ভগবানগোলায় রহস্য মৃত্যু! ভাড়া বাড়িতে ৪ জনের দেহ উদ্ধার

ভগবানগোলায় ভাড়া বাড়িতে একই পরিবারের চার সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যু। ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরিবারের কর্তা মানিক বেপারী, তাঁর স্ত্রী এবং দুই কন্যার দেহ উদ্ধার। বুধবার সকালে ভাড়া বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরোতে শুরু করলে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। এরপরই ভগবানগোলা থানায় খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চারটি দেহ উদ্ধার করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নদিয়ার বাসিন্দা মানিক বেপারী প্রায় ১০ মাস ধরে ভগবানগোলার নিমতলা মোড় এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকতেন। তিনি কী পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সে বিষয়ে প্রতিবেশীদের স্পষ্ট ধারণা নেই। স্থানীয়রা জানায়, মৃত পরিবার তেমন একটা বাইরের কারও সাথে মেলামেশা করত না। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যাচ্ছে,মানিক বেপারীর দেহ আলাদা একটি ঘরে পাওয়া যায়।অন্যদিকে স্ত্রী ও দুই কন্যার দেহ উদ্ধার হয়েছে একই ঘর থেকে। দুই কন্যার একজন চতুর্থ শ্রেণি এবং অন্যজন অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। কীভাবে এবং কোন পরিস্থিতিতে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পুলিশ গোটা বাড়িটি ঘিরে রেখে তদন্ত শুরু করেছে। দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা না অন্য কোনও নাকি খুন করা হয়েছে ক্ষতিয়ে দেখছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের আর্থিক অবস্থা, পারিবারিক সম্পর্ক এবং সাম্প্রতিক কোনও অশান্তি ছিল কি না, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ প্রকাশ্যে আসবে।

Read More

বিজেপি কর্মীকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ! থানার দ্বারস্থ তৃণমূল

বাঁকুড়ার ওন্দায় বিজেপি কর্মীকে জ্যন্ত পুড়িয়ে মারার অভিযোগ। নিছক দুর্ঘটনা নাকি খুনের চেষ্টা। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে থানায় হাজির তৃণমূল। গত বুধবার গভীর রাতে বাঁকুড়ার ওন্দা থানার নন্দনপুর গ্রামে বিজেপি নেতা তাপস বারিকের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরিবার সহ তাপসকে পুড়িয়ে মারার পরিকল্পনায় আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। ঘটনার পর তৃনমূলকেই অভিযোগের কাঠগড়ায় তোলা হয়। ঘটনার পর গ্রামে গিয়ে তাপস বারিকের পরিবারের পাশে থাকার আস্বাস দেওয়ার পাশাপাশি দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে সরব হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একইদিনে ওন্দায় সভা করে শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনায় দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানানোর পাশাপাশি পুলিশকে হুঁধিয়ারি দিয়ে যান। শুভেন্দু অধিকারীর সভার কয়েকদিনের মাথায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওন্দার বুকে পাল্টা সভা করে তৃনমূল। সভায় দাবি করা হয় তাপস বারিকের বাড়িতে অগ্নিকান্ডের ঘটনা নিছক দূর্ঘটনা। বিজেপি এটা নিয়ে মিথ্যে রাজনীতি করছে। রাজনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়ছে দেখে কুৎসা ছড়াতে অযথা দুর্ঘটনাটি রাজনৈতিক রঙ দিচ্ছে বিজেপি। সভা শেষে তৃনমূল নেতৃত্ব ওন্দা থানায় হাজির হয়ে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য লিখিত আবেদন জানায়। যদিও গোটা ঘটনাকে তৃনমূলের পরিকল্পিত রাজনৈতিক আক্রমণের নমুনা বলে এদিনও দাবি করেছে বিজেপি। পাশাপাশি বিজেপি বিধায়কের কটাক্ষ এই রাজ্যে কোন ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হয়না। সব ধামা চাপা পড়ে যায়। বিষয়টি ঘিরে শাসক বিরোধী তরজা জারি রয়েছে। এদিকে ঘটনার তদন্ত চলছে। ওন্দা পুলিশ সূত্রে খবর, এখনও কেউ গ্রেফতার বা আটক হয়নি। নিছক দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পনা করে বাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছে তদন্ত করছে পুলিশ।

Read More

মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ার বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন

মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ার বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন বুধবার (২৮ জানুয়ারি, ২০২৬) সকালে পুনে জেলার বারামতিতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর অনুযায়ী:দুর্ঘটনার স্থান: বারামতি বিমানবন্দর এলাকা।কারণ: প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, অবতরণের সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রানওয়ের পাশে আছড়ে পড়ে এবং আগুন ধরে যায়।হতাহতের সংখ্যা: ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA) নিশ্চিত করেছে যে বিমানে থাকা উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ার এবং অন্য যাত্রীদের কেউই বেঁচে নেই।অজিত পওয়ার জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারের জন্য মুম্বাই থেকে বারামতি যাচ্ছিলেন। তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Read More

মাধ্যমিক পরীক্ষার এডমিট বিতরণে অশান্তি! মাথা ফাটল ছাত্রের

মাধ্যমিক পরীক্ষার এডমিট বিতরণে অশান্তি! মাথা ফাটল ছাত্রেরউত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার হাড়োয়া পিজি হাই স্কুলে মাধ্যমিকের এডমিট কার্ড বিতরণকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে দুই ছাত্রের মধ্যে তুমুল গন্ডগোল। বচসার জের মুহূর্তের মধ্যেই মারধরের আকার ধারণ করে। অভিযোগ, এক ছাত্র আরেক ছাত্রকে মাথায় আঘাত করে। ফলে ছাত্রের মাথা ফেটে যায়। এডমিট বিতরণ ঘিরে বছর জেরে গুরুতর জখম দুই মাধ্যমিক পড়ুয়া। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন স্কুল চত্বরে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের এডমিট কার্ড দেওয়া হচ্ছিল। সেই সময় লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে দুই পরীক্ষার্থীর কথা কাটাকাটি শুরু হয়। ক্রমশ পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দু’পক্ষের মধ্যে মারধর শুরু হয়। সংঘর্ষের সময় এক ছাত্রের মাথা ফেটে যায়। এছাড়াও আরও কয়েকজন ছাত্র সামান্য জখম হয়েছে বলে খবর। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আহতদের চিকিৎসা চলছে এবং একজনের মাথায় সেলাই দিতে হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে স্কুলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আহত ছাত্রের পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্ত ছাত্রদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। তাঁদের দাবি, স্কুল চত্বরে এমন ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। তবে প্রশ্ন উঠছে, এডমিট বিতরণকে কেন্দ্র করেই কি এই গণ্ডগোল, নাকি এর পিছনে পুরনো কোনও শত্রুতা রয়েছে? এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাতে চাননি স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুলের ভেতরে এমন ঘটনা ঘটায় অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ বেড়েছে। অনেকেরই মত, ছাত্রদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং এমন পরিস্থিতি এড়াতে স্কুল কর্তৃপক্ষের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

Read More

মেখলিগঞ্জে ধর্ষণ কাণ্ডে গ্রেপ্তারির দাবি!

মেখলিগঞ্জে ধর্ষণ কাণ্ডে গ্রেপ্তারির দাবি! বিধায়ককে ঘিরে বিক্ষোভমেখলিগঞ্জের জামালদহে নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। নির্যাতিতার বাড়িতে গেলে স্থানীয় ছাত্রছাত্রী সহমহিলাদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক পরেশ অধিকারী। বিক্ষোভকারীদের দাবি, অভিযুক্তকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে। অভিযুক্তকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে পুলিশ বিক্ষোভ থামাতে বেশি তৎপর। অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে একজন স্কুলশিক্ষক রয়েছেন। যিনি বর্তমানে বিএলও-এর কাজে যুক্ত। ফলে তাঁর গ্রেফতারীর কারণে এলাকায় এসআইআর সংক্রান্ত কাজ ব্যাপক সমস্যার মুখে পড়ছে। মঙ্গলবার সকালে বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক দধিরাম রায় বিষয়টি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, অভিযুক্ত ব্যক্তি নাকি নিজেই সাংবাদিকদের সামনে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। এমন পরিস্থিতিতে অভিযুক্তকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, যারা বিচার চাইছেন, তাঁদেরই গ্রেফতার করা হচ্ছে। ঘটনা ঘিরে মেখলিগঞ্জে রাজনৈতিক চাপানউতোর তীব্র হয়েছে। বিজেপির তরফে শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযুক্তকে বাঁচানোর অভিযোগ তোলা হয়েছে। অন্যদিকে, জেলা তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এই ঘটনার সাথেকোনোভাবেই তৃণমূল জড়িত নয়। পুলিশের কাজ করছে। দ্রুত তদন্তের কিনারা করে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দিক।সব মিলিয়ে, ধর্ষণ কাণ্ডের বিচার ও বিক্ষোভকারীদের গ্রেফতার নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। বর্তমানে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটাই প্রশ্ন অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কবে নিশ্চিত হবে?

Read More

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পরেও হাজির! কেন বয়স্করা শুনানি কেন্দ্রে, প্রশ্নের মুখে BLO

পশ্চিমবঙ্গে একের পর এক এস আই আর যন্ত্রণার ছবি সামনে আসছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ নিয়ে প্রশ্নের মুখে! কখনো শুনানি কেন্দ্র আশা নিয়ে বিভ্রাট, আবার কমিশনের নির্দেশ অমান্য করে বয়স্কদের শেয়ারিংয়ে হাজির। এমন অনিয়মের ঘেরাটোপে সাধারণ মানুষ দিশেহারা। কমিশনের খামখেয়ালি সিদ্ধান্ত এবং বিএলও উদাসীনতায় দুর্ভোগে আমজনতা। দিশেহারা হয়ে সাধারণ মানুষ আজ পরিত্রাণের গুনছেন। এরই মধ্যে বসিরহাটের চিত্রটা আরও করুন। শারীরিক ভারসাম্য হারিয়েছে পথ চলতে পারেনা। শারীরিক ক্ষমতা লুপ্ত হয়েছে নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে সুনানি কেন্দ্রে এসে হয়রানির শিকার বসিরহাটের দু নম্বর ব্লকের ধান্যকুড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বয়স্ক বৃদ্ধ-বৃদ্ধা থেকে বিশেষ চাহিদা সম্পন্নরা। বসিরহাট খোলাপোতা বিডিও অফিসে হেয়ারিং এর শুনানির ডাক পেয়েছে বছর ৭০ ফিরোজা খানম। এদিকে বছর ৮০ কাজী মকবুল আরেফিন বাড়ি নেয়ালপুর গ্রামে। তিনিও শুনানি কেন্দ্রে হাজির। এখন প্রশ্ন উঠছে কমিশনের নির্দেশ ছিল বয়স্ক থেকে শুরু করে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষ আসতে হবে না শুনানি কেন্দ্রে। প্রয়োজনে কাগজপত্র দেখতে বিএলও থেকে ইআরও দের খোদ আসতে হবে। কমিশনের নির্দেশের পরেও তাদেরকে শুনানি লাইনে দাঁড়াতে দেখা যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহিলার দাবি, বিএলও, ইআরও দের গাফিলতির জেরে আজ দুর্ভোগের মুখে সাধারণ মানুষ। তিনি বলেন এটা সম্পূর্ণ বেআইনি। ওনাদের হেয়ারিং সেন্টারে আসতেই হবে না বাড়িতে গিয়ে শুনানি। এটা বলা বিএলও দের দায়িত্ব। কার্যত নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশ নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন অসুস্থ বৃদ্ধ-বৃদ্ধা বিশেষ চাহিদা সম্পন্নরা। কাজী মাহমুদ হাসান বলেন যেভাবে কমিশন এক এক সময় এক এক নির্দেশিকা জারি করছে তাতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার। এই বয়স্ক মানুষগুলো ৪০ বছর ধরে ভারতীয় নির্বাচন প্রক্রিয়া অংশগ্রহণ করছেন। এদেশের বংশ পরম্পরায় নাগরিক। শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে এই বয়সে তাদেরকে নিজের পরিচয় পত্র রাখার জন্য নাগরিকত্ব নামে প্রহসন চলছে।

