বচসার জেরে এক গৃহবধুর ঘরে ঢুকে গৃহবধুর পেটে লাথি মারলো স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১৫ এপ্রিল:আবারো নারী নিরাপত্তা বা নারী সুরক্ষা প্রশ্নচিহ্নের মুখে? প্রকাশ্যে মদ্যপ অবস্থায় তৃণমূল কর্মীর লাথির আঘাতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পরলো এক গৃহবধূ।ঘটনার সূত্রপাত রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ব্রাশ করছিলেন কণিকা ঘোষ।সেই সময় মদ্যপ অবস্থায় দীপ্ত ঘোষ নামে ওই তৃণমূল কর্মী কণিকা ঘোষকে ধাক্কা মারে। এরপর শুরু হয় বচসা। কিছুক্ষণের মধ্যে সেই বচসা মিটে গেলেও, পরবর্তী কিছুক্ষনের মধ্যেই লাঠি হাতে এসে কণিকা ঘোষের বাড়িতে চড়াও হয় দীপ্ত ঘোষ নামে ওই ব্যক্তি,এমনই অভিযোগ করেন কণিকা ঘোষে।এরপর দীপ্ত ঘোষ লাঠি নিয়ে প্রথমে কণিকা ঘোষকে মারধর করে এরপর ঘরের মধ্যে জোরপূর্বক প্রবেশ করে এবং ঘরের মধ্যে ছিল কণিকা ঘোষের বৌমা। এরপর কনিকা ঘোষের বৌমার উপর লাঠি নিয়ে চড়াও হয় মারধর করে এবং পেটে লাথি মারে। চিৎকার চেঁচামেচি হতেই প্রতিবেশীরা ছুটে আসতেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত দীপ্ত ঘোষ। এই দীপ্ত ঘোষ এলাকায় তৃণমূল কর্মী নামেই পরিচিত।এরপর ওই গৃহবধূর পেটে যন্ত্রণা শুরু হয় এবং অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর ঘটনার স্থল থেকে একটি টোটো করে তাদেরকে চিকিৎসার জন্য রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে ওই গৃহবধূ রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ওই গৃহবধূর শাশুড়ি কণিকা ঘোষ একটু সুস্থ বোধ করতেই তিনি রানাঘাট থানার দ্বারস্থ হন এবং লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে রানাঘাট থানার পুলিশ। প্রকাশ্যে তৃণমূল কর্মীর মদ্যপ অবস্থায় দাদাগিরি ও মারধরের ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। যদিও এই বিষয় নিয়ে অভিযুক্তর বাড়ি গেলে অভিযুক্তকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত দীপ্ত ঘোষ এলাকা ছেড়ে পলাতক। এই ঘটনা সবার মনে একটাই প্রশ্ন তুলছে নারীদের সুরক্ষা তাহলে কোথায়?
বচসার জেরে এক গৃহবধুর ঘরে ঢুকে গৃহবধুর পেটে লাথি মারলো স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী

