সাধারণ মানুষদের সঠিকভাবে পরিষেবা দিচ্ছে না। এই কারণে তৃণমূলের প্রধান ও উপ প্রধানের বিরুদ্ধে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখালেন তৃণমূলেরই গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যরা। বসিরহাটের তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

সাধারণ মানুষদের সঠিকভাবে পরিষেবা দিচ্ছে না। এই কারণেতৃণমূলের প্রধান ও উপ প্রধানের বিরুদ্ধে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখালেন তৃণমূলেরই গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যরা। বসিরহাটের তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

Read More

পার্ক স্ট্রিটে মুখ্যমন্ত্রী সারপ্রাইজ ভিজিট l ম্যাগমা হাউসের ৬টি রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দিল প্রশাসন।আগুনের সুরক্ষা বিধি না মানার অভিযোগে l

পার্ক স্ট্রিটে মুখ্যমন্ত্রী সারপ্রাইজ ভিজিট l ম্যাগমা হাউসের ৬টি রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দিল প্রশাসন।আগুনের সুরক্ষা বিধি না মানার অভিযোগে l

Read More

অনুব্রত মণ্ডলের ডাকা তৃণমূলের জেলা কমিটির বৈঠকে অনুপস্থিত বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ।

Read More

আলিপুরদুয়ার তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে

আলিপুরদুয়ার তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে । আলিপুরদুয়ারের তফসিখাতা এলাকায় বারো কিমি সড়ক উদ্বোধন নিয়ে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে। রাস্তা উদ্বোধনে উপস্থিত আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদে সভাধিপতি স্নিগ্ধা শৈব ওপরদিকে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ডাক পেলেন না সহকারি সভাধিপতি মনোরঞ্জন দে।শুক্রবার বারো কিমি সড়ক তৈরি জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে সভা আয়োজিত হয় l সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারি সভাধিপতি মনোরঞ্জন দে, প্রাক্তন বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, সহকারী সভাপতি, প্রধান ও তৃণমূল নেতৃত্ব দের। এই সভায় প্রকাশ্যে সহকারি সভাধিপতি বলেন উদ্বোধনে আমাদের ডাকা হয়নি। বিধায়কের বোঝা উচিৎ l

Read More

আবারও তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

আবারও তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১৬ এপ্রিল:পশ্চিমবঙ্গ দিবস উৎযাপনকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল।মালদার মানিকচকের রাজ্য সড়কের দুই প্রান্তে মানিকচক ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস ও মালদহ জেলা যুব তৃণমূলের অনুষ্ঠান ঘিরে বিভ্রান্তিতে মানিকচকের তৃণমূল কর্মীরা। আর এই কর্মসূচির আয়োজন করাই জেলা যুব তৃণমূল সভাপতিকে পাগল বলে কটাক্ষ দলীয় বিধায়িকার।দলীয় নির্দেশ মত সমস্ত ব্লকে আয়োজিত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ দিবস।ব্যাতিক্রম নেই মানিকচকেও,তবে চিত্রটা একটু আলাদা।মঙ্গলবার মানিকচক ব্লক কমিউনিটি হলে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ও তার ঠিক উল্টো দিকে এক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মালদহ জেলা যুব তৃণমূলের উদ্যোগে আয়োজিত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ দিবস।প্রথম অনুষ্ঠানে উপস্থিত মানিকচকের বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র, ব্লক তৃণমূল সভাপতি ডাঃ মাহফুজুর রহমান সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতৃত্ব।এদিন পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় তৃণমূল নেতৃত্বের পক্ষ থেকে। অনুষ্ঠানের সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন।অন্যদিকে,দ্বিতীয় অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি বিশ্বজিৎ মন্ডল সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতৃত্বরা।এখানেও এদিন পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে কচিকাঁচাদের নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সংবর্ধনা দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল।আর এই দুই অনুষ্ঠানকে ঘিরেই তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে।একই ব্লকে একই সময় রাস্তার এপার ওপারে অনুষ্ঠান ঘিরে বিভ্রান্তিতে পড়েছেন মানিকচকের তৃণমূল কর্মীরা। এবিষয়ে মানিকচকের বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র বলেন,রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশে মানিকচকে একটি অনুষ্ঠান হচ্ছে।আর কে কোথায় কী করছে তা আমার জানা নেই বা জেলা নেতৃত্বও জানে না।উনি জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি জেলায় কর্মসূচি না করে এখানে কেনো করছেন।উনি একজন পাগল।খায় না মাথায় দেয় কেউ জানে না।চোটে লাল তিনি। অন্যদিকে মালদহ জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিৎ মন্ডল বলেন,যুব কর্মীদের সুবিধার্থে রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্বের নির্দেশে মানিকচকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করেছি।বিধায়ক বৈজষ্ঠ ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি উনাকে শ্রদ্ধা করি। আমার সম্বন্ধে কি বলেছে তা আমার জানা নেই। তিনি আমার নেত্রী। আমাদের মধ্যে কোন অন্তর্দ্বন্দ্ব নেই।

