বাংলায় দল বদলের রাজনীতি নতুন নয়। ভোটবঙ্গে ফের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দলবদল। নির্বাচনের মুখে নদীয়ার চাপড়া বিধানসভা কেন্দ্রে কংগ্রেস ও সিপিআইএমে বড়সড় ভাঙন। বৃত্তিহুদা গ্রাম পঞ্চায়েতের কংগ্রেসের প্রধান সহ মোট ৮ জন কংগ্রেস পঞ্চায়েত সদস্য এবং ১ জন সিপিআইএম পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। পাশাপাশি চাপড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের আরও ২ জন কংগ্রেস ও ১ জন বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যও এদিন তৃণমূলে যোগ দেন। মঙ্গলবার চাপড়া বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জেবের সেখের হাত থেকে দলীয় পতাকা তুলে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন তারা। দলবদলকারী পঞ্চায়েত সদস্যদের দাবি, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তারা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও সিপিআইএমের পক্ষ থেকে যোগদান প্রসঙ্গে কোনো রকম মন্তব্য করা হয়নি। একই পথে হেটে কংগ্রেস ও যোগদান প্রসঙ্গে বিন্দুমাত্র মন্তব্য করেনি। বিজেপি কি বলে সেদিকেই এলাকার বিশেষজ্ঞ মহলের চোখ। তবে ভোটের মুখে যেভাবে একের পর এক নেতা কর্মীর দলবদল করছে বিরোধী কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে পরল। একই সঙ্গে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের শক্তি আরও কিছুটা বাড়ল এই যোগদান এরপর আলাদা করে বলবার অপেক্ষা রাখে না। নির্বাচনী আবহে বাম কংগ্রেস ও বিজেপি থেকে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে ভোটের ময়দানে শাসক দল কতটা সফল হতে পারে সেদিকেই তাকিয়ে এলাকার ওয়াকিবহল মহল।
একুশের খেলা ২৬ শেও অব্যাহত! কাস্তে-হাতুড়ি, হাত ছেড়ে তৃণমূলে যোগ

