২০ হাজার টাকা দিতে না পারায়, আবাস যোজনার ঘর বাতিল!

২০ হাজার টাকা দিতে না পারায়, আবাস যোজনার ঘর বাতিল!মূলত কাঁচা বাড়ি থাকলে এবং আর্থিক অসচ্ছলতা থাকলে মিলবে আবাস যোজনার ঘর। পাশাপাশি বিপিএল তালিকাভুক্ত থাকলেই আবাস যোজনায় নাম নথিভূক্ত করাতে পারবে। কিন্তু প্রকারান্তরে হচ্ছে তার উল্টো। যারা প্রকৃত আবাস যোজনার ঘর পাওয়ার যোগ্য তাদের মিলছে না। অভিযোগ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিকে ২০ হাজার টাকা দিতে পারেনি। তাই তাদের ঘর লিস্ট থেকে বাদ দিয়েছে। হাসনাবাদ ব্লকের হাসনাবাদ পঞ্চায়েতের খোষালের মোড় এলাকার ঘটনা। ওই এলাকার প্রচুর মানুষ তারা আবাস যোজনার ঘরের জন্য আবেদন করেছিল। কিন্তু তাদের মধ্যে বহু পরিবার পাওয়ার যোগ্য কিন্তু তারা ঘর পায়নি। অন্যদিকে একই এলাকায় তৃণমূলের যুব সভাপতি আবু সায়েদ মোল্লা ঘর পেয়ে গেলেন। এমনকি তার প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকাও একাউন্টে ঢুকে গেছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় যারা ঘর পায়নি তারা ক্ষোভ উগড়ে দেন। তাদের অভিযোগ-তৃণমূলের যুব সভাপতি অর্থবিত্ত। কিন্তু তারপরেও তিনি ঘর পেলেন। আর আমাদের কাছে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আমিরুল ইসলাম কুড়ি হাজার টাকা করে ঘর পিছু চেয়েছিল। আমরা গরীব টাকা কোথা থেকে দেবো। টাকা দিতে পারিনি তাই আমাদের ঘরের লিস্ট থেকে নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে তৃণমূলের যুব নেতা আবু সায়েদ মোল্লা বলেন ‘আমি চাষবাস করি। আমার দুই দাদা ডিফেন্সে চাকরি করে। তাদের পাকা বাড়ি আছে। আমি ছাউনি দেওয়া ঘরে থাকতাম। আমি আবেদন করার পর প্রশাসনিক আধিকারিকরা এসে সরজমিনে খতিয়ে দেখে তারপরে আমাকে ঘর দিয়েছে। আর আমি ঘরের আবেদন করেছি ১৮ সালে। তারপর আমার ঘর বরাদ্দ হয়। আমি তৃণমূলের যুব সভাপতি হয়েছি ২০২৫ সালে। আমি যুব সভাপতি হবার আগে ঘর পেয়েছি।’ অপরদিকে যার বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ চলছে সেই আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এই আবাস যোজনার ঘরের বিষয়ে কোন হাত আছে বলে আমার জানা নেই। আর আমি দল দেখে মানুষের উপকার করি না। এখানে বিরোধী দলের যারা আছে তারাও আমার কাছ থেকে উপকার পায়। আমি স্বচ্ছ রাজনীতি করি। আবাস যোজনার ঘরের বিষয়টা পুরোটাই প্রশাসনিক আধিকারিকরা খতিয়ে দেখে তারপর দিয়েছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *