পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে গেল শান্তিনিকেতন আশ্রম প্রাঙ্গণ

পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে গেল শান্তিনিকেতন আশ্রম প্রাঙ্গণ ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,২১ মার্চ:চার বছর পর শান্তিনিকেতন আশ্রম প্রাঙ্গণ পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দিলেন বিশ্বভারতীর নতুন উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ।২০২০ সাল থেকে বিশ্বভারতী ক্যাম্পাস বন্ধ ছিল। অবশেষে পর্যটক ও সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হলো রবি ঠাকুরের আশ্রম প্রাঙ্গণ। ২০২০ সাল।কোভিড প্রাক্কাল।তৎকালীন বিশ্বভারতীর উপাচার্য অধ্যাপক বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। শান্তিনিকেতনের আশ্রম প্রাঙ্গন সাধারনের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।তালা বন্ধ করে দেওয়া হয় কবিগুরুর আশ্রম প্রাঙ্গন। স্বাভাবিকভাবেই পর্যটকরা শান্তিনিকেতনের গৌড় প্রাঙ্গণ, পাঠভবন, ছাতিমতলা, আম্রপুঞ্জ, শান্তিনিকেতন গৃহ, পরিদর্শন করতে পারতেন না। এমত অবস্থায় একরাশ ক্ষোভ নিয়ে ফিরতে হতো পর্যটকদের। বুধবার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন অধ্যাপক প্রবীর কুমার ঘোষ। সেদিনই তিনি জানিয়েছিলেন, রবীন্দ্রনাথের আশ্রম প্রাঙ্গণ ও বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠানকে শীর্ষে পৌঁছানো তাঁর মূল লক্ষ্য।শুক্রবার বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শান্তিনিকেতন ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ একটি আলোচনা অনুষ্ঠানের শেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিশ্বভারতীর উপাচার্য অধ্যাপক প্রবীর কুমার ঘোষ বলেন, শান্তিনিকেতন ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পুণ্যভূমি। বহু মানুষ রবীন্দ্র অনুরাগী শান্তিনিকেতন বেড়াতে আসেন। দীর্ঘ চার বছর ধরে শান্তিনিকেতনের আশ্রম প্রাঙ্গণ তালা বন্ধ ছিল। পর্যটক ও সাধারনের প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে শান্তিনিকেতন রবীন্দ্রনাথের আশ্রম প্রাঙ্গন।বাংলা সাহিত্যে যে মানুষটির অবদান অনস্বীকার্য। তিনি বাঙালির আবেগ। বাঙালির মননে, হৃদয়ে সেই সমস্ত বাঙালি পর্যটকরা শান্তিনিকেতনে বেড়াতে আসেন। এতদিন যাবৎ শান্তিনিকেতন থেকে হতাশ হয়ে ফিরতে হয়েছিল। বিশেষ করে শান্তিনিকেতনের দর্শনীয় স্থানগুলি দেখতে না পেরে। খুব স্বাভাবিকভাবেই রবীন্দ্র ঐতিহ্য অঞ্চল ঘুরে দেখতে পারবেন পর্যটকরা। উপাচার্যের এই সিদ্ধান্তে খুশি পর্যটক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সকলেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *