মাধ্যমিক কেন্দ্রে নির্বিঘ্নে পৌঁছবে পরীক্ষার্থী, সড়কপথে এস্কর্ট ভেহিকেল মোতায়েন!আজ থেকে শুরু হয়ে গেল মাধ্যমিক পরীক্ষা। জেলার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে এই গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। তবে প্রত্যন্ত বনবস্তি ও জঙ্গল সংলগ্ন এলাকার পরীক্ষার্থীদের যাত্রাপথ সুনিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নিল জলদাপাড়া বনদপ্তর। জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল ও প্রান্তিক এলাকায় বসবাসকারী বহু পরীক্ষার্থীকে প্রতিদিন দীর্ঘ বনপথ ও জঙ্গলঘেরা রাস্তা পেরিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছতে হয়। এইসব এলাকায় বন্যপ্রাণীর চলাচল করবে সেটা স্বাভাবিক। এলাকায় মানুষ চলতি পথে প্রায়শই বন্যপ্রাণী সম্মুখীন হয়ে থাকেন। বস্তুত পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতে ঝুঁকির সম্ভাবনাও বিরাট প্রশ্নের মুখে ছিল।সেই কারণেই আগাম পরিকল্পনা করে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বনদপ্তর। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বন ও প্রান্তিক এলাকার ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশেষ বাস ও অন্যান্য যানবাহনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে এই যানবাহনগুলি পরীক্ষার্থীদের বাড়ি বা নির্ধারিত স্থান থেকে তুলে নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দিচ্ছে। পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের নিয়ে যাওয়া গাড়ি নিরাপদে পথ চলতে পারে তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা।।জঙ্গল সংলগ্ন রাস্তায় মোতায়েন করা হয়েছে ‘এস্কর্ট ভেহিকেল’। সম্পূর্ণ ব্যবস্থাপনায় প্রায় ৪০০ জন বনকর্মী ও সহায়ক কর্মীকে রাখা হয়েছে। পরীক্ষার দিনগুলিতে প্রায় ৩০টি যানবাহন পরিষেবায় জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়াও মোট ২৯৬ কিলোমিটার বন ও প্রান্তিক রাস্তা নিয়মিত টহল ও নজরদারির আওতায় রাখা হয়েছে। জলদাপাড়া বনদপ্তরের আধিকারিকদের মতে, বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের পাশাপাশি মানবসুরক্ষাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জঙ্গলের বন্যপ্রাণী হাত থেকে সুনিশ্চিত ভাবে পরীক্ষা কেন্দ্রে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়াই একমাত্র লক্ষ্য।।প্রতিকূলতার কারণে যেন কোনও পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ সমস্যায় না পড়ে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া তারই কারণ। বনদপ্তরের অভিনব উদ্যোগে নিশ্চিন্তে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাচ্ছে পরীক্ষার্থীরা। অভিভাবকদের মুখে হাসি স্পষ্ট। পড়ুয়া থেকে অভিভাবক বনদপ্তরের উদ্যোগকে প্রত্যেকেই সাধুবাদ জানাচ্ছেন।
মাধ্যমিক কেন্দ্রে নির্বিঘ্নে পৌঁছবে পরীক্ষার্থী, সড়কপথে এস্কর্ট ভেহিকেল মোতায়েন!