Read More

আবর্জনায় ঢেকেছে সোদপুর-মধ্যমগ্রাম রোড,পৌরসভার বিরুদ্ধে ক্ষোভ

পানিহাটি পৌরসভার এলাকা জুড়ে দীর্ঘদিনের আবর্জনা সমস্যায় জেরবার সাধারণ মানুষ। ফের সেই ছবিই ধরা পড়ল সোদপুর-মধ্যমগ্রাম রোডে। রাস্তার একাংশ জুড়ে তৈরি হয়েছে আবর্জনার পাহাড়। যাতায়াত থেকে শুরু করে যান চলাচলেও সমস্যা তৈরি হয়েছে। ব্যস্ততম এই রাস্তায় স্কুলপড়ুয়া, অফিসযাত্রী থেকে শুরু করে নিত্যযাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পানিহাটি রামচন্দ্রপুরের ভাগাড় এলাকা বন্ধ হবার পর পৌরসভা বিভিন্ন জায়গায় অস্থায়ী ভ্যাট তৈরি করেছে। সেগুলিতেই নির্বিচারে ফেলা হচ্ছে আবর্জনা। তার ফলেই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার উপরেই দিনের পর দিন জমছে ময়লার স্তূপ। দুর্গন্ধে টিকতে পারছেন না পথচারীরা। চালকেরা অধিকাংশ সময় গাড়ি অন্য পথে ঘুরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। নিত্যযাত্রীদের দাবি, এই সমস্যা নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে সমস্যার জেরে প্রায় সই ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। এ নিয়ে বারবার পৌরসভাকে জানানো হলেও কোনও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। উল্টে আবর্জনার পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। ফলস্বরূপ এলাকায় যানজট, দূষণ এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি মতো সমস্যা দেখা দিয়েছে। শেষমেষ ক্ষুব্ধ যাত্রীরা পানিহাটি পৌরসভার বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে সরব হন। তাঁদের বক্তব্য, ‘নিয়মিত ময়লা তোলা হলে এই পরিস্থিতি তৈরি হতো না। কাজ করছে না পৌরসভা। সাধারণ মানুষের ভোগান্তির দায় পৌরসভা কেই নিতে হবে। যদিও অভিযোগের জবাবে সাফাই দিয়েছেন পানিহাটি পৌরসভার উপ-পৌরপ্রধান সুভাষ চক্রবর্তী। তাঁর দাবি, ইতিমধ্যে বিকল্প ডাম্পিং ব্যবস্থার কাজ শুরু হয়েছে। দ্রুত আবর্জনা পরিষ্কারের ব্যবস্থা করা হবে। পৌরসভার পক্ষ থেকে আশ্বাস মিললেও ব্যস্ততম পথে কবে মিলবে সুরাহা! সেদিকেই তাকিয়ে দিন গুনছেন এলাকাবাসী।

Read More

SIR গেরো! বিয়ে ফেলে শুনানি কেন্দ্রে হাজির বর

ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার ২৬২ নম্বর বুথে এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে অসন্তোষের ছবি। আজই বিয়ে হওয়ার কথা ছিল আনোয়ার হোসেনের। পাত্রীর বাড়ি হাওড়ায়। কিন্তু সেই আনন্দের দিনে বিপত্তি নিয়ে এলো এস আই আর শুনানি। বিয়ের মন্ডপের বদলে বরকে হাজির হতে হলো শুনানি কেন্দ্র। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আনোয়ার হোসেন সহ ওই বুথের মোট ৩৮ জন ভোটারকে ষাটমনিষা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুনানির জন্য নোটিশ পাঠানো হয়। অভিযোগ, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নামের বানান ভুল ও ‘আন-ম্যাপিং’-এর মতো সাধারণ ত্রুটির কারণেই এই নোটিশ। ফলে বিয়ে করতে যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় নথি হাতে নিয়ে শুনানি কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়াতে বাধ্য হন বর ও তাঁর বরযাত্রীর সদস্যরাও। এই বুথে মোট ভোটার প্রায় ১১০০ জন। তার মধ্যে প্রায় ৫০০ জনের কাছে এসআইআরের নোটিশ পৌঁছেছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে , এত বড় সংখ্যক ভোটারের তথ্য যদি ভুল থাকে, তবে প্রাথমিক যাচাই প্রক্রিয়া কোথায়?ভোটারদের অভিযোগ, এসআইআরের নামে অযথা হেনস্থা করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষ। কেউ দিনমজুরের কাজ করে কেউ আবার কারখানায় যায়। কঠিন রোগে আক্রান্ত বয়সের ভারে নুইয়ে পড়েছে এমন সব মানুষদের ও শুনানি কেন্দ্রে হাজির হতে হচ্ছে। যা ঘিরে কার্যত হেনস্থার মুখে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তবু হাজিরা দিতে না এলে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা পিছু ছাড়ছে না। তাইতো উপায় না পেয়ে বিয়ের দিন বরের বেশে সুনানি কেন্দ্রে হাজির হলেন আনোয়ার হোসেন। শুনানি কেন্দ্রে পৌঁছে? খুব উগরে দেন আনোয়ার। তাঁর কথায়, ‘আজ আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। অথচ বিয়ের আগে এখানে ছুটে আসতে হল। এটা কি প্রশাসনের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নয়?’ ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে যে প্রক্রিয়া চলছে, তা কি সত্যিই স্বচ্ছ! নাকি আমজনতার ভোগান্তির নতুন নাম হয়ে উঠছে এসআইআর? এখন একাধিক মহলে এই প্রশ্ন গুলিই ঘুরে ফিরে আসছে।

