পলাশীপাড়ায় এ কি কান্ড!

পলাশীপাড়ায় এ কি কান্ড! পার্থী অপছন্দে বিজেপির গণ ইস্তফাপ্রার্থী পছন্দ নয়। প্রতিবাদে ইস্তফা দিলেন মণ্ডল সভাপতি, বুথ সভাপতি সহ শতাধিক বিজেপি নেতা। যার জেরে নির্বাচনের আগে খানিক অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির। গত সোমবার বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। পলাশিপাড়া বিধানসভার প্রার্থী হন অনিমা দত্ত। এরপরই প্রার্থীর বিরুদ্ধে নেতা কর্মীদের মনে অসন্তোষ দেখা দেয়। পরের দিনই প্রার্থী বদলের দাবিতে প্রতিবাদ জানান পলাশিপাড়া বিধানসভার আহ্বায়ক তথা নদীয়া উত্তর বিজেপির জেলা সম্পাদক সৌমিত্র ঘোষাল ও মণ্ডল সভাপতি প্রকাশ মণ্ডল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও কয়েকদিন আগেই পলাশিপাড়া বিধানসভার অন্তর্গত চাঁদের ঘাটে গিয়েও দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন জেলা সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস সহ অন্যান্য নেতারা। এরপরই সৌমিত্র ঘোষাল ও প্রকাশ মণ্ডলকে শোকজ করে জেলা নেতৃত্ব। তারই প্রতিবাদে রবিবার সন্ধ্যায় পলাশিপাড়ার পাঁচদাড়ায় বৈঠকে বসেন পলাশিপাড়া বিধানসভার বুথ স্তর থেকে ব্লক স্তরের শতাধিক নেতাকর্মী। সেখানে তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন প্রার্থী বদল না করা হলে তাঁরা দল থেকে ইস্তফা দেবেন। তাদের দাবি এ বারের নির্বাচনে পলাশিপাড়া বিধানসভায় বিজেপির জয়ী হওয়ায় সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু যাকে প্রার্থী করা হয়েছে তার কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। পলাশিপাড়া বিধানসভার বিজেপি আহ্বায়ক সৌমিত্র ঘোষালের দাবি এদিনের বৈঠক শেষে পলাশিপাড়া বিধানসভার অন্তর্গত ১০৭ জন বুথ সভাপতি, ৪০ জন মণ্ডল কমিটির সদস্য, ২৫ জন শক্তি প্রমুখ ও তিন জন মণ্ডল সভাপতি তার কাছে ইস্তফা পত্র দিয়েছেন। এমনকি তিনি নিজেও সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। ইস্তফা পত্র রাজ্য নেতৃত্বের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। একসাথে শতাধিক নেতাকর্মী ইস্তফা দেওয়ার ফলে কার্যত নেতৃত্ব শূন্য পলাশিপাড়া বিধানসভার বিজেপি। বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই এই অচলাবস্থার জেরে অস্বস্তিতে জেলা নেতৃত্ব। কিভাবে এই সমস্যার সমাধান হয় সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *