উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া ব্লকের রামচন্দ্রপুর পুর গ্রামের বাসিন্দা আজাদ আলি। ১৯৯৫ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর “ইলেকট্রনিক এন্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার্স” পদে যোগদান করেন। জীবনের ৩০ টা বছর দেশের হয়ে লড়াই করেছেন। গত অক্টোবরে সুবেদার পদমর্যাদা নিয়ে সেনাবাহিনীর থেকে অবসার গ্রহণ করেছেন। এবার বিচারাধীন তালিকায় অবসারপ্রাপ্ত ভারতীয় সেনার অফিসার আজাদ আলি নাম! বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই রিতিমত চিন্তায় রয়েছেন আজাদ আলি। তিনি বলেন ‘৩০ বছর দেশ সেবার মধ্যে দিয়ে আমি তিনটে অপারেশনে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছি। তারপরেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে! দেশের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা সুনিশ্চিতের জন্য এস আই আর এর প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু আমাদের মতন নাগরিক যারা রাষ্ট্র সেবা করেছি তাদের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের একটু বেশি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হতো। পাশাপাশি প্রাক্তন সেনাকর্তা দাবি করেন, গত নভেম্বরের ১৫ তারিখে আমার বুথ লেভেল আধিকারিক দেবস্মিতা পাল বিশ্বাসের কাছে আমি আমার এনুমারেশন ফর্ম জমা দিয়েছি। প্রয়োজনীয় নথিপত্রও দিয়ে এসেছি। তার সত্বেও আমার নাম বিচারাধীন এটা নিঃসন্দেহে বিস্ময়ের ব্যাপার। নাম বাদে এভাবেই কমিশনের কাজে আক্ষেপ প্রকাশ করলেন বর্ষিয়ান সেনা আধিকারিক।
এবিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা তরিকুল ইসলাম জানান, সুবেদার সাহেব নিপাট ভদ্রলোক। আমরা ওকে খুব সম্মান করি। ওর নাম কেন যে বিচারাধীন তালিকায় , এটা ভাবতেই পারছি না। বাদুড়িয়ার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী বুরহানুল মুকাদ্দিম লিটন জানান, যাদের দ্বারা দেশের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হয় তাদেরকে বিচারাধীন! এটা নিঃসন্দেহে দুর্ভাগ্যজন। অবসারপ্রাপ্ত ভারতীয় সেনা অফিসার আজাদ আলি নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন এলাকার বাসিন্দারা। এই ঘটনায় কমিশনের খামখেয়ালি সিদ্ধান্তকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালো তৃণমূল।
কার্গিল ট্যু অপারেশন সিঁদুর, প্রাক্তন সেনা আধিকারিকের নাম বাদে প্রশ্নের মুখে কমিশন

