ভোটের মুখে একাধিক ইস্যুতে রাজ্যকে তুলোধোনা করল দিলীপ ঘোষ!দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। নির্বাচন অবহে বঙ্গের সাজো সাজো রব। যদিও কমিশনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট করে এখনো পর্যন্ত নির্বাচনের দিনক্ষণ প্রকাশ হয়নি। তবে আর কয়েক দিনের মধ্যেই যে ভোটের দামামা বেজে যাবে তা বলবার অপেক্ষা রাখে না। যতই ভোট এগিয়ে আসছে তত রাজনৈতিক নেতাদের অগ্নিবাণ ধেয়ে আসছে। শুধুই কি লাইমলাইটে থাকা! নাকি বুঝেশুনে সবটাই জনতার মন জয় করতে চাঁছা ছোলা কটাক্ষ করছেন দিলীপ ঘোষ। এর আগেও একাধিকবার মন্তব্য করে রাজনীতির শিরোনামে উঠে এসেছিলেন প্রাক্তন-বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তবে ভোটের মুখে ফের একবার শাসকদলের উদ্দেশ্যে তোপ দেগে রাজ্য রাজনীতির চর্চার শিরোনামে দিলীপ। প্রাক্তন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি কে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে শাসকদলকে তিরস্কার করতে শোনা যায়। দিলীপ ঘোষের উক্তি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের কোথায় কোন নিরাপত্তা নেই। প্রশাসন পুরো ভেঙে পড়েছে। এছাড়া ক্রমাগত গ্যাসের ভাড়া বৃদ্ধির প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। ভাড়া বাড়ছে অটোর এটা কি মোদীজি দেখবেন! নাকি মমতা ব্যানার্জির প্রশাসন দেখবে? টিএমসির লোকেরা ইচ্ছা করে পেট্রোল পাম্প বন্ধ করে দিচ্ছে, পেট্রোল নেই বলে। কিন্তু কোথাও পেট্রোলের ক্রাইসিস নেই। গ্যাসের কোথাও ক্রাইসিস নেই। ভারতবর্ষে কোন প্রভাব পড়েনি যুদ্ধের। ৬০ টাকা দাম বেড়েছে গ্যাসের ঠিক আছে, কিন্তু এখানে যথেষ্ট মজুদ আছে। বিশ্ব দরবারে দাম বাড়লে এখানেও দাম বাড়বে। ভরসা রাখুন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ভরসা রাখলে সব যাবে, ঘর সংসার যাবে। মোদীর উপর ভরসা রাখুন না। মোদী হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়। এছাড়াও সাগরে গুলি কাণ্ডে শাসক শিবিরের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন দিলীপ ঘোষ। সাগরের মত শান্ত জায়গা,যেখানে চারিদিকে জল, পালানো যায় না। সেখানেও দিনে দুপুরে খুন করা হচ্ছে। যাকে খুন করা হয়েছে তিনি আমাদের ওই এলাকার প্রমুখ নেতার বাবা। চিন্তার বিষয় এটাই , সাগরদ্বীপে যদি এই হয় তাহলে কলকাতায় কি হবে? ইলেকশন কমিশন এর ওপরেই এই সমস্ত কিছু দেখভালের আর্জি জানিয়েছেন প্রাক্তন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তবে দিলীপের অতি সক্রিয়তা মোটেও ভালো চোখে দেখছে না রাজনৈতিক মহল। এর আগে দলের অন্তরে খুব উগড়ে দিয়েছিলেন দিলীপ। বিধানসভা নির্বাচনের আগে সমস্ত কিছু ভুলে শাসকে তুলোধোনা করতে মরিয়া হয়েছেন কোন উদ্দেশ্যে! তাহলে কি টিকিট পেতেই দলের কাছে ভাবমূর্তি ঠিক করতে চাইছেন ঘোষ বাবু! আচমকাই রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করার প্রসঙ্গে এমনই জল্পনা শুরু হয়েছে বিশেষজ্ঞ মহলে।
ভোটের মুখে একাধিক ইস্যুতে রাজ্যকে তুলোধোনা করল দিলীপ ঘোষ

