ধুলিয়ানের গ্রেফতার

তৃনমূল কাউন্সিলর আবাস যোজনা ইস্যু এবং শ্বশুরবাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারী ত্রিপল উদ্ধারের ঘটনায় এবার গ্রেফতার করা হল ধুলিয়ান পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের তৃনমূল কাউন্সিলর জিয়াউর রহমানকে। বুধবার গভীর রাতে কাউন্সিলরের শ্বশুরবাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। আজ বৃহস্পতিবার ধৃত তৃণমূল কাউন্সিলরকে জঙ্গিপুর আদালতে পাঠানো হবে সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশের পক্ষ থেকে। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে পৌরসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতীকে জয়ী হলেও পরবর্তীতে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করে তৃণমূলের কাউন্সিলর হিসেবেই ছিলেন জিয়াউর রহমান। রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পরেই পুলিশের বিশেষ অভিযানে কাউন্সিলরের শ্বশুরবাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রিপল উদ্ধার করা হয়। তারপর থেকেই পলাতক ছিলেন তৃনমূল কাউন্সিলর জিয়াউর রহমান। অবশেষে পুলিশের জালে পড়লেন তিনি। ধুলিয়ানে একের পর এক কাউন্সিলর গ্রেফতারের ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে। বলাবাহুল্য, এর আগেও ধুলিয়ান পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রতিনিধি মেহেবুব আলম, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সারীফ হাড্ডিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। FIR হয়েছে আরও বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। এবার সেই গ্রেপ্তারের তালিকায় সংযোজন হলেন ধুলিয়ান পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃনমূল কাউন্সিলর জিয়াউর রহমান।

Read More

একুশে জুলাই যারা পারবেন কলকাতায় আসুন

একুশে জুলাই যারা পারবেন কলকাতায় আসুন আমরাই আসল তৃণমূল ওদের সঙ্গে ৬০ জন প্লাস ২০ জন আছে আমাদের সঙ্গে ৪১ শতাংশ মানুষের সমর্থন আছে বর্ধমানে কর্মীদের সঙ্গে সভায় এই বার্তাই দিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়

Read More

কালীঘাট -তৃণমূলে বড় সাংগঠনিক রদবদল

পুরনো মুখদের ফিরিয়ে এনে অভিষেক-মডেলে লাগাম টানলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাট -তৃণমূলে বড় সাংগঠনিক রদবদল পুরনো মুখদের ফিরিয়ে এনে অভিষেক-মডেলে লাগাম টানলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Read More

কনফিডেন্স নাকি ওভার কনফিডেন্স! ক্যানিং পূর্বে তৃণমূলের বিজয় মিছিল

বঙ্গে বিধানসভার বাজনা বেজে গিয়েছে। ২৯৪ কেন্দ্রে হাই ভোল্টেজ লড়াই। ১৪৮ ম্যাজিক ফিগার টপকাতে মরিয়া প্রত্যেক রাজনৈতিক দল। প্রচার পাল্টা প্রচার কর্মসূচি পাল্টা কর্মসূচি। কার্যত নির্বাচনী আবহে ভোটের রাজনীতি পারদ ক্রমশ চড়ছে। তবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রে ছবিটা একটু ভিন্ন। প্রচার শুরু হতে না হতেই বিজয় উল্লাসে তৃণমূল সমর্থকেরা। এখনো ভোটের এক মাস বাকি তার আগেই ক্যানিং পূর্বে তৃণমূলের বিজয় মিছিল। ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের সাকসার এলাকায় নির্বাচনের আগেই বিজয় মিছিল করল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের দুই প্রার্থী সওকাত মোল্লা ও বাহারুল ইসলামের সমর্থনে এই নির্বাচনী প্রচার মিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিলে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ঢোল-বাদ্য, আবির খেলা, ফুলের মালা ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।সমর্থকদের অনেকেই দাবি করেন, আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের জয় নিশ্চিত, সেই বিশ্বাস থেকেই এই বিজয় উৎসব পালন করা হয়েছে। ২০১১ পালাবদলের পর দক্ষিণ ২৪ পরগনা তৃণমূল কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি। ক্যানিং পূর্ব তার মধ্যে অন্যতম। তবে যতই শক্ত ঘাঁটি হোক! প্রতিপক্ষকে দুর্বল ভাবা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। রাজনীতির জটিল অঙ্কে কখন কার পাল্লা ভারী হবে যতক্ষণ না ফল ঘোষণা হয়, আগে থেকে বলা সম্ভব নয়। কর্মী সমর্থকরা আগে থেকে যতই জয়ের আবির মাখুক নির্বাচনী ফল ঘোষণা পরই সব জল্পনার অবসান হবে। এমনটাই অভিমত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

Read More

কোতুলপুরে প্রচারে ঝড়! তুলির টানে মহিলা তৃণমূল

কোতুলপুরে প্রচারে ঝড়! তুলির টানে মহিলা তৃণমূল আসন্ন ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দেওয়াল লিখন শুরু করল কোতুলপুর অঞ্চল মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস। কোতুলপুরের সবজি বাজার এলাকায় এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী সঙ্গীতা মালিক। এদিন মহিলা তৃণমূলের নেত্রী ও কর্মীরা একজোট হয়ে নিজ হাতে দেওয়াল লিখনে অংশ নেন। তৃণমূলের সংগঠনিক সভানেত্রী সঙ্গীতা মালিক নিজেও দেওয়াল লিখে কর্মীদের উৎসাহ বাড়ান। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি হিসেবেই আগাম এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সঙ্গীতা মালিক বলেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দিদি-দাদারা মিলেই আমরা দেওয়াল লিখন শুরু করেছি। প্রার্থী কে হবে সেটা বড় বিষয় নয়। আমাদের কর্মীদের উৎসাহ রয়েছে। আমরা প্রতিদিনই সংগঠনের কাজ করি। দেওয়াল লিখন তারই অংশ।’ পাশাপাশি তিনি আরও জানান, এখনও ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও আগেভাগে দেওয়ালে চুন ও ছবি আঁকার কাজ সেরে রাখা হচ্ছে। কারণ ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সময় খুবই কম। এদিন দেওয়াল লিখনের প্রচার থেকেই বিজেপিকে কটাক্ষ করেন তিনি। অভিযোগ করে বলেন, বিজেপি নোংরা রাজনীতি করছে এবং এলাকায় এসে মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে বলে স্থানীয় মহিলারা তাঁকে জানিয়েছেন। তাঁর দাবি,বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পাড়ার মহিলারা ইতিমধ্যেই একজোট হয়েছেন। মহিলা তৃণমূলের এই আগাম দেওয়াল লিখন কর্মসূচি ঘিরে কোতুলপুরে রাজনৈতিক তৎপরতা যে জোরদার হচ্ছে, তা আগামীদিনে আরও স্পষ্ট হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Read More

তৃণমূলের অন্দরে কোন্দল, তালাবন্ধ দলীয় কার্যালয়!

পূর্ব বর্ধমানের কালনা মহকুমার, পূর্বস্থলী ব্লক। ওই অঞ্চলের দোগাছিয়াতে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়। সেই দলীয় কার্যালয় নাকি তালাবন্ধ। প্রায় ৩০ মাস ধরে তালাবন্ধ। বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তিতে তৃণমূল শিবির। দীর্ঘদিন যাবত তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবাদ। বর্তমানে তা গড়িয়েছে ‘তালাবন্ধ’ পরিস্থিতির দিকে। তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কোন্দলের জেরে দলীয় কার্যালয় তালাবন্ধ। প্রায় আড়াই বছর বন্ধ তৃণমূল কার্যালয়।কোনো একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী নয়, বরং দুপক্ষই নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে আলাদা আলাদা তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। উদ্দেশ্য এক পক্ষ ঢুকতে না পারলে অন্য পক্ষও ঢুকতে পারবে না। দলীয় কার্যালয় ব্যবহার করতে না পেরে কর্মীরা কখনও শিব মন্দিরে, কখনও মাঠে অথবা অন্যের বারান্দায় বসে সাংগঠনিক কাজ সারছেন। গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে স্থানীয় ও জেলা নেতৃত্বের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি ক্রমে বেড়েই চলেছে। কর্মীদের একাংশের মতে, প্রাক্তন ব্লক সভাপতি নবকুমার করের অনুগামীরা প্রথম তালা লাগায়। পাল্টা হিসেবে অন্য গোষ্ঠীও দ্বিতীয় তালাটি ঝুলিয়ে দেয়। স্থানীয় বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় ও মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। সমাধানের নিয়ে কাটেনি ধোঁয়াশা। জেলা তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক নবকুমার কর জানিয়েছেন, ‘কিছু নেতা নিজেদের সর্ব শক্তিমান ভেবে নিয়েছে। যদি তাই হয় তাহলে তালা কেন খুলতে পারছে না। কেউ এতো দিন দলীয় কার্যালয় টাকা বন্ধ থাকবে? নিজেদের ভগবান না ভেবে দলের কথা ভাবুন।’বিষয়টি নিয়ে ইতি মধ্যে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি গেরুয়া শিবির। গেরুয়া শিবিরের বক্তব্য, এই লড়াই আদর্শের নয় বরং ‘কাটমানি’র ভাগ বাঁটোয়ারার। তাদের মতে, দোগাছিয়ায় তৃণমূলের সংগঠন এখন অস্তিত্ব সংকটে।পঞ্চায়েত ভোটের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও এই এলাকাটিতে তৃণমূলের অন্দরের ফাটল যে মেরামত হয়নি, দোগাছিয়ার এই জোড়া তালা তারই প্রমাণ। দলীয় কার্যালয় থাকা সত্ত্বেও কর্মীদের যাযাবরের মতো ঘুরে বেড়ানোয় নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

