নিজেকে বাঁচাতেই নাকি লাথি মারেন সাব ইন্সপেক্টর রিটন দাস,এমনটাই দাবি তার বাবা মায়ের.

নিজেকে বাঁচাতেই নাকি লাথি মারেন সাব ইন্সপেক্টর রিটন দাস,এমনটাই দাবি তার বাবা মায়ের. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১২ এপ্রিল:ছেলের উপরেই আগে হামলা চালায় শিক্ষকরা, প্রাণ বাঁচাতেই লাথি মারার ঘটনা ঘটেছে দাবি কসবা কান্ডে অভিযুক্ত এস আই রিটন দাসের বাবা মায়ের।২০১০ সালের সাব ইন্সপেক্টরের ব‍্যাচ রিটন দাস। এই মুহূর্তে তার ছবি সমস্ত সামাজিক মিডিয়ায় ভাইরাল। কসবায় শিক্ষকদের ডি আই অফিস ঘেরাও অভিযানে শিক্ষকদের লাথি মারে পুলিশ। সেই ঘটনায় অভিযুক্ত এই রিটন। তাঁর লাথি মারার ছবিই সংবাদ মাধ্যমের পর্দায় ছড়িয়ে পড়েছে। নানা ভাবে ভাইরাল হয়েছে সেই ছবি। কটাক্ষ উড়ে এসেছে এই পুলিশ কর্মীকে কেন্দ্র করে। প্রশ্ন উঠেছে তার শিক্ষা নিয়েও? যদিও ছেলের পাশেই দাঁড়াচ্ছেন তাঁর বাবা জ্যোতিন্দ্র কুমার দাস ও মা দিপালী দাস। শুক্রবার গোসাবার শম্ভুনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝাউখালির বাড়িতে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তাঁরা জানান, আইনের রক্ষা করতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটেছে। নিজের প্রাণ বাঁচাতেই লাথি মারতে বাধ্য হয়েছেন রিটন। কারণ আগে তার জামাকাপড় ধরে টানাটানি, উর্দি খুলে নেওয়ার চেষ্টা ও তাকে নানাভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে দাবি তাঁর পরিবারের।প্রায় পনেরো ষোল বছর আগে কলকাতা পুলিশে চাকরি পান রিটন। বছর দশ বারো ধরে কলকাতাতে থাকেন তিনি। বর্তমানে বাঁশদ্রোনি থানা এলাকায় পুলিশ কোয়াটারে স্ত্রী ও একমাত্র কন্যাকে নিয়ে থাকেন।ছুটি পেলে গোসাবার বাড়িতেও আসেন।এলাকায় ভালো ছেলে বলেই পরিচিত সে।ছোট থেকেই পড়াশুনায় ভালো। ছোটবেলার খেলার সঙ্গীরাও এই ঘটনায় স্তম্ভিত।গত বছর নির্বাচনের সময় যে বদলির নির্দেশিকা প্রকাশ হয়েছিল সেই সময় কসবা থানায় পোস্টিং দেওয়া হয় রিটন দাসকে। তার আগে নিউ আলিপুর থানায় ছিলেন।মাস খানেক এআরও হিসেবে কাজ করেছিলেন নিউ আলিপুর থানায়। তার আগে বেহালা থানায় পোস্টিং ছিলেন। অফিসার হিসেবে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন বেহালা ও নিউআলিপুর থানায়। বেহালার জেমস লং সরনি ফ্রিজারের মধ্যে তিন বছর ধরে মায়ের দেহ আগলে রাখার ঘটনার কেসের তদন্তকারী অফিসার ছিলেন রিটন।নিউআলিপুরে কর্মরত অবস্থায় এক অভিজাত আবাসনে চুরির ঘটনার কিনারা করেছিলেন।জলন্ধর থেকে গ্রেপ্তার করে এনেছিলেন অভিযুক্তকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *