অবশেষে অপেক্ষার অবসান, জয়রামবাটিতে আসতে চলছে রেল পরিষেবা. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,২৪ মার্চ:মায়ের গাঁয়ে আসবে ট্রেন।আর সেই ট্রেনে করেই ভক্তরা এবার আসবেন মায়ের কাছে। জগতজননী বিশ্বজননী মা সারদার জন্মভিটে জয়রামবাটিতে এবার শুরু হবে রেল চলাচলা। একসময় মা সারদা জয়রামবাটি থেকে গরুর গাড়ি করে বিষ্ণুপুর যেতেন আর সেখান থেকে ট্রেনে চড়ে যেতেন কলকাতায়। এবার দীর্ঘ সময় অতিক্রম করার পর মায়ের গ্রামে আসবে ট্রেন। চালু হচ্ছে ট্রেন যোগাযোগ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন ২০০০-২০০১ সালে বিষ্ণুপুর তারকেশ্বর এই প্রকল্পের কথা ঘোষনা করেন। সূত্রের খবর ২০০২-২০০৩ সালে এই প্রকল্পের কাজের সার্ভেও শুরু হয়ে যায়। লালু প্রসাদ রেলমন্ত্রী থাকাকালীন ২০০৬-২০০৭ সালে বিষ্ণুপুর থেকে তারকেশ্বর রেলপথ নির্মানের জন্য জমি অধিগ্রহনও শুরু হয়। ২০০৮-২০০৯ সালে শুরু হয় রেল লাইন পাতার কাজ। ২০১০ সালে রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে বিষ্ণুপুর থেকে গোকুলনগর পর্যন্ত রেল চলাচল শুরু হয়৷ পরে ২০১২ সালে বিষ্ণুপুর থেকে রেল পরিষেবা পৌছে যায় ময়নাপুর পর্যন্ত। বিভিন্ন কারনে রেল প্রকল্পের কাজ চলে একেবারেই ধীর গতিতে। তবে এখন দ্রুত চলছে রেলের কাজ। ময়নাপুর থেকে বড় গোপীনাথপুরের পর এবার জয়রামবাটি পৌছাবে রেল। বিষ্ণুপুর তারকেশ্বর রেলপথের মধ্যেই মায়ের গ্রাম জয়রামবাটি।এবার জয়রামবাটি পর্যন্ত খুব দ্রুত শুরু হবে রেল পরিষেবা। জয়রামবাটি মায়ের মন্দিরের আদলে তৈরি হয়েছে জয়রামবাটি স্টেশন।মাতৃমন্দির থেকে অদুরে নজরে পড়বে স্টেশন।দ্রুত গতিতে চলছে রেল পরিষেবা দেওয়ার চূড়ান্ত ব্যস্ততা। সারা বছর ভক্তরা এই রাজ্য, দেশ বিদেশ থেকে ছুটে আসেন মায়ের টানে মায়ের কাছে। মায়ের কাছে এসে মায়ের সান্নিধ্যে এসে মায়ের কাছে প্রার্থনা করে এক অন্য অনুভূতি পান ভক্তরা। এবার মায়ের ভক্তরা ট্রেনে চেপেই আসবেন মায়ের কাছে। একসময় মা সারদা জয়রামবাটি থেকে গরুরগাড়ি করে বিষ্ণুপুর। বিষ্ণুপুর স্টেশন থেকেই ট্রেনে চড়ে কলকাতা আসা যাওয়া করতেন। দীর্ঘ সময় পর এবার মায়ের গাঁয়ে আসবে ট্রেন। সেই ট্রেন চলাচলের অপেক্ষায় জয়রামবাটির মানুষ থেকে সকল স্তরের ভক্তরা। বিষ্ণুপুর তারকেশ্বর এই রেল পরিষেবা শুরু হলে পর্যটন শিল্পের ব্যাপক উন্নতি হবে আর্থ সামাজিক পরিবর্তন হয়ে নতুন করে দিশা দেখাবে এমনটাই মনে করছেন সবাই।
অবশেষে অপেক্ষার অবসান, জয়রামবাটিতে আসতে চলছে রেল পরিষেবা

