ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সংসদ অর্জুন সিং এর বাড়ির সামনে বোমাবাজি, গুলিবিদ্ধ এক যুবক

ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সংসদ অর্জুন সিং এর বাড়ির সামনে বোমাবাজি, গুলিবিদ্ধ এক যুবক ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,২৬ মার্চ:ফের উত্তপ্ত ভাটপাড়া। বোমা গুলির শব্দে কেপে উঠলো জগৎদলের মজদুর ভবন চত্বর। প্রসঙ্গতই মজদুর ভবনেই থাকেন ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সংসদ তথা বিজেপি নেতা অর্জুন সিং।এর আগেও বারবার মেঘনা মোড় চত্বরে বোমা গুলির ঘটনা ঘটেছে। প্রাক্তন সংসদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে লাগানো হয়েছে একাধিক উন্নতমানের সিসিটিভি ক্যামেরা। তবুও প্রাক্তন সংসদের কার্যালয়ের সামনে পরল একের পর এক বোমা। এমনকি পাঁচ রাউন্ড গুলি চলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে জগদ্দল থানা ও ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের বিশাল পুলিশ বাহিনী গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে। গলি গলিতে ঘুরে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।শুধু তাই নয় বোমাবাজির সময় নিজের কার্যালয়ের নিচে নেমে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন খোদ অর্জুন সিং নিজেও। ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপি নেতা অর্জুন সিং এর অভিযোগ আচমকা তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বোমা এবং গুলি চালায়। তিনি ভাটপাড়া পৌরসভার পৌর মাতা সুনিতা সিংয়ের পুত্র তথা যুব তৃণমূল নেতা নমিত সিং এর নাম করে গুলি চালানোর অভিযোগ করেন।তিনি বলেন আমি সবাইকে চিনি না। কারা হঠাৎ বোমা গুলি চালাতে শুরু করল সেটা বুঝতে পারছি না। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তবে অমিত সিং ঘনিষ্ঠ সাদ্দাম নামক এক যুবককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতাল পরবর্তী সময়ে কলকাতা এক বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তবে হঠাৎ কি কারণে পরিস্থিতি এতটা উত্তপ্ত হয়ে উঠলো সেই বিষয়ে জোর তল্লাশিতে নেমেছে জগদল থানা ও ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট।

Read More

এবছর আমের ফলন ব্যাপক মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে,এমনটাই বলছেন উদ্যানপালন দপ্তর

এবছর আমের ফলন ব্যাপক মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে,এমনটাই বলছেন উদ্যানপালন দপ্তর ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,২৭ মার্চ:অনুকূল আবহাওয়া থাকার কারণে এবারে মালদায় আমের ফলনে ব্যাপক উৎপাদনের আশঙ্কা করছে উদ্যানপালন দপ্তর এবং আম ব্যবসায়ীরা। চৈত্র মাস পড়লেও সেই তুলনায় এখনও পর্যন্ত মালদায় তেমন রকম ঝড় বৃষ্টি অথবা শিলাবৃষ্টির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটেনি। এক্ষেত্রে আমের ফলন বাড়ানোর জন্য অনেকটাই সুবিধা হয়ে গিয়েছে। তাই এখন থেকেই নতুন করে লাভের আশা করছেন মালদার আম চাষিরা। উদ্যানপালন দপ্তরের জেলার উপ-অধিকর্তা সামন্ত লায়েক জানিয়েছেন, এবারে মালদায় অনুকূল আবহাওয়া থাকার কারণে ব্যাপক পরিমাণ আমের ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবছর প্রায় চার থেকে সাড়ে চার লক্ষ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জৈব পদ্ধতিগত ভাবে আমের ফলন উৎপাদনের ক্ষেত্রেও বিভিন্নভাবে চাষীদের নিয়ে আলোচনা শিবিরও করছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর। উদ্যানপালন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদা জেলায় এবছর ৩৩ হাজার হেক্টর জমি জুড়ে আমের চাষ হচ্ছে। মালদার ১৫ টি ব্লকের কমবেশি সব জায়গাতেই আম উৎপাদন হয়ে থাকে। জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে হিমসাগর, লক্ষণভোগ, আম্রপলি, জিলাপিগারা, গোপালভোগ আম পাড়ার কাজ শুরু হয়ে যায়। ইতিমধ্যে বিভিন্ন বাগানগুলিতে আমের ফলন ধরতে শুরু করেছে। শুধুমাত্র পরিষ্কার জল দিয়ে চাষিরা গাছে স্প্রে করলেই এই অনুকূল আবহাওয়ার কারণে রোগ পোকা দমন হওয়া সম্ভব।

