দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি এলাকায় এক বিজেপি কর্মীর নৃশংস খুনের ঘটনা। সোমবার রাত থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত কিশোর মাঝি। বয়স ৩৭ বছর। তিনি দিঘিরপাড়-বকুলতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা। ২১৬ নম্বর বুথের বিজেপির সহ-সভাপতি ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার গভীর রাতে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় কিশোরকে। অভিযোগ, এরপরই তাঁকে গলা কেটে খুন করা হয়। মঙ্গলবার সকালে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হতেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। ইতিমধ্যে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে নিহতের বাড়িতে যান রায়দিঘি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী পলাশ রাণা। তিনি এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। অপরদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে পাল্টা দাবি করা হয়েছে, এই ঘটনায় রাজনীতির কোনও যোগ নেই। ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত বিবাদের জেরেই এই খুন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে নিহতের স্ত্রী এবং এক প্রতিবেশী যুবকের বিরুদ্ধে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তকারীরা খুনের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছেন। দুয়ারে নির্বাচন। ভোট ঘিরে বঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এরই মাঝে রায়দিঘির ঘটনা পরিস্থিতি আরও স্পর্শ কাতর করে তুলেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় এখনও থমথমে পরিস্থিতি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নির্বাচনী অবহে রায়দিঘিতে বিজেপি কর্মী খুন, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য

