বিষ্ণুপুরে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

বিষ্ণুপুরে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১৭ মার্চ:

বিষ্ণুপুরে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ প্রকাশ্যে, বিজেপির মন্ডল সভাপতির বুথেই, “মন্ডল সভাপতি মানছি না মানবো না” দাবি জানিয়ে বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা কর্মীদের প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বৈঠক ও বিক্ষোভ কর্মসূচি।

ফেব্রুয়ারির ১৬ তারিখে বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির বিভিন্ন মন্ডল সভাপতি নাম ঘোষণা হয়েছে। কেন্দ্র বিজেপির নেতৃত্বে সক্রিয় বিজেপি কর্মীদের ভোটাভুটির মধ্য দিয়ে মন্ডল সভাপতি নির্বাচন হয়েছে এবছর প্রথমবার।এই নির্বাচনের পর থেকেই মন্ডল সভাপতিদের নিয়ে অসন্তোষ বেড়েছে বিজেপির অন্দরে। নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। মন্ডল সভাপতি লিস্ট ঘোষণার পরের দিনেই বিষ্ণুপুর মণ্ডল-4 সভাপতি এর বিরুদ্ধে “মানছি না মানবো না” পোস্টার পড়েছিল বিষ্ণুপুরে। এবার পোস্টার নয়, প্লাকার্ড হাতে নিয়ে রীতিমতো বৈঠক করে বিষ্ণুপুর মন্ডল-1 সভাপতির নিজের বুথ অর্থাৎ বিষ্ণুপুর মন্ডল-1 এর ধরমপুর বুথে বিপুল সংখ্যক বিজেপি নেতা ও কর্মী সমর্থক একজোট হয়ে হয়ে মন্ডল-1 সভাপতি “অরিজিৎ মন্ডলকে কে মানছি না মানবো না” দাবি জানিয়ে তুমুল বিক্ষোভ দেখালো বিক্ষুপ্ত বিজেপি নেতা ও কর্মী সমর্থকেরা। স্বাভাবিকভাবেই বিক্ষুব্ধ বিজেপিদের এই মন্ডল সভাপতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভে তাদের নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে।

বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতাদের দাবি, বর্তমানে যিনি মন্ডল-1 সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে তিনি তৃণমূলের সঙ্গে সেটিং করে রাজনীতি করে। দলীয় কর্মীদের কোন সম্মান দিতে জানে না। বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট করেছে সে। এই বিজেপি মন্ডল সভাপতি সংগঠনকে নষ্ট করার চেষ্টা করছে তাই তাদের এই বিক্ষোভ। এবং দাবি অবিলম্বে যাতে দল এই মন্ডল সভাপতি কে সরিয়ে অন্য কোন স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মন্ডল সভাপতি কে আনা হয়।

মন্ডল সভাপতির দাবী, দলের এক্টিভ মেম্বাররা ভোট দিয়ে তাকে মন্ডল সভাপতি করেছে। বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতাদের উদ্দেশ্যে মন্ডল সভাপতি বলেন কিছু মানুষ পদের জন্য এই ধরনের কাজ করে।বিজেপির জেলা নেতৃত্বের দাবি, বিজেপি বৃহত্তর পরিবার বড় পরিবার থাকলে ছোটখাটো অশান্তি হয়। এটা তাদের অন্দরের বিষয়। সভাপতি নির্বাচনে কোনরকম ভুল ত্রুটি হয়নি স্বচ্ছ ভোটাভুটির মধ্য দিয়েই সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে।
কটাক্ষ তৃণমূলের বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ সারা বছরই লেগে থাকে বিষ্ণুপুরে। ২৬ শে নির্বাচনের আগে নিজেরাই মারামারি করে বিজেপির অস্তিত্ব হারিয়ে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *