তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আবারও প্রকাশ্যে ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১০ এপ্রিল:এ যেন তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে।এই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই সমস্যায় স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনা সূত্রপাত ওপেন টেন্ডারকে কেন্দ্র করে।ঘটনাটি রানাঘাট থানার হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের। হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে স্বজল ধারা প্রকল্পের কাজের ওপেন টেন্ডার এর মাধ্যমে ওই পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যের স্বামী দেব প্রসাদ বিশ্বাস, তার স্ত্রীর নামে টেন্ডারের আবেদন করে। বর্তমানে তার স্ত্রী ওই পঞ্চায়েতেরই তৃণমূল সদস্য। তবে সেই স্বজল ধারা প্রকল্পের টেন্ডার পাইনি হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী বিনোদ ঘোষ। বর্তমানে এই স্বজল ধারা প্রকল্পের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠছে হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে। কয়েকদিন আগেই হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হবিবপুর হাসপাতাল পাড়াতেই একটি স্বজল ধরা প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। সেই স্বজল ধারা প্রকল্পের কাজ শুরু হতেই জল তোলার পাইপের ভিতরে রাতের অন্ধকারে সিমেন্ট এবং খোয়া মাখিয়ে তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ। আর এই ঘটনার অভিযোগের তীর বর্তমান পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর ও তার বন্ধুর বিরুদ্ধে। যদিও এই ঘটনার একটি কথোপকথনের ফোন রেকর্ডিং ভাইরাল হয়েছে। সেখানে স্পষ্টতো বর্তমান প্রধানের স্বামী ও তার এক বন্ধু জানাচ্ছেন, যে দেবপ্রসাদ ওরফে দেবু যেখানে যেখানে টেন্ডার পেয়েছে সেই কাজ শুরু হলেই পাইপ এর মধ্যে সিমেন্ট ও খোয়া মিশিয়ে তা জ্যাম করে দেওয়ার কথা, স্পষ্টতো শোনা যাচ্ছে। এর পাশাপাশি তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী বিনোদ ঘোষ জানাচ্ছেন যে মুসলিম সম্প্রদায়কে কখনোই উঠতে দেওয়া যাবে না। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানোত্তর। পাশাপাশি পানীয় জলের সমস্যায় পড়েছেন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা। যদি এই স্বজল ধারা প্রকল্পটি চালু হয় তাহলে এলাকার মানুষ পানীয় জল থেকে উপকৃত পাবে। এই ঘটনার পর দেবপ্রসাদ বিশ্বাস হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে এবং প্রশাসনিকভাবে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন। এর পাশাপাশি প্রশাসনিক দপ্তরের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বিনোদ ঘোষ ও তার বন্ধুর বিরুদ্ধে। যদিও এই ঘটনা নিয়ে বিনোদ ঘোষের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, যে কল রেকর্ডিং ভাইরাল হয়েছে তা তাকে ফাঁসানোর জন্যই বানানো হয়েছে। অপরদিকে এই ঘটনা সামনে আসতেই শুরু হয়েছে শাসকবিরোধী রাজনৈতিক তরজা।
তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আবারও প্রকাশ্যে

