তৃণমূলকে নিশানা করে অনুরাগ ঠাকুরের বেফাঁস মন্তব্য!

তৃণমূলকে নিশানা করে অনুরাগ ঠাকুরের বেফাঁস মন্তব্য! বাগডোগরা বিমানবন্দরে নেমে তৃণমূলের নামে কটাক্ষ করলেন বিজেপি সাংসদ তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। এদিন ইসলামপুরে যাওয়ার আগে তিনি জানান “টিএমসি মানে টেরর, মার্ডার ও ক্রাইম। শোষণ, মাফিয়াগিরি ও কাটমানি এদের পরিচয়। মালদার ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন ১৫ বছর ধরে বাংলায় দুনীতি, শোষণ, মহিলাদের ওপর অত্যাচার হচ্ছে। যুবদের ওপর কি হচ্ছে তা দেখা যাচ্ছে। মালদার ঘটনা সামান্য ঘটনা নয় এটা। বড় ষড়যন্ত্র ছিল। কিভাবে আধিকারিকদের আটক করা হয়েছিল। এটা প্রমাণ করে সাধারণ মানুষ কেমন আছে। বাংলায় হাজার কোটি টাকার দুনীতি হয়েছে। মন্ত্রীদের ঘরে থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। দুনীতির তদন্ত করা এজেন্সিদের বিরুদ্ধে একমাত্র এই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিবাদ করে বাধা দান করছেন। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের ভয় দেখানোর কাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করছেন। তবে নির্বাচন কমিশনের অধিকার আছে সিদ্ধান্ত নেওয়ার।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে তিনি বলেন কেন ৭৪ বিধায়কদের টিকিট দেওয়া হল না। ১৫ জনের স্থান বদলানো হয়েছে। এটা প্রমান করছে নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের অবস্থা। তবে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হোক। নির্বাচন পরবর্তী শান্তি বজায় থাকুন এটাই বিজেপি চায়। এস‌আইআরে নাম বাদ পড়া সংখ্যালঘু নিয়ে তিনি জানান অনুপ্রবেশ হয়েছে এখানে। বাংলার অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। বাংলার মানুষের ভোটাধিকারের ক্ষেত্রে কি বাংলাদেশিদের অধিকার আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ক্ষমতায় থাকার জন্য বহিরাগত অনুপ্রবেশকারীদের সংরক্ষণ দেয় বলে কটাক্ষ করেন অনুরাগ। এভাবেই নির্বাচনে আবহে তৃণমূল কংগ্রেসকে একের পর এক কটাক্ষ ছুড়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের চাঙ্গা করতে এই মন্তব্য নির্বাচনে আদৌ কোন ফল আনতে পারে কিনা! নাকি বাংলার ভোটে বহিরাগত ইস্যুতে পুরোপুরি বুমেরাং হবে নির্বাচনী ফলাফলে তার উত্তর মিলবে। অনুরাগ ঠাকুরের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এমনটাই অভিমত রাজনৈতিক কারবারিদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *