ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা

ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা। ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যান ইনজামূল ইসলামের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দিলেন দলেরই ১৩ জন কাউন্সিলর। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে লিখিত আকারে এই অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে পৌর রাজনীতিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনাস্থা প্রস্তাবে স্বাক্ষরকারী কাউন্সিলরদের দাবি, লিখিতভাবে ১৩ জন স্বাক্ষর করলেও বাস্তবে ১৬ জন কাউন্সিলর তাঁদের পক্ষেই রয়েছেন। ধুলিয়ান পৌরসভায় মোট কাউন্সিলরের সংখ্যা ২১। বর্তমানে পৌরসভার সমস্ত কাউন্সিলরই তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য। ফলে একই দলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দলেরই কাউন্সিলরদের এই পদক্ষেপ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের পৌরসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ইনজামূল ইসলামকে ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়তে থাকে বলে অভিযোগ। অনাস্থা প্রস্তাবকারী কাউন্সিলরদের দাবি, রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যান নিয়মিত পৌরসভায় আসছেন না। ফলে প্রশাসনিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে এবং বিভিন্ন নাগরিক পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে না। কাউন্সিলরদের আরও দাবি, পৌরসভার স্বাভাবিক কাজকর্ম সচল রাখা এবং নাগরিক পরিষেবা স্বাভাবিক করতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Read More

ধুলিয়ানের গ্রেফতার

তৃনমূল কাউন্সিলর আবাস যোজনা ইস্যু এবং শ্বশুরবাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারী ত্রিপল উদ্ধারের ঘটনায় এবার গ্রেফতার করা হল ধুলিয়ান পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের তৃনমূল কাউন্সিলর জিয়াউর রহমানকে। বুধবার গভীর রাতে কাউন্সিলরের শ্বশুরবাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। আজ বৃহস্পতিবার ধৃত তৃণমূল কাউন্সিলরকে জঙ্গিপুর আদালতে পাঠানো হবে সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশের পক্ষ থেকে। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে পৌরসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতীকে জয়ী হলেও পরবর্তীতে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করে তৃণমূলের কাউন্সিলর হিসেবেই ছিলেন জিয়াউর রহমান। রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পরেই পুলিশের বিশেষ অভিযানে কাউন্সিলরের শ্বশুরবাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রিপল উদ্ধার করা হয়। তারপর থেকেই পলাতক ছিলেন তৃনমূল কাউন্সিলর জিয়াউর রহমান। অবশেষে পুলিশের জালে পড়লেন তিনি। ধুলিয়ানে একের পর এক কাউন্সিলর গ্রেফতারের ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে। বলাবাহুল্য, এর আগেও ধুলিয়ান পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রতিনিধি মেহেবুব আলম, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সারীফ হাড্ডিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। FIR হয়েছে আরও বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। এবার সেই গ্রেপ্তারের তালিকায় সংযোজন হলেন ধুলিয়ান পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃনমূল কাউন্সিলর জিয়াউর রহমান।

Read More

ফাইভ-সিক্স পর্যন্ত পড়া শওকত কীভাবে এমএ?

তদন্ত চেয়ে প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে থানায় ববি ফাইভ-সিক্স পর্যন্ত পড়া শওকত কীভাবে এমএ? তদন্ত চেয়ে প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে থানায় ববি

Read More

বিজেপিতে যোগ দিতে চেয়ে ইচ্ছাপ্রকাশ

প্রাক্তন মন্ত্রীর,বেসুরো তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র বিজেপিতে যোগ দিতে চেয়ে ইচ্ছাপ্রকাশ প্রাক্তন মন্ত্রীর,বেসুরো তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র

Read More

রায়দিঘিতে পদ্ম ফুটবে! দেওয়াল লিখনে শক্তি প্রদর্শন

২১ শের ক্ষমতা দখলের ব্যর্থতা ভুলে ২৬ কি পাখির চোখ! আসন্ন ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় আগাম নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিল ভারতীয় জনতা পার্টি। যদিও প্রার্থীর নাম এখনও ঘোষণা হয়নি। তবুও মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত রায়দিঘি, কুলপি, মন্দিরবাজার, সাগর ও পাথরপ্রতিমা সহ বিভিন্ন এলাকায় পদ্ম প্রতীক আঁকা এবং স্লোগান লেখার কাজে এগিয়ে রাখছে বিজেপি। বুধবার রায়দিঘির নন্দকুমারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের লক্ষীরমোড় এলাকায় এই দেওয়াল লিখন কর্মসূচিতে অংশ নেন বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ মৎস্যজীবী সেলের কনভেনার পলাশ রানা। স্থানীয় কর্মীদের সাথে নিয়ে এদিন তিনি নিজেই হাতে তুলি ধরেন। পলাশ রানা জানান, ‘রাজ্যজুড়েই এই কর্মসূচি চলছে। প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নমূলক বার্তাকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তাঁদের মূল লক্ষ্য।’ প্রার্থী সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে তিনি স্পষ্ট জানান, ‘বিজেপি কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির ওপর নয়, আদর্শের ভিত্তিতে লড়ে। আমাদের বড় পরিচয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।’ তৃণমূল সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে বুথ স্তরে সংগঠনকে শক্তিশালী করাই এখন বিজেপির প্রধান চ্যালেঞ্জ। নির্বাচনের অনেক আগেই বিজেপির এই তৎপরতা নিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় চর্চা শুরু হয়েছে। ২০১১ সালে বাম বিদায়ের পর দক্ষিণ ২৪ পরগনা তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ২৬ শের বিধানসভায় কি অন্য সমীকরণ তৈরি হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কোন ফুল ফুটবে। এই জল্পনা ভোট পর্যন্ত জারি থাকবে।

Read More

জীবনকে কাছে টেনে পদ্ম ফুটবে বাঁকুড়ায়!

জীবনকে কাছে টেনে পদ্ম ফুটবে বাঁকুড়ায়!ঘরওয়াপাসি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনাচলতি বছরে বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই নির্বাচনী ডঙ্কা বেজে গিয়েছে। এখনো পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেনি। কত দফায় ভোট হবে তাও ঠিক হয়নি। কিন্তু ভোট উৎসব ঘিরে রাজ্যে ক্রমশ পারদ চড়ছে। এরই মাঝে জীবন চক্রবর্তীর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার নিয়ে বাঁকুড়ায় জোর জল্পনা। প্রসঙ্গত জীবন চক্রবর্তী বিজেপিরই বিক্ষুব্ধ নেতা। ২৪ এর নির্বাচনে টিকিট না পেয়ে নির্দল প্রার্থী হয়ে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কারণ হিসেবে রাজনৈতিক মহলে শোনা যায় ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী সুভাষ সরকারকে টিকিট দেওয়াকে কেন্দ্র করে দলের প্রতি দূরত্বের সূত্রপাত। ছাতনার বিজেপি নেতা জীবন চক্রবর্তী বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি ভোট যুদ্ধে সামিল হন জীবন চক্রবর্তী। সুভাষ সরকার বিরোধী বিজেপির একটা বড় অংশকে সাথে নিয়ে ভোটের ময়দানে নেমে বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকারকে ভোট না দেওয়ার ভোট প্রচারের নেমে যান জীবন বাবু। শেষমেস বাঁকুড়া লোকসভায় বিজেপির সুভাষ সরকারকে হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নেয় তৃণমূলের অরূপ চক্রবর্তী। দলের বিরুদ্ধে লড়াই তাই বিজেপি নেতা তথা নির্দল প্রার্থী কে দল থেকে বহিস্কার করে বিজেপি নেতৃত্ব। বহিষ্কৃত বিজেপি নেতা জীবন চক্রবতীকে নিয়ে এমনই রমহর্ষক চিত্রনাট্য। এবার দীর্ঘ সময় পর ২৬ এর নির্বাচনের আগে জীবন চক্রবর্তীকে ফের দলে ফেরালো বিজেপি। বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশে সোমবার সন্ধ্যে বেলায় ঘরওয়াপাসি জীবনের। দলে ফিরে ফের বিজেপির গুনগানে আবার পুরানো মেজাজে জীবন চক্রবর্তী। পুরানো নেতা ঘরওয়াপাসি ঘিরে আশাবাদী বিজেপি। বিজেপির বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি দাবী, পুরনো নেতা দলে ফিরে আসায় সংগঠন আরো মজবুত হল। জীবনের ফুলে ফিরে আসা নিয়ে কটাক্ষ করতে দেরি করেনি তৃণমূল কংগ্রেস। ছাতনায় তৃণমূল সভাপতি জানান, জীবন চক্রবর্তী বিজেপিতে ফিরলেও ছাতনায় জীবন পাবে না বিজেপি। ওখানে মানুষ তৃণমূলের প্রতি আস্থাশীল। নির্বাচনের মুখে জীবনের ফিরে আসা বাড়তি অক্সিজেন যোগাবে বিজেপির! নাকি পরিকল্পনায় জল ঢেলে তৃণমূল ক্ষমতা ধরে রাখবে। নির্বাচনের পরেই সমস্ত রকমের জল্পনা কল্পনা অবসান মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Read More