Read More

ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে শুরু হয়ে গেলো মতুয়া মেলা বারুণী স্নান

ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে শুরু হয়ে গেলো মতুয়া মেলা বারুণী স্নান ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,২৭ মার্চ: বিগত কয়েক বছর ধরে এই মেলার আয়োজন উপলক্ষে ঠাকুর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে যে টানাপোড়ন ছিল তাকে দূরে সরিয়ে রেখে যৌথভাবে এবারও হচ্ছে বারুনী মেলা। মতুয়া গুরু শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের ২১৪তম জন্মতিথি উপলক্ষে কৃষ্ণ ত্রয়োদশী তিথিতে বুধবার রাত থেকে শুরু হয়েছে পূর্ণ স্নান পূণ্যস্নানের সময়সীমা বৃহস্পতিবার রাত ৮:৫৫ মিনিট পর্যন্ত থাকছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শুরু করে বাংলাদেশ থেকে আগত লক্ষাধিক ভক্ত সমাগমের উপস্থিতিতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে ভক্তরা পুণ্য লাভের উদ্দেশ্যে হাজির হন। বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ভক্তদের সমস্ত রকম পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়। রাজ্যসভার সংসদ তথা অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি মমতা বালা ঠাকুর ঠাকুরনগর শক্তি সংঘ আয়োজিত সমাজ সেবামূলক কর্মযজ্ঞের শুভ সূচনা করেন। মতুয়া ভক্তদের থাকা-খাওয়া থেকে শুরু করে জলছত্র মেডিকেল ক্যাম্প এবং সহায়তা ক্যাম্পে সদস্যরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই কর্মযজ্ঞকে অনন্য মাত্রায় নিয়ে যায়। মতুয়া মেলা উপলক্ষে ঠাকুর বাড়িতে হাজির হন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।এই বারুনী মেলায় আগত ভক্তদের কোনরকম যাতে অসুবিধা না হয় সেই সমস্ত রকম নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

Read More

কোষাগরে রয়েছে টাকা, খরচ করতে পারছে না জেলাগুলি।

কোষাগরে রয়েছে টাকা, খরচ করতে পারছে না জেলাগুলি। রাজ্যের গ্রামীণ এলাকার উন্নয়নে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ১১২১ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা এখনো পর্যন্ত খরচই করতে পারল না একাধিক জেলা। গ্রামীণ উন্নয়নে রাজ্যের ৭ জেলায় টাকা খরচের হার খুব কম। দক্ষিণ দিনাজপুর, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, পুরুলিয়া,মুর্শিদাবাদ, মালদা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এই সাত জেলায় গ্রামীণ উন্নয়নে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচের পারফরমেন্স নিয়ে উদ্বিগ্ন নবান্ন। অবিলম্বে গ্রামীণ উন্নয়নে কাজে গতি আনার নির্দেশ জেলাগুলিকে নবান্নের। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, মালদা, নদিয়া, দক্ষিণ দিনাজপুর পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ ৫০ শতাংশ অর্থ খরচ করতে পারিনি। কেন কাজে এত ঢেলেমি? নবান্নের প্রশ্নের মুখে এই সাত জেলা। খরচ না করতে পারলে পরবর্তী ইনস্টলমেন্টের টাকা রাজ্য পাবে না কেন্দ্রের থেকে। তাই অবিলম্বে গ্রামীণ উন্নয়নে টাকা খরচের গতি বাড়ানোর নির্দেশ নবান্নের জেলাগুলিকে। জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি ও গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধ্যমে এই পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচ করে জেলাগুলি। যদিও দার্জিলিং,আলিপুরদুয়ার, পশ্চিম বর্ধমানের মত জেলাগুলির পারফরম্যান্স অত্যন্ত ভালো গ্রামীণ উন্নয়নে টাকা খরচে।

Read More

“বাংলার বাড়ির” প্রথম কিস্তির টাকা তিন মাস আগে দেওয়া হলেও কাজের অগ্রগতি ভাবাচ্ছে নবান্ন কে।