Read More

রানাঘাটে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

রানাঘাটে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১৫ এপ্রিল:রানাঘাট থানার হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কলাবাগান এলাকায় গতকাল গভীর রাতে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে এক প্রতিবন্ধী তৃণমূল কর্মী মানিক ঘোষের চায়ের দোকানে আগুন লাগানোর অভিযোগ তৃণমূলেরই এক অংশের বিরুদ্ধে।এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। এই ঘটনা নিয়ে রানাঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। আগুন লাগার খবর পেয়েই রাতেই ঘটনাস্থলে এসেছিল রানাঘাট থানার পুলিশ।এই। আগুন লাগার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রতিবন্ধী মানিক ঘোষ। মানিক ঘোষের অভিযোগ এর আগেও তার দোকানে একাধিকবার ভাঙচুর চালানো হয়েছিল। তখন তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও সেই সময় পুলিশ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলেই অভিযোগ মানিক ঘোষের। এবারও তিনি রানাঘাট থানায় বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে রানাঘাট থানার পুলিশ।বর্তমানে দোকান পুড়ে যাওয়ার ঘটনার পরই আগামী দিন কিভাবে তার চলবে সেই চিন্তায় দিন কাটছে প্রতিবন্ধী মানিক ঘোষের। শুধুমাত্র রাজনৈতিক হিংসার কারণেই তিনি আজ সর্বস্ব হারিয়েছেন।

Read More

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আবারও প্রকাশ্যে

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আবারও প্রকাশ্যে ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১০ এপ্রিল:এ যেন তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে।এই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই সমস্যায় স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনা সূত্রপাত ওপেন টেন্ডারকে কেন্দ্র করে।ঘটনাটি রানাঘাট থানার হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের। হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে স্বজল ধারা প্রকল্পের কাজের ওপেন টেন্ডার এর মাধ্যমে ওই পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যের স্বামী দেব প্রসাদ বিশ্বাস, তার স্ত্রীর নামে টেন্ডারের আবেদন করে। বর্তমানে তার স্ত্রী ওই পঞ্চায়েতেরই তৃণমূল সদস্য। তবে সেই স্বজল ধারা প্রকল্পের টেন্ডার পাইনি হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী বিনোদ ঘোষ। বর্তমানে এই স্বজল ধারা প্রকল্পের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠছে হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে। কয়েকদিন আগেই হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হবিবপুর হাসপাতাল পাড়াতেই একটি স্বজল ধরা প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। সেই স্বজল ধারা প্রকল্পের কাজ শুরু হতেই জল তোলার পাইপের ভিতরে রাতের অন্ধকারে সিমেন্ট এবং খোয়া মাখিয়ে তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ। আর এই ঘটনার অভিযোগের তীর বর্তমান পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর ও তার বন্ধুর বিরুদ্ধে। যদিও এই ঘটনার একটি কথোপকথনের ফোন রেকর্ডিং ভাইরাল হয়েছে। সেখানে স্পষ্টতো বর্তমান প্রধানের স্বামী ও তার এক বন্ধু জানাচ্ছেন, যে দেবপ্রসাদ ওরফে দেবু যেখানে যেখানে টেন্ডার পেয়েছে সেই কাজ শুরু হলেই পাইপ এর মধ্যে সিমেন্ট ও খোয়া মিশিয়ে তা জ্যাম করে দেওয়ার কথা, স্পষ্টতো শোনা যাচ্ছে। এর পাশাপাশি তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী বিনোদ ঘোষ জানাচ্ছেন যে মুসলিম সম্প্রদায়কে কখনোই উঠতে দেওয়া যাবে না। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানোত্তর। পাশাপাশি পানীয় জলের সমস্যায় পড়েছেন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা। যদি এই স্বজল ধারা প্রকল্পটি চালু হয় তাহলে এলাকার মানুষ পানীয় জল থেকে উপকৃত পাবে। এই ঘটনার পর দেবপ্রসাদ বিশ্বাস হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে এবং প্রশাসনিকভাবে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন। এর পাশাপাশি প্রশাসনিক দপ্তরের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বিনোদ ঘোষ ও তার বন্ধুর বিরুদ্ধে। যদিও এই ঘটনা নিয়ে বিনোদ ঘোষের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, যে কল রেকর্ডিং ভাইরাল হয়েছে তা তাকে ফাঁসানোর জন্যই বানানো হয়েছে। অপরদিকে এই ঘটনা সামনে আসতেই শুরু হয়েছে শাসকবিরোধী রাজনৈতিক তরজা।

Read More

পি এফ এর সমস্যা নিয়ে তৃণমূলের শ্রমিক উন্নয়ন চা শ্রমিকদের নিয়ে শুরু করল পদযাত্রা

পি এফ এর সমস্যা নিয়ে তৃণমূলের শ্রমিক উন্নয়ন চা শ্রমিকদের নিয়ে শুরু করল পদযাত্রা ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৯ এপ্রিল:চা শ্রমিকদের পি এফ সমস্যা নিয়ে চারদিনের পদযাত্রা শুরু করলো তৃণমূল চা বাগান শ্রমিক ইউনিয়ন।ডুয়ার্সের শেষ প্রান্ত আলিপুরদুয়ার জেলার সঙ্কোষ চা বাগান থেকে শুরু হলো এই পদযাত্রা ওপরদিকে জলপাইগুড়ি জেলার এলেনবাড়ি থেকেই শুরু হয় পদযাত্রা আগামী দশ এপ্রিল এই দুই পদযাত্রা মিলিত হবে জলপাইগুড়ি জেলার গয়েরকাটা এলাকায় এবং সেখান থেকেই পদযাত্রা শুরু হবে জলপাইগুড়ি উদ্দেশ্যে এবং আগামী ১১ এপ্রিল জলপাইগুড়ি পিএফ অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হবে ও আধিকারিককে ডেপুটেশন প্রদান করা হবে। তৃণমূল চা বাগানের শ্রমিক সংগঠন এর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বরা জানান, পিএফ অফিস দালাল চক্রে ভর্তি। চা শ্রমিকদের পিএফ নিয়ে অনেক সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া অনেক চা বাগান পিএফ জমা করছেনা তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেনা পিএফ দফতর এই সমস্ত বিষয় নিয়ে তাদের এই চারদিন ব্যাপী পদযাত্রা। সংকোশ চা-বাগানে পদযাত্রার সূচনায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা তৃণমূলের জেলা সভাপতি প্রকাশ চিকবড়াইক, তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক ডঃ সৌরভ চক্রবর্তী, মাদারিহাটের বিধায়ক জয়প্রকাশ টোপ্পো, তৃণমূল চা-বাগান শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বীরেন্দ্র বারা ওরাওঁ, আইএনটিটিইউসি’র জেলা সভাপতি বিনোদ মিঞ্জ সহ অন্যরা। এদিন সংকোশ চা-বাগানে, আইএনটিটিইউসি ও তৃণমূল চা-বাগান শ্রমিক ইউনিয়নের পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর শুরু হয় পদযাত্রা। সংকোশ চা-বাগান থেকে কুমারগ্রাম, নিউল্যান্ডস, রায়ডাক, কার্তিকা শহ একাধিক চা-বাগানে আসে পদযাত্রাটি। প্রতিটি চা-বাগানেই পথসভা করা হয়। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন চা-বাগান ঘুরবে পদযাত্রাটি। এরপর আগামী ১১ এপ্রিল জলপাইগুড়িতে পিএফের রিজিওনাল অফিসে ডেপুটেশন দেওয়া হবে। শ্রমিকদের পিএফ সমস্যা সমাধানের দাবি তুলে ধরার পাশাপাশি রাজ্য সরকার চা-বাগান গুলির জন্য যেসব উন্নয়নমূলক কাজ করেছে, সেগুলির প্রচার করা হচ্ছে পদযাত্রা থেকে।সামনেই ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন আর নির্বাচন পূর্বে চা শ্রমিকদের মন পেতে এই পদযাত্রা করছে তৃণমূল বলে মনে করা হচ্ছে। তৃণমূলের আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি ও রাজ্যসভা সাংসদ প্রকাশ চিক বড়াইক জানান, পি এফ এর দালাল চক্র বন্ধ করতে হবে। চা শ্রমিকদের পি এফ টাকা দিতে হবে এই সব দাবি নিয়ে আগামী এগারো এপ্রিল পিএফ অফিস ঘেরাও আছে।অপরদিকে তৃণমূলের এই পদযাত্রাকে নাটক বলে কটাক্ষ করল বিজেপি। তৃণমূলের নেতাদের নাটক কোম্পানিতে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিল বিজেপি মনোজ টিগ্গা জানান এসব নাটক। তিনি জানান বন্ধ চা বাগান খোলা নিয়ে তৃণমূলের কোনো উদ্যোগ নেই শ্রমিকদের জন্য কোনো চিন্তা ভাবনা করেনা তারা শুধু নাটক করে।

Read More

প্রায় তিন কোটিরও বেশি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠলো অনুব্রত ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

প্রায় তিন কোটিরও বেশি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠলো অনুব্রত ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম১৯ মার্চ:সমবায়ের প্রায় তিন কোটিরও বেশি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ অনুব্রত ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনার অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর রেজিস্টার অফ কোঅপারেটিভ সোসাইটির তরফ থেকে তৃণমূল নেতা ভোলানাথ মিত্র কে ওই টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনাদায়ে তার স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে । প্রসঙ্গত ভোলানাথ মিত্র ছিলেন দুবরাজপুরের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি। এবং প্রথম থেকেই অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বলেই দলে পরিচিত তিনি। কিন্তু অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেপ্তারির পর তাকে ব্লক সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে তৈরি করে দেওয়া হয় ব্লক কোর কমিটি যার সদস্য করা হয় তাকে। অন্যদিকে চিনপাই কো-অপারেটিভের প্রাক্তন সম্পাদক এবং বর্তমান ডাইরেক্টর পদে আছেন তিনি। তার বিরুদ্ধেই এই রায় দিয়েছে রেজিস্ট্রার অফ কো অপারেটিভ সোসাইটি।

Read More

বিধান নগরে একাধিক জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে হিন্দুত্ব নিয়ে পোস্টার

বিধান নগরে একাধিক জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে হিন্দুত্ব নিয়ে পোস্টার ওয়েব ডেস্ক উত্তরের কলম,১৮ মার্চ:বিধান নগরের বিকাশ ভবনের উল্টোদিকে এবং করুণাময়ী মোড়ে একাধিক জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের আইটি ও সোশ্যাল মিডিয়ার শাখার পক্ষ থেকে একাধিক পোস্টার। পোস্টগুলোতে লেখা রয়েছে,“হিন্দু যদি ভাই ভাই গ্যাসে কেন ছাড় নাই “,“হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই আধার লিংকে ফাইন খাই”,“হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই কিন্তু বাঙালি পূর্ণ মন্ত্রী নাই”, “হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই তবু তেলের দামে লোটা চাই “।মঙ্গলবার সকালে বিকাশ ভবনের মেইন গেটের উল্টোদিকে এবং করুনাময় মোড়ে এইরকম পোস্টার দেখা যায়।পোস্টারের তলায় পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস আইটি ও সোশ্যাল মিডিয়া শাখা লেখা রয়েছে।প্রশ্নগুলি কখন লাগানো হয়েছে সে বিষয়ে জানা যায়নি এখনো।

Read More