হুমায়ুন সেলিম বৈঠকে ঘিরে দিলীপ কটাক্ষ! ঘোষের মন্তব্যে জল্পনা তুঙ্গে

বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ক্রমশ চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। প্রতিটা রাজনৈতিক দল সভা সমিতি নিয়ে পুরোদস্তুর ব্যস্ত। রাজনৈতিক সমীকরণ ওলট-পালট করতে দফায় দফায় বৈঠক চলছে। নেতারা প্রতিপক্ষকে মঞ্চ থেকে কটাক্ষ করছেন। ছুঁড়ে দিচ্ছেন চ্যালেঞ্জ। পাল্টা উত্তরে কটাক্ষের ঝড় বয়ে চলেছে। সদ্য বৈঠক হওয়া হুমায়ুন ও সেলিমের নিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে ফের চড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। নিউ টাউনের একটি হোটেলে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে মোঃ সেলিম ও হুমায়ুন কবিরের বৈঠক হয়। সেই বৈঠক প্রসঙ্গে কটাক্ষ করেছেন প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি। বৈঠক প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ সরাসরি বলেন, ‘ভোটের আগেঅনেক কিছু হয়। ভাঙাগড়া, দলবদল হয়, সেই এক্সারসাইজ চলছে। রেজাল্ট কী হয় সেটা দেখা যাবে।’ বুধবার সিঙ্গুরের প্রশাসনিক জনসভা থেকে ভার্চুয়ালি বহু প্রতীক্ষিত ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান’ এর শিলান্যাস করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিলান্যাস নিয়েও দিলীপের মন্তব্য করতে শোনা যায়। প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি জানান, ‘আমি তো দেখতে কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। ইলেকশন যখন হবে তখন বোঝা যাবে। দেখতে থাকুন কী হচ্ছে।’ পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকে যদি চাকরি ও শিল্প না হয় আর কবে করবেন? এখন তো বিদায়ের সময় চলে এসেছে। SIR নিয়েও রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছেন বিজেপি নেতা। দিলীপ বলেন ‘রাজ্য সরকার চায় না এসআইআর হোক। যতরকম অসহোযোগিতা করার চেষ্টা করছে৷ সাদাধরণ মানুষকে ক্ষেপান হচ্ছে। এই যে এত মানুষকে ডাকা হচ্ছে সেটা দিল্লি ডাকছে না রাজ্য ডাকছে।’ কয়েকদিন আগেও বিজেপির অন্ধরে, দিলীপ অস্তিত্ব নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ডাক পাচ্ছেন না দিলীপ। বঙ্গে মোদি আসছেন সবাই দিলীপ নেই। একদা সভাপতির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কর্মী সমর্থকরা বেশ উদ্বেগে ছিলেন। রাজনৈতিক মহলেও প্রশ্ন উঠেছিল ধীরে ধীরে দলের মধ্যে কোণঠাসা হচ্ছেন দিলীপ ঘোষ। ২৪ শে হারের পর দিলীপ কি রাজনৈতিক অস্তিত্ব সংকটে! এ নিয়ে যখন জল্পনা চলছে, ছাব্বিশে নির্বাচনের আগে ফের একবার মন্তব্য করে রাজনীতির শিরোনামে দিলীপ ঘোষ।

