ভোটের বাজারে নতুন চিত্রনাট্য!

হুমায়ূনের দল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ’একশোর বেশি আসন জিতে সরকার গড়বো’ ভোটবাজারে বাতেলা হুমায়ুনের।ভোটার দিন যত এগিয়ে আসছে ততই ঢোল ছিঁড়তে শুরু করেছে। চলতি বছরে বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। নির্বাচন কমিশন নির্ঘণ্ট ও প্রকাশ না করলেও কয়েক মাসের মধ্যেই নির্বাচনের সম্ভাবনা। ইতিমধ্যেই প্রতিটা রাজনৈতিক দল পশ্চিমবঙ্গে জমি শক্ত করতে মরিয়া। জনতার মন পেতে একের পর এক সভা সমিতি মিটিং মিছিল। এরই মাঝে সদ্য গজিয়ে ওঠা নতুন রাজনৈতিক দল ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি ‘। ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবির তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নতুন দল গড়েছেন। রেজিনগরে বাবরি শিলান্যাসের পর হুমায়ুন জনতা উন্নয়ন পার্টি নামে নতুন দলের কথা ঘোষণা করেন। ২৯৪ কেন্দ্রে প্রার্থী দেওয়ার হুংকার ছাড়লেও পরবর্তীতে বক্তব্য থেকে সরে আসেন। কখনো বিজেপির সঙ্গে কখনো সিপিএমের সঙ্গে কখনো কংগ্রেস আবার আইএসএফকে সঙ্গে নিয়ে সরকার গড়বার হুংকার ছাড়তে থাকেন। কিন্তু কোন রাজনৈতিক দল থেকেই হুমায়ুনকে সঙ্গী করবার বার্তা মেলেনি। কেউ বলছে তৃণমূলের সাথে আঁতাত করে হুমায়ুন এ সমস্ত করছে। আবার কেউ বলছে খামখেয়ালী পণায় দল ছেড়ে বেকায়দায় পড়েছে হুমায়ুন। তাই ভোটের বাজারে রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বিতর্কিত মন্তব্য করে চলেছেন। তবে ভোটবঙ্গে হুমায়ুনের জনতা পার্টি নিয়ে নতুন ভাবে তামাশা সৃষ্টি হয়েছে তা বলা বাহুল্য। ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগে দলের প্রার্থী ঘোষণা করে চমক দিলেও নতুন দল ভাঙতে শুরু করেছে। মুর্শিদাবাদের ডোমকলে ৫০ জন জেইউপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদান করেছেন। রায়পুর পঞ্চায়েতের নরজপুর এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ডোমকল কংগ্রেস কার্যালয়ে ব্লক সভাপতি তহিদুল ইসলামের হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন করেন তারা। যোগদানকারীদের দাবি, জেইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবীরের ভাষা ও আচরণে ক্ষুব্ধ হয়েই কংগ্রেস যোগদানের সিদ্ধান্ত। মঙ্গলবার যেখানে ১৫০ জন কংগ্রেস ছেড়েছিলেন, সেখানেই ২৪ ঘণ্টায় বড় ভাঙন। প্রসঙ্গত জেইউপির সংগঠন নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন প্রশ্ন! তবে ভোটের আগে কংগ্রেসের এই যোগদান ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে।ডোমকলে কংগ্রেসের শক্তি বাড়লো বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Read More

