাওয়া মসজিদে যাওয়া বন্ধ করতে বলুন, ওনাদের বেলায় ধর্মনিরপেক্ষ আর হিন্দুরা ধর্মের কথা বললেই সাম্প্রদায়িক। ওনাদের কোন লজ্জা নেই”।

Read More

মা বকাঝকা করায় আত্মঘাতী ছাত্র

মা বকাঝকা করায় আত্মঘাতী ছাত্র ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৫ এপ্রিল:মায়ের বকুনি খেয়ে আত্মঘাতী ছাত্র।জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির হেলাপাকড়ি এলাকার ঘটনা। পরিবারের দাবি, পড়াশোনায় মন ছিলো না ছেলে সজল দাসের।স্কুলে যাওয়ার নাম করে ঘুড়ে বেড়াতো।এই নিয়ে শাসন করেছিলেন মা।স্কুলে যেতে বারন করেছিলেন। আর তার জেরে কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা। তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর জলপাইগুড়ি র বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় হেলাপাকড়ি রহিমুদ্দিন হাইস্কুলের অস্টম শ্রেনীর ছাত্র সজলের। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।

Read More

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে চ্যালেঞ্জ উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে চ্যালেঞ্জ উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৫ এপ্রিল:রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ। গতকাল বিজেপি নেতা অজয় রায়ের বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী পোস্ট করে লেখেন ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যাকে দুষ্কৃতী ও গুন্ডা আখ্যা দিয়েছিল সেই উদয়ন গুহর গুন্ডাবাহিনী কোচবিহার জেলার বিজেপি নেতা অজয় রায়ের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারী বলেন ২০২৬-এ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটবে। তার মন্তব্যের পাল্টা জবাবে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, যদি ওর দম থাকে তাহলে 2026 এর ভোটে যেন দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে লড়ে। তারপর জামানত নিয়ে যদি ফিরতে পারে তখন বুঝবো সে সত্যিকারের বিজেপির বড় নেতা। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহর সরাসরি চ্যালেঞ্জ এবার শুভেন্দু অধিকারী কে তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গেল।

Read More