“বাংলার বাড়ির” প্রথম কিস্তির টাকা তিন মাস আগে দেওয়া হলেও কাজের অগ্রগতি ভাবাচ্ছে নবান্ন কে।রাজ্যের ছয় জেলায় গৃহনির্মাণের গড়িমসি সবথেকে বেশি। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন নবান্ন। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ দিনাজপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এই ৬ জেলায় বাংলার বাড়ির কাজের গতি অত্যন্ত কম। রাজ্যের ২১ জেলায় ১২ লক্ষ বাড়ির মধ্যে প্রায় এক লক্ষ এর ও বেশি বাড়ি নির্মাণের কাজ এখনো শুরুই করেনি। গত ডিসেম্বর মাসে প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার পর মাত্র ৩ লক্ষ বাইশ হাজার ৮৭২টি বাড়ি নির্মাণ কাজ ভিত থেকে ঘরের বিম পর্যন্ত শেষ হবে। ৪৬ হাজার উপভোক্তা টাকা পাওয়ার পরেও তিন মাসে বাড়ি নির্মাণের জন্য ইট,বালি, সিমেন্ট পর্যন্ত সংগ্রহ করতে পারিনি। ৫০ হাজারের বেশি উপভোক্তা নির্মাণ সামগ্রী সংগ্রহ করলেও কাজ শুরু করতে পারিনি। নবান্নে পেশ করা হল পঞ্চায়েত দপ্তরের রিপোর্ট। উপভোক্তাদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে যাতে কাজ দ্রুত শুরু করার উৎসাহ দেওয়া হয় সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ জেলাশাসকদের দিল নবান্ন।

Read More

১৬ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ ওষুধ কোম্পানির।

১৬ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ ওষুধ কোম্পানির। ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,২৬ মার্চ:ওষুধ কোম্পানিতে ওষুধ সরবরাহের নাম করে ১৬ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেপ্তার এক। বারুইপুর থানায় অভিযোগ দায়েরের পরই গ্রেপ্তার নাগেরবাজার এলাকা থেকে তারকনাথ ভট্টাচার্য গত 6 ই মার্চ নাগের বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বারুইপুর থানার পুলিশ, ধৃতের কাছে থেকে উদ্ধার হয় ১১ লক্ষ টাকার সোনার গহনা,উদ্ধার হয় বিলাশ বহুল একটি গাড়ি, ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রায় এক কোটি টাকার ওষুধ হদিস পায় পুলিশ,মঙ্গলবার গভীর রাতে মধ্যমগ্রামের একটি ভাড়ায় নেওয়া ঘর থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকার ওষুধ। পাশাপাশি ধৃতের একাধিক জমির হদিস পেয়েছে পুলিশ। গত তিন বছর ধরে বারইপুরের সস্তা সুন্দর নামে এক কোম্পানিতে ওষুধ সরবরাহের নাম করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছিল এই তারকনাথ ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে।

Read More

গৃহবধূকে খুন করে ভুট্টার জমিতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগ উঠল শশুরবাড়ির বিরুদ্ধে.

গৃহবধূকে খুন করে ভুট্টার জমিতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগ উঠল শশুরবাড়ির বিরুদ্ধে. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,২৬মার্চ:এক গৃহবধূকে খুন করে ভুট্টার জমিতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগ উঠল শশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।শশুর বাড়ি থেকে প্রায় তিনশো মিটার দূরে মাটি খুঁড়ে উদ্ধার মৃতদেহ। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি বিহারের কিষানগঞ্জ থানার মহম্মদ পুর গ্রামের। জানা গিয়েছে, উত্তর দিনাজপুর জেলার চাকুলিয়া থানার মির্জাতপুর গ্রামের বাসিন্দা মহম্মদ ফকিরা এর মেয়ে নুরি খাতুনের সাথে দুই বছর আগে বিয়ে হয় বিহারের কিষানগঞ্জ জেলার পিচলা গ্রাম পঞ্চায়েতের মহম্মদ পুর গ্রামের বাসিন্দা যুবক মহম্মদ এর সঙ্গে।অভিযোগ বিয়ের পর থেকেই মেয়ের উপর নানান ভাবে শারীরিক ভাবে অত্যাচার চালাতো শশুর বাড়ির লোকজন বলে অভিযোগ। গত চারদিন আগে জানতে পাড়েন তাদের মেয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও মেয়েকে খুঁজে পাননি তার পরিবারের সদস্যরা। বুধবার শশুর বাড়িতে প্রায় তিনশো মিটার দুরে একটি ভুট্টার জমিতে মেয়েকে খুন করে মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছায় মেয়ের পরিবারের লোকজন। খবর জানাজানি হতে ঘটনাস্থলে পৌছায় কিষানগঞ্জ থানার পুলিশ।পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় নুরি খাতুনের শাশুড়ি ও ভাসুর কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বিহার পুলিশ।

Read More

মাদারিহাটে অবৈধ নির্মাণ ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন.

মাদারিহাটে অবৈধ নির্মাণ ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,২৬ মার্চ:আলিপুরদুয়ার জেলাপরিষদ নিয়ন্ত্রিত মাদারিহাট হাটে অবৈধ নির্মাণ ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন। মাদারিহাট কিছু ব্যবসায়ী সড়ক দখল করে বসে আছে অনেকে অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছে। এদিন সেসমস্ত অবৈধ নির্মাণ ভেঙ্গে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।এই বিষয়ে আলিপুরদুয়ার জেলাপরিষদের বনভূমি কর্মাধ্যক্ষ দীপ নারায়ণ সিনহা জানান, জেলাজুড়ে সমস্ত হাটে অবৈধ নির্মাণ ভেঙ্গে ফেলা হবে। মাদারিহাটে অনেকে সড়ক দখল করে দোকান করছে তাদের পূর্বে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল অনেক ব্যবসায়ী নিজের থেকে ভেঙে দিয়েছে যারা ভাঙ্গেনি সেসমস্ত এলাকা ভেঙে দেওয়া হয়েছে আর কিছু ব্যবসায়ী সাত দিনের সময় চেয়েছে তাদের সাত দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। এদিনের অভিযানে উপস্থিত ছিলেন মাদারিহাট বিডিও।

Read More

বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে যুবককে খুনের অভিযোগ, রেল লাইনের পাশে উদ্ধার ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ

বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে যুবককে খুনের অভিযোগ, রেল লাইনের পাশে উদ্ধার ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,২৬ মার্চ:বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে এক যুবককে খুনের অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। গতকাল রাতে কালীগঞ্জ থানার হাট গোবিন্দপুর রেল লাইনের ধারে থেকে যুবকের ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃতের নাম মফিজুল সেখ (৩৩)। তার বাড়ি হাট গোবিন্দপুর দক্ষিণপাড়ায়। পরিবারের দাবি, গতকাল রাত আটটা নাগাদ বাড়ি থেকে বের হন তিনি। এরপর ফোন করলে তার ফোন সুইচ অফ পাওয়া যায়। এরপর তারা খবর পান রেল লাইনের ধারে মৃতদেহ পড়ে আছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা দেখতে পান রেললাইনের ধারে তার মৃতদেহ পড়ে আছে। তাদের অভিযোগ খুন করে দেহটি রেল লাইনের ধারে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তার স্ত্রীর দাবি প্রতিবেশী এক মহিলার সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল, তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে রাজি না হওয়ায় সে খুন করিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্তের পরিবার।