মোদি- শাহের ব্যঙ্গচিত্র!দেওয়াল লিখন ঘিরে বিতর্ক

বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন কয়েক মাসের অপেক্ষা। নির্বাচন কমিশন নির্ঘণ্ট প্রকাশ না করলেও আগে ভাগে আঁচ কিছুটা পাওয়া যাচ্ছে। সেই মতো প্রতিরা রাজনৈতিক দল ভোট যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।মিটিং – মিছিল, সভা – সমিতির কাজ চলছে জোর কদমে। যদিও হুমায়ূনের নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি বাদে কোনও দল তাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেনি। প্রার্থীর নাম ফাঁকা রেখে চলছে দেওয়াল লিমনের কাজ। দেওয়ালে দেওয়ালে ফুটে উঠেছে ব্যঙ্গচিত্র।মোদি-অমিত শাহের ব্যাঙ্গচিত্র দিয়ে ভরিয়ে তোলে হচ্ছে। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম থেকেই SIR-র তীব্র সমালোচনা করে আসছে। একাধিক জনসভায় তৃণমূল সুপ্রিম সহ গোটা দল SIR-র প্রতিবাদ করেছে। ২৬ শের নির্বাচন ঘিরে শাসক দল একাধিক ইস্যুকে হাতিয়ায় করলেও প্রধান অস্ত্র SIR। তৃণমূলের দেওয়াল লিখনে SIR নিয়ে একাধিক বাঙ্গতক ছড়া তৈরি হচ্ছে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ২ নম্বর ব্লকের ভগবন্তপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মহেশপুর প্রাইমারী বুথ তৃণমুল কংগ্রেসের উদ্যোগে চলছে দেওয়াল লিখন।দেওয়ালের কোথাও লিখা রয়েছে “পদ নয় পতাকা, সব কেন্দ্রেই মমতা”। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে জোড়াফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে জয়ী করুন।আবার কোথায় দেওয়ালে প্রার্থীর নাম ফাঁকা রেখে চলছে দেওয়াল লিখন। কোথাও কোথাও ছড়া,ব্যঙ্গ চিত্র এই সবেই ভরে উঠেছে দেওয়াল। বর্তমানে SIR নিয়ে আতঙ্কে সাধারণ মানুষ। SIR কে হাতিয়ার করে প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যঙ্গ চিত্র তুলে ধরে কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ করে SIR এর বিরুদ্ধে চলছে জোর কদমে প্রচার।উন্নয়নের পাঁচালি তুলে ধরে সরকারি বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পকেও তুলে ধরা করা হচ্ছে প্রচার।গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান তথা এলাকার তৃনমূল নেতা মনাজুর মোল্লা জানিয়েছেন, নিবার্চনের দিনক্ষণ ঘোষনা না হলেও প্রচার কাজ এগিয়ে রাখছি। পার্থী যেই হোক জোড়াফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে চতুর্থ বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিপুল ভোটে জয়ী করতে হবে। SIR প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে SIR কে হাতিয়ার করে বিজেপি ভোট বৈতরণি পার করতে চাইছে।এই SIR বর্তমানে সাধারণ ভোটারের কাছে হয়রানি ও আতঙ্কের হয়ে দাঁড়িয়েছে তাকে তুলে ধরেও প্রচার করা হচ্ছে। যদিও তৃণমূলের দেওয়াল লিখন নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি গেরুয়া শিবির। তাদের দাবি, SIR নাগরিকের অধিকার। মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। সাধারণ মানুষ বিজেপির পাশে রয়েছে। ২৬ শের নির্বাচন তার প্রমাণ দেবে। ভোটার নির্ঘণ্ট প্রকাশ না হলেও নির্বাচন ঘিরে শাসক বিরোধী চাপানউতোর ক্রমশ বাড়ছে।

Read More

তৃণমূলের অন্দরে কোন্দল, তালাবন্ধ দলীয় কার্যালয়!

পূর্ব বর্ধমানের কালনা মহকুমার, পূর্বস্থলী ব্লক। ওই অঞ্চলের দোগাছিয়াতে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়। সেই দলীয় কার্যালয় নাকি তালাবন্ধ। প্রায় ৩০ মাস ধরে তালাবন্ধ। বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তিতে তৃণমূল শিবির। দীর্ঘদিন যাবত তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবাদ। বর্তমানে তা গড়িয়েছে ‘তালাবন্ধ’ পরিস্থিতির দিকে। তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কোন্দলের জেরে দলীয় কার্যালয় তালাবন্ধ। প্রায় আড়াই বছর বন্ধ তৃণমূল কার্যালয়।কোনো একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী নয়, বরং দুপক্ষই নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে আলাদা আলাদা তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। উদ্দেশ্য এক পক্ষ ঢুকতে না পারলে অন্য পক্ষও ঢুকতে পারবে না। দলীয় কার্যালয় ব্যবহার করতে না পেরে কর্মীরা কখনও শিব মন্দিরে, কখনও মাঠে অথবা অন্যের বারান্দায় বসে সাংগঠনিক কাজ সারছেন। গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে স্থানীয় ও জেলা নেতৃত্বের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি ক্রমে বেড়েই চলেছে। কর্মীদের একাংশের মতে, প্রাক্তন ব্লক সভাপতি নবকুমার করের অনুগামীরা প্রথম তালা লাগায়। পাল্টা হিসেবে অন্য গোষ্ঠীও দ্বিতীয় তালাটি ঝুলিয়ে দেয়। স্থানীয় বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় ও মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। সমাধানের নিয়ে কাটেনি ধোঁয়াশা। জেলা তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক নবকুমার কর জানিয়েছেন, ‘কিছু নেতা নিজেদের সর্ব শক্তিমান ভেবে নিয়েছে। যদি তাই হয় তাহলে তালা কেন খুলতে পারছে না। কেউ এতো দিন দলীয় কার্যালয় টাকা বন্ধ থাকবে? নিজেদের ভগবান না ভেবে দলের কথা ভাবুন।’বিষয়টি নিয়ে ইতি মধ্যে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি গেরুয়া শিবির। গেরুয়া শিবিরের বক্তব্য, এই লড়াই আদর্শের নয় বরং ‘কাটমানি’র ভাগ বাঁটোয়ারার। তাদের মতে, দোগাছিয়ায় তৃণমূলের সংগঠন এখন অস্তিত্ব সংকটে।পঞ্চায়েত ভোটের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও এই এলাকাটিতে তৃণমূলের অন্দরের ফাটল যে মেরামত হয়নি, দোগাছিয়ার এই জোড়া তালা তারই প্রমাণ। দলীয় কার্যালয় থাকা সত্ত্বেও কর্মীদের যাযাবরের মতো ঘুরে বেড়ানোয় নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

