মঞ্চে যাত্রাপালা চলাকালীনই শেষ দৃশ্যেই বাস্তবে মৃত্যুর কোলে ধোলে পড়ল শিল্পী ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১৭মার্চ:বোনকে খুন করেও পুলিশের হাত থেকে বেঁচে যাবেন দাদা।এই ছিলো এক যাত্রাপালার শেষ দৃশ্য।কিন্তু বাস্তবে যাত্রা মঞ্চের ওপর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন তিনি।মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে বালি ঠাকুরানী চক এলাকায়।প্রতিবছরের মতো এবারও দোলের পর যাত্রাপালার আসর বসেছিলো বালি ঠাকুরানী চক হরিসভা তলায়।যাত্রাপালার নাম মৃত্যু বাসরে ফুলশয্যা।টানটান উত্তেজনার পর যখন শেষ লগ্নে যখন যাত্রাপালা তখনই ঘটে গেলো মর্মান্তিক এক ঘটনা।মাঠ ভর্তি দর্শকের চোখের সামনে যাত্রার মঞ্চেই আচমকা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন মিলন গায়েন(৫৫) নামে এক শিল্পী। তিনিই যাত্রাপালার পরিচালক ছিলেন।চিত্রনাট্য ছিল এরকমই দুই ভাই জীবন গাঙ্গুলি ও চন্দন গাঙ্গুলী তাদের একমাত্র বোন সীতার বিয়ে দিয়েছেন।কিন্তু পন আদায়ের জন্য বোনের ওপর অত্যাচার করছিলো শ্বশুরবাড়ির লোকেরা।ছোট ভাই চন্দন ছদ্মবেশে বোনের অত্যাচারের বদলা নিতে খুন করে একজনকে।অন্যদিকে বড় দাদা জীবন গাঙ্গুলী পনের টাকা জোগাড় করতে না পেরে বোনকে খুন করে।সেই সময় পুলিশ তাকে ধরতে আসে।কিন্তু ছোট ভাই এসে বলে সব খুন সে নিজে করেছে।দাদা নিরাপরাধ।দাদাকে ছেড়ে দিয়ে ভাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।কিন্তু ছাড় পেয়েও বাস্তবে মুক্তি পেলেন না জীবন গাঙ্গুলী।অসুস্থতার কারণে মঞ্চেই ঢলে পড়েন তিনি।পরিবারের লোকেরা জানান, জীবনের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন মিলন গায়েন।যাত্রায় তার শেষ ডায়লগ ছিলো দোষী হয়েও আমি নির্দোষ হয়ে গেলাম।কিন্তু সেটা আর বলা হলোনা।
মঞ্চে যাত্রাপালা চলাকালীনই শেষ দৃশ্যেই বাস্তবে মৃত্যুর কোলে ধোলে পড়ল শিল্পী