Read More

ঝালদা পৌরসভার বোর্ড মিটিংয়ে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

ঝালদা পৌরসভার বোর্ড মিটিংয়ে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঝালদা পৌরসভার বোর্ড মিটিং ঘিরে প্রকাশ্যে চলে এল তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। শোকজের জবাব দেওয়ার উদ্দেশ্যে পৌরপ্রধান সুরেশ আগরওয়ালের ডাকে অনুষ্ঠিত বোর্ড মিটিং চলাকালীন দলেরই চারজন কাউন্সিলার প্রতিবাদ জানিয়ে মিটিং ছেড়ে বেরিয়ে যান। অভিযোগ, বোর্ড মিটিংয়ের আলোচ্যসূচি নিয়ে কোনও আলোচনা না করেই রেজুলেশন বা মিনিটস বুকে আগাম সই করতে বলা হয়।পৌরসভায় মোট ১২টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের দখলে রয়েছে ১০টি (এর মধ্যে একজন কাউন্সিলার প্রয়াত), একটি কংগ্রেসের। এদিন ১১ জন কাউন্সিলার ও পৌরপ্রধান উপস্থিত থাকলেও চার কাউন্সিলার সই করতে অস্বীকার করে বেরিয়ে যান।

Read More

তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা মৃত্যু এক

বুধবার পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি দু’নম্বর ব্লকের অন্তর্গত বড় পলাশন ২ নম্বর গ্রাম।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে মন্তেশ্বর বিধানসভার বিধায়ক সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী গোষ্ঠীর লোক লালটু সিকদার বলে জানা গেছে। গতকাল তিনি সাতগেছিয়া বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিলেন।অন্যদিকে প্রাক্তন ব্লক সভাপতি মোঃ ইসমাইল গোষ্ঠীর তৃণমূল কর্মী তারু শেখ নামে ওই ব্যক্তি সকালে চায়ের দোকানে চা খেতে গিয়ে গতকালের বইমেলার কর্মসূচিতে যোগদান নিয়ে তারু শেখ ,লালটু সিকদারকে কিছু উত্তেজনা মূলক কথা বলেন । সেই নিয়েই দুজনের মধ্যে বচসা হয়। বচসাকে ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং তখন তারু শেখ লালটু শিকদার কে মারধর করেন বলে অভিযোগ পরিবারের। পরিবার সূত্রে জানা যায় ঘটনাস্থলে লালটু শিকদারের মৃত্যু হয়।

Read More

পুলিশের সাথে তৃণমূল কাউন্সিলরের বচসা

পুলিশের সাথে তৃণমূল কাউন্সিলরের বচসা তমলুক পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পার্থসারথি মাইতির সাথে তুমুল বচসা পুলিশের সাথে। পার্থসারথি মাইতি বলেন হলদিয়ার সুতাহাটা থানায় গাড়ির রুটিন চেক আপ চলছিল। সেই সময় সুতাহাটা থানার পুলিশের ড্রাইভার ওই কাউন্সিলরের গাড়ি আটকে কাগজ দেখতে চায়।ওখানেই প্রতিবাদ জানান ওই কাউন্সিলর। তিনি বলেন কোনো আধিকারিক গাড়ি আটকে গাড়ির কাগজ দেখতে চাইলে তিনি দেখাতেন। কিন্তু একজন ড্রাইভার কিভাবে গাড়ির কাগজ দেখতে চাইছেন।

Read More