Read More

নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় প্রশাসন

নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় প্রশাসন ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,২৬ মার্চ: নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা নিয়ে দুশ্চিন্তায় স্বাস্থ্য দপ্তর,প্রতিনিয়ত হাসপাতলে হাজির হচ্ছে নাবালিকা অন্তঃসত্বারা। পোলিও কার্ড করানোর জন্য, ১৪ থেকে ১৭ বছরের নাবালিকা অন্তঃস্বত্বাদের দেখে বেজায় চটছেন স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকেরা। নিরুপায় হয়ে অবশেষে এই নাবালিকাদেরই পোলিও কার্ড দিতে হচ্ছে স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের।নাবালিকা বিবাহ রোধে স্বাস্থ্য দপ্তর ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে সচেতনতামূলক প্রচার সত্বেও জেলায় ক্রমশ বাড়ছে নাবালিকা বিবাহ ও নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বার সংখ্যা।কপালে চিন্তার ভাঁজ প্রশাসনের। জানায়ায় পশ্চিম মেদিনীপুর জুড়ে প্রায় দশ হাজার এর বেশি নাবালিকা অন্তঃসত্তার সংখ্যা।এমনি সব নাবালিকা অন্তঃসত্তাদের প্রতিনিয়ত হাসপাতাল গুলিতে নজর রাখলেই চোখে পড়বে।এমনই ছবি ধরা পড়ল জেলার চন্দ্রকোনা গ্রামীণ হাসপাতালে।যদিও সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের সাফাই,একাধিক বার সচেতনতামূলক প্রচারের জন্য অনেকটাই কমেছে আগের থেকে। তবে নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বাদের সাথে কথা বলে জানতে পারা গেল,কেউ ফোনে ফোনে প্রেম আলাপ করে পরিবারের অজান্তেই পালিয়ে বিয়ে করেছে। কেউ আবার পরিবারের দারিদ্রতার জন্যই বিয়ে করেছে।কিন্তু এই নাবালিকা অন্তঃসত্বা মা কি জানে শারীরিক ভাবে না সুস্থ থাকলে সুস্থ শিশুর জন্ম দিতে পারবে না।মা-শিশু সুস্থ না থাকলে সমাজ ভালো থাকবে না।বিভিন্ন সময় অভিযোগ ওঠে অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যুর।এই অন্তঃসত্বা মাতৃ মৃত্যু বন্ধ করতে গেলে বন্ধ করতে হবে টিনেজ প্রেগনেন্সি। নাবালিকা অন্তঃস্বত্ত্বা হওয়া কমাতে গেলে বন্ধ করতে হবে বাল্য বিবাহ। এই মুহুর্তে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা!যে সংখ্যা কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের।প্রশাসনের আধিকারিকদের উপলব্ধি, নাবালিকার বিয়ে রুখতে না পারলে,কমানো যাবেনা নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বার হার।ফলে নাবালিকার বিয়ে বন্ধ করতে গুচ্ছ পরিকল্পনা জেলা প্রশাসনের,সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভিলেজ চাইল্ড প্রোটেকশন কমিটি গুলিকে আরও সক্রিয় করার উদ্যোগ।কমিটি গুলিতে গ্রামের মুখ্যা, মোড়ল, পুরোহিত, সিভিক ভলেন্টিয়ার, আশাকর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি থেকে পঞ্চায়েত সদস্যদের যুক্ত করে ব্যাপ্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা।যাতে এলাকায় কোনও নাবালিকার বিয়ের কথাবার্তা শুরু হলেই খবর পৌঁছে যায় স্থানীয় পুলিশ, প্রশাসন বা শিশু সুরক্ষা দপ্তরের কাছে। জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর,এক বছরে জেলায় ১০,৭৫৫ জন নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে।জেলায় বাল্য বিবাহের হার বেশি বলেই নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনাও অনেক বেশি।যদিও পূর্বের তুলনায় জেলায় নাবালিকা বিয়ের হার কিছুটা কমলেও,অন্যান্য জেলার তুলনায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বাল্য বিবাহের হার এখনও অনেকটায় বেশি।তবে স্বাস্থ্য দপ্তরের দেওয়া পরিসংখ্যানের তালিকা অনুযায়ী,জেলার চন্দ্রকোনার দুটি ব্লক তথা চন্দ্রকোনা-১ ও চন্দ্রকোনা-২ ব্লকে শতাংশের বিচারে ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ বর্ষে নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বার সংখ্যা সবথেকে বেশি।জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের দাবি,আস্তে আস্তে নাবালিকা প্রসূতির সংখ্যা এবং মাতৃ মৃত্যুর সংখ্যা কমছে।তবে বাল্যবিবাহ বন্ধ না করা গেলে এই সংখ্যা কমবে না। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সৌম্যশঙ্কর সারেঙ্গী বিষয়টি স্বীকার করে নেন,এমনকি অল্প বয়সে মা হলে শিশু ও মায়ের একাধিক শারীরিক ক্ষতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।তবে বাল্য বিবাহ বন্ধে শুধু স্বাস্থ্য দপ্তর না প্রশাসনের সব স্তরে সচেতনতামূলক প্রচার ও পদক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি জানান।অপরদিকে এনিয়ে জেলার জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরীও জানান,বিদ্যাসাগরের জেলা পশ্চিম মেদিনীপুর,তার স্বপ্ন ছিল বাল্যবিবাহের পরিসংখ্যান শুন্য করা তা আমাদের সফল করতে হবে।এটি একটি সামাজিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।এটি জটিল এবং সিরিয়াস ইস্যু এটা নিয়ে আমাদের সকলের কাজ করতে হবে”। স্বাস্ব্য দপ্তর থেকে পুলিশ প্রশাসন বা স্কুল কলেজে বাল্য বিবাহ বন্ধে বিভিন্ন সচেতনতামুলক প্রচার অভিযান হলেও জেলায় নাবালিকা বিবাহ ও নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বার সংখ্যা বৃদ্ধিতে দুঃশ্চিন্তায় ব্লক থেকে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর ও প্রশাসনের আধিকারিকরা।রাজ্য সরকারের কন্যাশ্রী রূপশ্রীর মতো প্রকল্প নিয়ে যেখানে সাফল্যের চর্চা হতে দেখা যায়,সেখানে নাবালিকা বিবাহ ও অন্তঃসত্ত্বার পরিসংখ্যান দেখে সরকারের প্রকল্প নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

Read More