বৃষ্টি পরতেই রাস্তার কঙ্কাল সার চেহারা প্রকাশে!শান্তিপুর পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের বাগচির বাগান এলাকায় মানুষের দীর্ঘদিনের অভিযোগ বিভিন্ন গলিপথ এবং রাস্তা নিয়ে। তাদের দাবি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় একটি হলেও বাকি রয়েছে অনেকগুলোই। এই মুহূর্তে ভোট ঘোষণা তাই রাস্তা করা সম্ভব না হলেও ন্যূনতম চলাচলের উপযোগী হিসেবে এক গাড়ি ঘ্যাস ফেলেন নি কাউন্সিলর। এক নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর মহানন্দ বিশ্বাস অবশ্য অভিযোগ তুলেছেন শাসকদলের বিরুদ্ধে। তিনি বলছেন এর আগে পুরসভায় একজন কাউন্সিলর হিসাবে সমভাবে কাজ বন্টন হলেও বর্তমানে ওই ওয়ার্ডে তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ওয়ার্ক অর্ডার থেকে শুরু করে যাবতীয় তথ্য রয়েছে। কিন্তু তাকে জানানো হচ্ছে না। এমনকি আমার পাড়া আমার সমাধানের উন্নয়নের খতিয়ানও নেই তার কাছে। প্রাক্তন কাউন্সিলর তৃণমূলের বিশ্বব্রত ঘোষ জানাচ্ছেন, সরকারি কাজকর্ম সমস্ত কিছু ওনার মাধ্যমেই আসে। পুরসভায় আর তিনি তা ফলাও করে বিজেপির প্রচার করেন। দুয়ারে সরকার আমার পাড়ার আমার সমাধান সব ক্ষেত্রেই তার উপস্থিত থাকে। কিন্তু মাঝেমধ্যেই হঠাৎ এ ধরনের অবান্তর প্রশ্ন উত্থাপন করেন। এক গাড়ি ঘ্যাস ফেলতে সরকারি সহযোগিতা লাগে না। আমার পারা আমার সমাধান প্রকৃতপক্ষেই জনপ্রতিনিধি নয় নিরপেক্ষ সভাপতি মাধ্যমে মানুষের চাহিদা অনুযায়ী বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে একটি রাস্তা করা হয়েছে। এলাকাবাসী অবশ্য এ সমস্ত রাজনৈতিক বিতর্কে ঢুকতে রাজি নন। তাদের একটাই দাবি রাস্তা না হলে ভোট বয়কট করবেন। আগে রাস্তা পরে ভোট। রাস্তা না হলে ভোট বয়কটের ডাক এলাকাবাসীর। চলতি মাসে নির্বাচন। সাধারণের ক্ষোভ প্রশমনে রাস্তা মিলবে! নাকি সমস্যা রয়ে যাবে সমস্যা হয়েই। এইমুহুর্তে গোটা এলাকায় এই প্রশ্নই ক্রমশ জোড়ালো হচ্ছে।
‘রাস্তা না হলে ভোট বয়কট’! তুঙ্গে শাসক বিরোধী তরজা

