গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে অথচ তারা তৃণমূল কর্মী, দেওয়া হচ্ছে না আবাস যোজনার বাড়ি। আবাস যোজনায় নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ২০২১ সালের পরে নন্দীগ্রামের রাজনীতির পট পরিবর্তন হয়েছে। তৃণমূলের হাতছাড়া হয়েছে নন্দীগ্রামের মাটি। একের পর এক নির্বাচনে জয় পেয়েছে বিজেপি। ২৩শের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১৭টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ১১ টি গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে। নন্দীগ্রাম দু নম্বর ব্লকের বিরুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত বর্তমানে বিজেপির দখলে।মামনি মাইতির অভিযোগ তিনি তৃণমূল কংগ্রেস করেন আর স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে। তাই ইচ্ছে করে আবাস তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। বাধ্য হয়ে এখন ভাঙ্গা বাড়িতে বসবাস করতে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার হয়েছে তৃণমূল।নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি রবিন জানা অভিযোগ করেছেন,মামনি মাইতির পরিবার তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক তাই ইচ্ছে করে বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত আবাস যোজনার তালিকা থেকে তার নাম বাদ দিয়েছে। বিজেপি অবশ্য পুরো বিষয়টিকে অস্বীকার করেছে।
গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে অথচ তারা তৃণমূল কর্মী, দেওয়া হচ্ছে না আবাস যোজনার বাড়ি।

