১০০ দিনের কাজের প্রকল্প বন্ধ কেন? জানতে চাইলো কলকাতা হাইকোর্ট. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১০ এপ্রিল:কেন্দ্র সরকার কেন রাজ্যে মহাত্মা গান্ধী রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি স্কিম (১০০ দিনের কাজ)প্রকল্প বন্ধ রেখেছে জানতে চাইল কলকাতা হাইকোর্ট। তিন সপ্তাহের মধ্যে (১৫ মে) কেন্দ্রের গ্রাম উন্নয়ন মন্ত্রকের কাছে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট তলব করেছেন কলকাতা হাইকোর্ট প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। ২০ মার্চ ২০২৫ নোভাল অফিসার রিপোর্ট দিয়ে আদালতে জানিয়েছে,হাইকোর্ট নিযুক্ত চার সদস্যের কমিটি বিভিন্ন সময় রাজ্যের মোট চারটি জেলা- পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, মালদা এবং দার্জিলিং জিটিএ এরিয়া পরিদর্শন করে ১০০ দিনের কাজের টাকা বণ্টনের ক্ষেত্রে দুর্নীতিতে মোট ২ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে। আদালতের নির্দেশ,এই অর্থ প্রকৃত প্রাপকদের কে দ্রুত বন্টন করতূর্ণিত এডিশনাল সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী মোট ৫ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা বন্টনের ক্ষেত্রে দুর্নীতি করা হয়েছিল। তারমধ্যে ২কোটি ৩৯ লক্ষ টাকার মতো পুনরুদ্ধার করা গেছে। রাজ্যই উদ্ধার করেছে।বিভিন্ন জেলায় ভুয়ো একাউন্টে টাকা দেওয়া হয়েছিল।সেই টাকা কেন যারা প্রকৃত প্রাপক তাদের দেওয়া হচ্ছেনা এখনো? একই প্রশ্ন পশ্চিমবঙ্গ খেত মজদুর সমিতির পক্ষের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের। আইনজীবী দেবাংসু দ্বিন্দা, রাজ্য নোডাল এজেন্সির আইনজীবী সেই টাকা কেন্দ্রের একাউন্টে পুনরায় ফেরত পাঠানো হয়েছে। আদালতের মৌখিক নির্দেশ,মহাত্মা গান্ধী রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি স্কিম (১০০দিনের কাজ) যাতে পুনরায় চালু করা হয় তারজন্য কেন্দ্রের এডিশনাল সলিসিটর জেনারেলকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে হবে। কারন গত চার বছর ধরে এই প্রকল্প বন্ধ রয়েছে। এডিশনাল সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, মালদা এবং দার্জিলিং( জিটিএ এরিয়াতে) একশো দিনের কাজের টাকা বনটনের ক্ষেত্রে দুর্নীতির তদন্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী টিম। কারন এই চারটি জেলায় সব থেকে বেশি অনিয়ম হয়েছে।২০২২ সাল থেকে দুর্নীতির কারনেই কেন্দ্র টাকা দেওয়া বন্ধ রেখেছে। রাজ্য চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে গ্রাম উন্নয়ন মন্ত্রককে ফের চিঠি দিয়েছিল যা বিবেচনার পর্যায়ে রয়েছে।
১০০ দিনের কাজের প্রকল্প বন্ধ কেন? জানতে চাইলো কলকাতা হাইকোর্ট