Read More

মৃত তালিকায় দেখানো তিনজন ভোটারকে নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজির করার ঘটনা।

মৃত তালিকায় দেখানো তিনজন ভোটারকে নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজির করার ঘটনা। দুজন মেটিয়াবুরুজ ও একজন কাকদ্বীপের ভোটার জীবিত থাকায় সত্ত্বেও তাদের মৃত তালিকায় দেখানোর অভিযোগ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগের পরেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জেলাশাসকের রিপোর্ট তলব। যে তিনজন ভোটারের অভিযোগ উঠেছে সেই বিষয় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জেলাশাসক এর কাছে কি তথ্য রয়েছে? জীবিত ভোটারদের কেন মৃত ভোটারের তালিকায় দেখানো হয়েছে? কার গাফিলতি? দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জেলাশাসককে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এর বলেই কমিশন সূত্রে খবর।

Read More

৪ দিন পর নিখোঁজ বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার,

মৃত্যু ঘিরে রহস্য!রবিবার থেকে নিখোঁজ হন বিজেপি কর্মীর সুব্রত অধিকারী। বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি থেকে ৫০ মিটার দূরে দেহ উদ্ধার।ময়নার সুদামপুর ১৯৪ নম্বর বুথ এলাকার এই ঘটনা। কি কারণে খুন কে বা কারা ঘটনায় যুক্ত,তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পরিবারের এবং স্থানীয়দের কথায়, রবিবার সন্ধ্যার সময় বলাইপণ্ডা এলাকায় একটি হনুমান পুজোর অনুষ্ঠানে যায় সুব্রত। সেখানে একটি মদের আসরে তাকে শেষবার দেখা গিয়েছিল। এরপর আর বাড়ি না ফেরায় সোমবার ময়না থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে পরিবার। অবশেষে বৃহস্পতিবার বাড়ির অদূরেই একটি পুকুরে তার দেহ ভেসে ওঠে। উদ্ধার হওয়া দেহের জামার পকেটে না ভেজা অবস্থায় বিড়ি ও দেশলাই মিললেও তার মোবাইল ফোনটির কোনও হদিস পাওয়া যায়নি।সুব্রতর মা কাজল অধিকারীর দাবি, ‘ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে অন্য কোথাও খুন করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তিনদিন ধরে জলে থাকলে দেহের যে অবস্থা হওয়ার কথা ছিল, সুব্রতর ক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি। এর আগে একবার সুব্রতকে অপহরণ করে মহিষাদলে আটকে রাখা হয়েছিল এবং টাকা হাতিয়ে মারধর করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল’। পরিবারের তরফে আরও দাবি , পুরোনো শত্রুতার জেরে খুন করা হয়েছে সুব্রতকে।ওপর দিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুর চড়িয়েছে বিজেপি। ময়না ব্লকে বিজেপি নেতা সুজিত বেরা অভিযোগ, ওই এলাকায় তৃণমূলের মদতপুষ্ট সমাজবিরোধীদের দাপট রয়েছে। তারায় সুব্রতকে খুন করেছে। অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তে দাবি জানিয়েছে। প্রকৃত দোষীদের গ্রেপ্তার না করলে,বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিজেপি নেতা সুজিত বেরা।অন্যদিকে, খুনের দায় সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। শাসক শিবিরের দাবি, এটি একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা।অতীতে বহুবার বিজেপি মৃতদেহ নিয়ে রাজনীতি করেছে। এই ঘটনা তারই পুনরাবৃত্তি। সামনে ভোট তাই জনতার মনে জায়গা না করতে পেরে নোংরা রাজনীতি করছে বিজেপি। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর আসল কারণ স্পষ্ট হবে। সবদিক গুরুত্ব দিতে দেখে তদন্ত শুরু হয়েছে। খুন প্রমাণিত হলে দোষীদের চিন্তিত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Read More

