আদিবাসী পরিবারগুলিতে, বাংলা আবাস যোজনার টাকা ঢুকলেও জমির অভাবে করতে পারছেন না বাড়ি ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,২২ মার্চ:বাংলা আবাস যোজনার প্রথম কিস্তি ৬০ হাজার টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকলেও বাড়ি তৈরী করতে পারেনি আদিবাসী পরিবার গুলি, দ্রুত সরকারি জায়গা পাওয়ার জন্য প্রশাসনের দ্বারস্থ পরিবারগুলি। কবে মিলবে অসহায় পরিবার গুলির সরকারি পাট্টার জায়গা? নির্দিষ্টভাবে সঠিক উত্তর নেই কারোর কাছে।পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা দু’নম্বর ব্লকের ভগবন্তপুর ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের রসিয়াড়ী গ্রামের ঘটনা।জানায়ায়, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে রাসিয়াড়ি গ্রাম বেশ কিছু আদিবাসী পরিবার বসবাস করে। রোসিয়াড়ি গ্রামে জঙ্গলের ধারে মাটির বাড়ি তৈরী করে বছরের পর বছর ধরে ছেলেমেয়েদের নিয়ে সংসার করছেন এই আদিবাসী পরিবার গুলি।রয়েছে তাদের ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, রয়েছে তাদের মাটির বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ, শুধু নেই নিজস্ব জায়গা ও তার বৈধ কাগজ।তবুও স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতায় আবাস যোজনার তালিকায় নাম উঠায় ইতিমধ্যে ৬ জনের অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তি ৬০ হাজার টাকা ক্রেডিট হয়েছে।এরপরেই দেখা দিল বাড়ি তৈরীতে যতো গণ্ডগোল, কারণ এই পরিবারগুলোর নেই নিজস্ব কোন জায়গা। তাদের এখনো পর্যন্ত সরকারিভাবে মেলেনি কোন পাট্টার জায়গা।তারা এতদিন ধরে যে জায়গায় বসবাস করে আসছে সেই জায়গা বন দপ্তরের।তাই সরকারিভাবে আবাস যোজনা প্রথম কিস্তি টাকা একাউন্টে ঢুকলেও বাড়ি করতে পারছে না পরিবারগুলি। অসহায় পরিবার গুলির প্রশাসনের কাছে কাতর আবেদন দ্রুত তাদের যাতে প্রশাসনের তরফ থেকে জায়গা দেওয়া হয়,এবং যাতে এই পরিবার গুলি সরকারি আবাস যোজনার প্রকল্পের টাকার বাড়ি করতে পারে।স্থানীয় শাসকদলের নেতা থেকে শুরু করে গ্রাম পঞ্চায়েত মানছেন এই পরিবারগুলোর অসহায়তার কথা।তবে এ বিষয়ে ব্লকের বিডিও ও মহকুমা শাসক ক্যামেরার সামনে দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন। এখন দেখার কবে এই পরিবার গুলির স্থায়ী সমাধান হয়, কবে তৈরি হয় বাড়ি?