উত্তপ্ত ধূপগুড়ির! তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষে দিশেহারা জনগণ

ভোটের আগে তৃণমূল বিজেপি সংঘাতে উত্তপ্ত ধূপগুড়ির রাজনীতি।একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগে উত্তেজনা ধূপগুড়িতে।বিজেপির কর্মীকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল বিরুদ্ধে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের দাবিতে থানাতে অবস্থান বিক্ষোভ বিজেপির। থানার গেটে বসে বিক্ষোভে ফেটে পড়ল বিজেপির প্রার্থী সহ দলীয় কর্মীরা। পাল্টা তৃণমূলের দাবী বিজেপির অভিযোগ ভিত্তিহীন। তৃণমূলের অভিযোগ তাদের দলীয় প্রচারে বাধা দিয়ে এক কর্মীকে বিজেপির কর্মীরা মারধর করেছে। ধূপগুড়ির মতো শান্ত জায়গায় বিজেপি অশান্তির বাতাবরণ করছে। এদিকে ঘটনাকে ঘিরে ধূপগুড়ির রাজনীতি মহল উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ঘটনার সূত্রপাত বুধবার ধূপগুড়ি ব্লকের মাগুরমারি এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি ভোটের প্রচার করছিলেন। অভিযোগ সেই প্রচারে বিজেপি বাধা দেয়। মহিলা কর্মীদের হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে তৃণমূলের এসসি ওবিসি মোর্চার গ্রামীণ সভাপতি ইলিয়াস আলি ঘটনাস্থলে আসে।অভিযোগ সেই সময়ে বিজেপির কর্মীরা ইলিয়াসকে মারধর করে।এরপর তাকে তৃণমূলের দলীয় কর্মীরা উদ্ধারের পর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়।সেখানেই তার চিকিৎসা চলে।এদিকে সন্ধ্যায় পাল্টা বিজেপির প্রার্থী সহ দলীয় নেতা কর্মীরা থানাতে বিক্ষোভ দেখায়।বিজেপির অভিযোগ দলের কর্মীকে তৃণমূলের লোকজন মারধর করেছে।থানাতে অভিযোগ জানাতে আসলে পুলিশ অভিযোগ নেয়নি।তার প্রতিবাদে অভিযুক্ত তৃণমূলের কর্মীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রায় এক ঘন্টা ধরে বিক্ষোভ চলে।পরবর্তীতে পুলিশের থেকে লিখিত অভিযোগের রিসিভ কপি দেওয়া হলে বিজেপি বিক্ষোভ তুলে নেয়। বিজেপি প্রার্থী নরেশ রায়ের অভিযোগ, ‘আমাদের কর্মীকে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী মারধর করছে।পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।রাজ্যের পুলিশ তৃণমূলের জন্য কাজ করেছে।’ এদিকে বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক রাজেশ কুমার সিং বলেন বিজেপি উপনির্বাচনে হেরেছে। এবার বিধানসভা নির্বাচনেও হারবে।সেই কারণে তৃণমূলের প্রচারে বাধা দিচ্ছে।পুলিশ সূত্রে খবর দুই পক্ষের থেকে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রেখেছে পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *