দিলীপ মন্তব্যে অসস্তি বাড়লো বিজেপি শিবিরে! বঙ্গে নির্বাচন কয়েক মাসের অপেক্ষা। কমিশনের তরফে দিনক্ষণ প্রকাশ না হলেও নির্বাচনী দামামা বেজে গিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো ইতিমধ্যেই প্রচার কর্মসূচি শুরু করে দিয়েছে। শাসক দল তৃণমূল এবং প্রধান প্রতিপক্ষ বিজেপি ভোট মরশুমে কর্মসূচি ঘিরে ব্যস্ত। উভয় দলের যখন নির্বাচনী ব্যস্ততা তুঙ্গে এরই মাঝে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে কিছুটা হলেও ব্যাগ ফুটে পড়লো বিজেপি! দলকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের। বর্ধমান–দুর্গাপুর লোকসভা আসনে হারের জন্য দলের সাংগঠনিক দুর্বলতাকেই দায়ী করলেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, মেদিনীপুরে পাঁচ বছর ধরে মানুষের সঙ্গে মিশে কাজ করলেও খুব কম সময়ের মধ্যে বর্ধমান–দুর্গাপুরে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল। যার ফলে সংগঠনের ঘাটতি কাটানো সম্ভব হয়নি। বুধবার সকালে দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার থেকে গান্ধীমোড় পর্যন্ত মর্নিং ওয়াকের পর চা চক্রে অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। লোকসভা ভোটে হারের পর দিলীপ ঘোষ দলের প্রতি বিরক্তি নতুন নয়। একাধিকবার তার মুখে হাড়ের প্রসঙ্গ উঠেছে। প্রতিবারই দলের সিদ্ধান্তকেই ভুল হিসেবে দেখিয়েছেন দিলীপ। কয়েক মাস হল বিজেপিতে সভাপতি বদল হয়েছে। সুকান্ত মজুমদার এর পরিবর্তে শমীক ভট্টাচার্য কে রাজ্য বিজেপি সভাপতি করেছে হাই কমান্ড। শমীক সভাপতি হবার পর আদি নব্যের দমদম মিটিয়ে সবাইকে একসাথে নিয়ে ২৬ এর বিতরণী পার করার কথা বলেছিলেন। কিন্তু আদৌ কি তা সম্ভব হবে। এখনো তো বিক্ষুব্ধ নেতাদের দলে জায়গা নিয়ে একাধিকবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি। কখনো রাজু, কখনো সায়ন্তন কিংবা প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ। আজও পুরনো মুখগুলো দলে ব্রাত্য। অমিত শাহের সভাতে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তখন রাজনৈতিক মহলে দিলীপের কাম ব্যাক নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছিল। এইবার কি নতুনভাবে ইনিং শুরু করবে দিলীপ। ২৬ শের নির্বাচনে কি দিলীপ ঘোষকে বিশেষ পদে দেখাজাবে। রকমারি কৌতূহলের মাঝে ফের বেফাস মন্তব্য করে রাজ্য রাজনীতির শিরোনামে দিলীপ ঘোষ। ২৬ এর নির্বাচনে দিলীপ ঘোষকে আদৌ কোন ভূমিকায় দেখা যাবে কিনা তা নিয়ে বিজেপি শিবিরে একাধিক প্রশ্ন উঠছে।
দিলীপ মন্তব্যে অসস্তি বাড়লো বিজেপি শিবিরে!