অমিত শা বৈঠকে

দিলীপ , শুভেন্দু , শমীক , সুকান্ত সাথে আলাদা বৈঠকে অমিত শা । সাথে আছে , সুনীল বনশল , ভূপেন যাদব , বিপ্লব দেব ।সা়ংসদ অনন্ত মহারাজ আজ বৈঠকে আসেন‌ নি। অমিত শা র নির্দেশ – প্রতিদিন পাচ টা করে সভা করতে হবেবিধায়ক সুব্রত ঠাকুর বৈঠকে ছিলেন না । দেরি করে বৈঠকে আসার জন্য বিশ্বনাথ তারক কে বৈঠকে ঢুকতে দেওয়া হয় নি ।

Read More

ঝালদা পৌরসভার বোর্ড মিটিংয়ে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

ঝালদা পৌরসভার বোর্ড মিটিংয়ে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঝালদা পৌরসভার বোর্ড মিটিং ঘিরে প্রকাশ্যে চলে এল তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। শোকজের জবাব দেওয়ার উদ্দেশ্যে পৌরপ্রধান সুরেশ আগরওয়ালের ডাকে অনুষ্ঠিত বোর্ড মিটিং চলাকালীন দলেরই চারজন কাউন্সিলার প্রতিবাদ জানিয়ে মিটিং ছেড়ে বেরিয়ে যান। অভিযোগ, বোর্ড মিটিংয়ের আলোচ্যসূচি নিয়ে কোনও আলোচনা না করেই রেজুলেশন বা মিনিটস বুকে আগাম সই করতে বলা হয়।পৌরসভায় মোট ১২টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের দখলে রয়েছে ১০টি (এর মধ্যে একজন কাউন্সিলার প্রয়াত), একটি কংগ্রেসের। এদিন ১১ জন কাউন্সিলার ও পৌরপ্রধান উপস্থিত থাকলেও চার কাউন্সিলার সই করতে অস্বীকার করে বেরিয়ে যান।

Read More

পেট্রাপোল সীমান্তে বিজেপির প্রতিবাদ মিছিল ।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কালের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বনগাঁর পেট্রাপোল সীমান্তে প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করল বিজেপি। মিছিলে অংশগ্রহণ করেন হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার, বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া। কয়েকশো বিজেপি কর্মী সমর্থক এদিন জয়ন্তীপুর বাজার থেকে যশোর রোড ধরে মিছিল করে পেট্রাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে। বিএসএফ অবশ্য জিরো পয়েন্টের অনেক আগেই সেই মিছিল আটকে দেয়।

Read More

তৃণমূল সদস্যা বাংলাদেশি, দাবি বিজেপির

তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত সদস্যা ও তাঁর মা ভারতীয় নাগরিক নন। প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগে এমনই দাবি বিজেপির। জামালপুর ১ পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যা রূপালি বিশ্বাস ও তাঁর মা দাসী বিশ্বাস ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’। অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন ওই দু’জনেই । অভিযোগের তদন্ত হবে বলে জানান বিডিও (জামালপুর) পার্থসারথি দে।

Read More

হুগলির পোলবা SIR এর খসড়া তালিকা প্রকাশ হওয়ার দিনই ২০২৬ এর নির্বাচনের বিজেপির দেওয়াল লিখন শুরু হল।

হুগলির পোলবা SIR এর খসড়া তালিকা প্রকাশ হওয়ার দিনই ২০২৬ এর নির্বাচনের বিজেপির দেওয়াল লিখন শুরু হল।

Read More