Read More

বাম কংগ্রেস আমলে জোটেনি রাস্তা! শেষ মেষ ‘পথশ্রী প্রকল্পে’ আশার আলো

উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহাকুমার নিমদরিয়া কোদালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তিনটি সংযুক্ত রাস্তার স্থলে শিলার ন্যাস। ৩টি রাস্তা নতুন করে তৈরীর শুভ সূচনা হলো। এরমধ্যে দুটি রাস্তা স্বাধীনতার পর প্রথম পিচের রাস্তা তৈরি হচ্ছে। আর একটি কোন এক সময় পিচের রাস্তা তৈরি হয়েছিল কিন্তু সেই রাস্তা বাম আমল থেকে বেহাল দশা। এবার পথশ্রী প্রকল্পের অর্থ এবং জেলা পরিষদের অর্থ দিয়ে তৈরি হচ্ছে এই তিনটি রাস্তা। বহু দিনের দাবি পূরণ হতে দেখে আনন্দে ভাসছে বাসিন্দারা।এই তিনটি রাস্তা প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরত্ব। তার জন্য মোট ৩ কোটি অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। এলাকার মানুষের এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি, এই রাস্তা তিনটি এলাকার সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। এই রাস্তার উপর সরাসরি ১৯টি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ নির্ভরশীল। পরোক্ষভাবে আরও কুড়িটি গ্রামের মানুষ এই রাস্তার উপর নির্ভরশীল। এই রাস্তা দিয়েই প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে । স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে অসুস্থ রোগীদের এই রাস্তাই ভরসা । হাসপাতাল , স্কুল, কলেজ , থানা থেকে আদালত এমনকি রেল স্টেশন সমস্ত কিছুর মূল রাস্তা। বিগত দিনে রাস্তার এমনই বেহাল দশা ছিল বর্ষাকাল তো দূর এমনি সময়ও পথ দিয়ে হাঁটা কার যত অসম্ভব। প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা লেগেই থাকে এই রাস্তায় । এলাকার মানুষ বহুবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে বিধায়ককে জানিয়েছে। এই প্রথম সুরাহার স্বাস।অবশেষে সেই ৩ টি রাস্তার একসাথে শুভ সূচনা হলো । আর এতে খুশি এলাকার মানুষ। আনন্দে এলাকার মানুষজনের কথায়, বামফ্রন্ট আমলের দরবার করে রাস্তা পায়নি , স্বাধীনতার পর পথশ্রী প্রকল্পের বড় রাস্তা শিলার ন্যাস।

Read More

চোখের নিমেষে আনন্দপুর পুড়ে ছাই, ২৪ ঘণ্টা পরেও নেভেনি আগুন!

মোমো তৈরির কারখানা এবং ডেকরেটার্সের গোডাউনের বিধ্বংসী আগুন লাগে। আগুনের ভয়াবহতায় ৮ জনের মৃত্যুর খবর সামনে আসছে। পরিস্থিতি যা তাতে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা। সূত্রের খবর, রবিবার গভীর রাতে আগুন কারখানায় আগুন লেগে যায়। ওই সময় সেখানে প্রায় ৩০-৩৭ জন উপস্থিত ছিল। এখনও উদ্ধার কার্য জারি রয়েছে। সোমবার দিনভর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে রীতিমতো হিমশিম খেয়েছেন দমকলকর্মীরা৷ আশঙ্কার বিষয় ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও দমকল আগুন নেভানোর কাজ চালাচ্ছে। আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করল পুলিশ। নরেন্দ্রপুর থানায় এখনও পর্যন্ত ৮ জনের নামে মিসিং ডায়েরি করা হয়েছে। পুলিশের আশঙ্কা, নিখোঁজের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, যা ৩০ ছাড়াতে পারে বলে দাবি বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্দার। নিখোঁজ ও মৃতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কায় উৎকণ্ঠা চরমে। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকলের কাজ চলছে। প্রিয়জনের খোঁজে রাতভর ঘটনাস্থলে অপেক্ষায় রয়েছেন পরিজনেরা। রাতে ঘটনাস্থলে যান সোনারপুরের বিডিও শিঞ্জিনী সেনগুপ্ত। বারুইপুরের মহকুমাশাসক চিত্রদীপ সেন এবং ময়নার বিধায়ক অশোক দিন্দা। তাঁর এলাকায় বসবাসকারী একাধিক ব্যক্তিকে নিয়ে গভীর রাতে নরেন্দ্রপুর থানায় মিসিং ডায়েরি দায়ের করা হয়। এই ঘটনায় অগ্নিদগ্ধদের আজই ময়নাতদন্ত করা হবে। মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থলে যান দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু৷ তিনি সেখানে গিয়ে বিজেপির বিক্ষোভের মুখে পড়েন৷ পরিস্থিতির দিকে সর্বক্ষণ নজর রেখেছে পুলিশ। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার কাজ চলছে।

Read More