Read More

বাম কংগ্রেস আমলে জোটেনি রাস্তা! শেষ মেষ ‘পথশ্রী প্রকল্পে’ আশার আলো

উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহাকুমার নিমদরিয়া কোদালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তিনটি সংযুক্ত রাস্তার স্থলে শিলার ন্যাস। ৩টি রাস্তা নতুন করে তৈরীর শুভ সূচনা হলো। এরমধ্যে দুটি রাস্তা স্বাধীনতার পর প্রথম পিচের রাস্তা তৈরি হচ্ছে। আর একটি কোন এক সময় পিচের রাস্তা তৈরি হয়েছিল কিন্তু সেই রাস্তা বাম আমল থেকে বেহাল দশা। এবার পথশ্রী প্রকল্পের অর্থ এবং জেলা পরিষদের অর্থ দিয়ে তৈরি হচ্ছে এই তিনটি রাস্তা। বহু দিনের দাবি পূরণ হতে দেখে আনন্দে ভাসছে বাসিন্দারা।এই তিনটি রাস্তা প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরত্ব। তার জন্য মোট ৩ কোটি অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। এলাকার মানুষের এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি, এই রাস্তা তিনটি এলাকার সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। এই রাস্তার উপর সরাসরি ১৯টি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ নির্ভরশীল। পরোক্ষভাবে আরও কুড়িটি গ্রামের মানুষ এই রাস্তার উপর নির্ভরশীল। এই রাস্তা দিয়েই প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে । স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে অসুস্থ রোগীদের এই রাস্তাই ভরসা । হাসপাতাল , স্কুল, কলেজ , থানা থেকে আদালত এমনকি রেল স্টেশন সমস্ত কিছুর মূল রাস্তা। বিগত দিনে রাস্তার এমনই বেহাল দশা ছিল বর্ষাকাল তো দূর এমনি সময়ও পথ দিয়ে হাঁটা কার যত অসম্ভব। প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা লেগেই থাকে এই রাস্তায় । এলাকার মানুষ বহুবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে বিধায়ককে জানিয়েছে। এই প্রথম সুরাহার স্বাস।অবশেষে সেই ৩ টি রাস্তার একসাথে শুভ সূচনা হলো । আর এতে খুশি এলাকার মানুষ। আনন্দে এলাকার মানুষজনের কথায়, বামফ্রন্ট আমলের দরবার করে রাস্তা পায়নি , স্বাধীনতার পর পথশ্রী প্রকল্পের বড় রাস্তা শিলার ন্যাস।

Read More

সমবায় নির্বাচন ঘিরে নন্দীগ্রামে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ

সমবায় নির্বাচন ঘিরে নন্দীগ্রামে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষনির্বাচনের কাজে কার্যত হটস্পট চেহারা নিয়েছে নন্দীগ্রাম। হাইভোল্টেজ বিধানসভা কেন্দ্রে নিয়ে একের পর এক খবর সামনে আসছে। এবার সমবায় নির্বাচন ঘিরে শাসক বিরোধী তরজা। সমবায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল নন্দীগ্রামের রানীচক এলাকা।স্থানীয় সূত্রে খবর, শাসক তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের জেরে দু’পক্ষের মিলিয়ে প্রায় ১২ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে বোমাবাজি ও লাঠালাঠির অভিযোগ উঠেছে। নন্দীগ্রাম দুই ব্লকের অন্তর্গত রানীচক সমবায় সমিতির নির্বাচনকে ঘিরেই এই উত্তেজনা। এই সমবায় সমিতিতে মোট আসন সংখ্যা ৪৫। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাঁচটি আসনে জয়লাভ করেছে। অপরদিকে প্রধান প্রতিপক্ষ বিজেপি ৪০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। নির্বাচনের আগেই বিষয়টিকে কেন্দ্রকরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমে চড়ছিল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার গভীর রাতে তৃণমূল ও বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বচসা শুরু হয়। পরবর্তীতে যা সংঘর্ষের আকার ধারণ করে। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দুই পক্ষের মধ্যে ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি, লাঠালাঠির পাশাপাশি বোমা ফাটার শব্দ শোনা যায় বলে অভিযোগ। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে একজনকে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আরও চারজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে প্রশাসন। যদিও তৃণমূল ও বিজেপি দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে সংঘর্ষে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে। সমবায় নির্বাচনকে ঘিরে এই হিংসার ঘটনায় নন্দীগ্রাম জুড়ে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। নির্বাচনের দিনক্ষণ প্রকাশ হয়নি। এখন থেকেই যদি এই হাল হয়। নির্বাচনের সময় নন্দীগ্রামে কি অপেক্ষা করছে তাই নিয়ে কার্যত চিন্তায় স্থানীয় বাসিন্দারা।

Read More