হিঙ্গলগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা হিঙ্গলগঞ্জ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শহীদুল্লাহ গাজী। হিঙ্গলগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী আনন্দ সরকারের সমর্থনে ভোট প্রচারে প্রার্থীকে পাশে বসিয়ে রেখে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের কার্যত হুঁশিয়ারি দিলেন। সেই ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল। তৃণমূল নেতাকে বলতে শোনা যায়, ‘যারা ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। ২০১১ রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল গীতি বাজিয়েছি এবার ডিজে বাজাবো। এই ডিজে মাইকের ডিজে নয় অন্য ডিজে। এদেরকে ছাড়া হবে না। হয় বিজেপিকে গুজরাটে পাঠাবো না হয় বাংলাদেশে পাঠাবো। যতই অমিত শাহ, শুভেন্দু অধিকারী আসুক ওদেরকেও ছাড়া হবে না। তাতে যা হয় হবে।’ তৃণমূল নেতার এই মন্তব্য ঘিরে শুরু রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির তরফে নির্বাচনের আগে ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টির অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপে তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের দাবী জানানো হয়েছে। মন্তব্য সাফাই দিতে গিয়ে হিঙ্গলগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা হিঙ্গলগঞ্জ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি শহীদুল্লাহ গাজী বলেন, ‘২০১১ সাল বা ২০১৬ সালে আমরা বিজয় উৎসব করিনি। ২৬ সালে বিজয় উৎসব করব। আনন্দ দেব। অমিত শাহ আসুক কিংবা প্রশাসনিক বাধা হোক বিজয় উৎসব বন্ধ হবে না সেটা বলতে চেয়েছি। এটা হুঁশিয়ারি নয় কর্মীদের উৎসাহিত করলাম। অন্যদিকে হিঙ্গলগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী আনন্দ সরকার বলেন, ইয়ং জেনারেশন ডিজের গান পছন্দ করে তাই আনন্দ দেওয়ার জন্য উনি বলেছেন।এটা কোন উস্কানিমূলক বক্তব্য নয়। আর বিজেপি নিজেদের সীমারেখা অতিক্রম করেছে।’ তৃণমূল নেতাদের পরবর্তী সাফাই হুঁশিয়ারি না করার দিকে ইঙ্গিত দিলেও ভাবে তার আঁচ পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। নির্বাচনী অবয় যেভাবে প্রতিনিয়ত এলাকার পরিবেশ উত্তপ্ত হচ্ছে নেতা থেকে সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ড বাড়ছে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠভাবে হবে কিনা উদ্বিগ্নে আম জনগণ।
হিঙ্গলগঞ্জে ভোটের হাওয়া গরম! প্রকাশ্য মঞ্চে তৃণমূল নেতার হুঁশিয়ারিতে শোরগোল

