আবারও তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

আবারও তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১৬ এপ্রিল:পশ্চিমবঙ্গ দিবস উৎযাপনকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল।মালদার মানিকচকের রাজ্য সড়কের দুই প্রান্তে মানিকচক ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস ও মালদহ জেলা যুব তৃণমূলের অনুষ্ঠান ঘিরে বিভ্রান্তিতে মানিকচকের তৃণমূল কর্মীরা। আর এই কর্মসূচির আয়োজন করাই জেলা যুব তৃণমূল সভাপতিকে পাগল বলে কটাক্ষ দলীয় বিধায়িকার।দলীয় নির্দেশ মত সমস্ত ব্লকে আয়োজিত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ দিবস।ব্যাতিক্রম নেই মানিকচকেও,তবে চিত্রটা একটু আলাদা।মঙ্গলবার মানিকচক ব্লক কমিউনিটি হলে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ও তার ঠিক উল্টো দিকে এক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মালদহ জেলা যুব তৃণমূলের উদ্যোগে আয়োজিত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ দিবস।প্রথম অনুষ্ঠানে উপস্থিত মানিকচকের বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র, ব্লক তৃণমূল সভাপতি ডাঃ মাহফুজুর রহমান সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতৃত্ব।এদিন পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় তৃণমূল নেতৃত্বের পক্ষ থেকে। অনুষ্ঠানের সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন।অন্যদিকে,দ্বিতীয় অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি বিশ্বজিৎ মন্ডল সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতৃত্বরা।এখানেও এদিন পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে কচিকাঁচাদের নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সংবর্ধনা দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল।আর এই দুই অনুষ্ঠানকে ঘিরেই তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে।একই ব্লকে একই সময় রাস্তার এপার ওপারে অনুষ্ঠান ঘিরে বিভ্রান্তিতে পড়েছেন মানিকচকের তৃণমূল কর্মীরা। এবিষয়ে মানিকচকের বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র বলেন,রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশে মানিকচকে একটি অনুষ্ঠান হচ্ছে।আর কে কোথায় কী করছে তা আমার জানা নেই বা জেলা নেতৃত্বও জানে না।উনি জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি জেলায় কর্মসূচি না করে এখানে কেনো করছেন।উনি একজন পাগল।খায় না মাথায় দেয় কেউ জানে না।চোটে লাল তিনি। অন্যদিকে মালদহ জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিৎ মন্ডল বলেন,যুব কর্মীদের সুবিধার্থে রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্বের নির্দেশে মানিকচকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করেছি।বিধায়ক বৈজষ্ঠ ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি উনাকে শ্রদ্ধা করি। আমার সম্বন্ধে কি বলেছে তা আমার জানা নেই। তিনি আমার নেত্রী। আমাদের মধ্যে কোন অন্তর্দ্বন্দ্ব নেই।

Read More

রানাঘাটে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

রানাঘাটে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১৫ এপ্রিল:রানাঘাট থানার হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কলাবাগান এলাকায় গতকাল গভীর রাতে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে এক প্রতিবন্ধী তৃণমূল কর্মী মানিক ঘোষের চায়ের দোকানে আগুন লাগানোর অভিযোগ তৃণমূলেরই এক অংশের বিরুদ্ধে।এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। এই ঘটনা নিয়ে রানাঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। আগুন লাগার খবর পেয়েই রাতেই ঘটনাস্থলে এসেছিল রানাঘাট থানার পুলিশ।এই। আগুন লাগার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রতিবন্ধী মানিক ঘোষ। মানিক ঘোষের অভিযোগ এর আগেও তার দোকানে একাধিকবার ভাঙচুর চালানো হয়েছিল। তখন তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও সেই সময় পুলিশ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলেই অভিযোগ মানিক ঘোষের। এবারও তিনি রানাঘাট থানায় বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে রানাঘাট থানার পুলিশ।বর্তমানে দোকান পুড়ে যাওয়ার ঘটনার পরই আগামী দিন কিভাবে তার চলবে সেই চিন্তায় দিন কাটছে প্রতিবন্ধী মানিক ঘোষের। শুধুমাত্র রাজনৈতিক হিংসার কারণেই তিনি আজ সর্বস্ব হারিয়েছেন।

Read More

বচসার জেরে এক গৃহবধুর ঘরে ঢুকে গৃহবধুর পেটে লাথি মারলো স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী

বচসার জেরে এক গৃহবধুর ঘরে ঢুকে গৃহবধুর পেটে লাথি মারলো স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১৫ এপ্রিল:আবারো নারী নিরাপত্তা বা নারী সুরক্ষা প্রশ্নচিহ্নের মুখে? প্রকাশ্যে মদ্যপ অবস্থায় তৃণমূল কর্মীর লাথির আঘাতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পরলো এক গৃহবধূ।ঘটনার সূত্রপাত রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ব্রাশ করছিলেন কণিকা ঘোষ।সেই সময় মদ্যপ অবস্থায় দীপ্ত ঘোষ নামে ওই তৃণমূল কর্মী কণিকা ঘোষকে ধাক্কা মারে। এরপর শুরু হয় বচসা। কিছুক্ষণের মধ্যে সেই বচসা মিটে গেলেও, পরবর্তী কিছুক্ষনের মধ্যেই লাঠি হাতে এসে কণিকা ঘোষের বাড়িতে চড়াও হয় দীপ্ত ঘোষ নামে ওই ব্যক্তি,এমনই অভিযোগ করেন কণিকা ঘোষে।এরপর দীপ্ত ঘোষ লাঠি নিয়ে প্রথমে কণিকা ঘোষকে মারধর করে এরপর ঘরের মধ্যে জোরপূর্বক প্রবেশ করে এবং ঘরের মধ্যে ছিল কণিকা ঘোষের বৌমা। এরপর কনিকা ঘোষের বৌমার উপর লাঠি নিয়ে চড়াও হয় মারধর করে এবং পেটে লাথি মারে। চিৎকার চেঁচামেচি হতেই প্রতিবেশীরা ছুটে আসতেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত দীপ্ত ঘোষ। এই দীপ্ত ঘোষ এলাকায় তৃণমূল কর্মী নামেই পরিচিত।এরপর ওই গৃহবধূর পেটে যন্ত্রণা শুরু হয় এবং অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর ঘটনার স্থল থেকে একটি টোটো করে তাদেরকে চিকিৎসার জন্য রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে ওই গৃহবধূ রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ওই গৃহবধূর শাশুড়ি কণিকা ঘোষ একটু সুস্থ বোধ করতেই তিনি রানাঘাট থানার দ্বারস্থ হন এবং লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে রানাঘাট থানার পুলিশ। প্রকাশ্যে তৃণমূল কর্মীর মদ্যপ অবস্থায় দাদাগিরি ও মারধরের ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। যদিও এই বিষয় নিয়ে অভিযুক্তর বাড়ি গেলে অভিযুক্তকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত দীপ্ত ঘোষ এলাকা ছেড়ে পলাতক। এই ঘটনা সবার মনে একটাই প্রশ্ন তুলছে নারীদের সুরক্ষা তাহলে কোথায়?

Read More

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আবারও প্রকাশ্যে

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আবারও প্রকাশ্যে ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১০ এপ্রিল:এ যেন তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে।এই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই সমস্যায় স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনা সূত্রপাত ওপেন টেন্ডারকে কেন্দ্র করে।ঘটনাটি রানাঘাট থানার হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের। হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে স্বজল ধারা প্রকল্পের কাজের ওপেন টেন্ডার এর মাধ্যমে ওই পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যের স্বামী দেব প্রসাদ বিশ্বাস, তার স্ত্রীর নামে টেন্ডারের আবেদন করে। বর্তমানে তার স্ত্রী ওই পঞ্চায়েতেরই তৃণমূল সদস্য। তবে সেই স্বজল ধারা প্রকল্পের টেন্ডার পাইনি হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী বিনোদ ঘোষ। বর্তমানে এই স্বজল ধারা প্রকল্পের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠছে হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে। কয়েকদিন আগেই হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হবিবপুর হাসপাতাল পাড়াতেই একটি স্বজল ধরা প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। সেই স্বজল ধারা প্রকল্পের কাজ শুরু হতেই জল তোলার পাইপের ভিতরে রাতের অন্ধকারে সিমেন্ট এবং খোয়া মাখিয়ে তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ। আর এই ঘটনার অভিযোগের তীর বর্তমান পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর ও তার বন্ধুর বিরুদ্ধে। যদিও এই ঘটনার একটি কথোপকথনের ফোন রেকর্ডিং ভাইরাল হয়েছে। সেখানে স্পষ্টতো বর্তমান প্রধানের স্বামী ও তার এক বন্ধু জানাচ্ছেন, যে দেবপ্রসাদ ওরফে দেবু যেখানে যেখানে টেন্ডার পেয়েছে সেই কাজ শুরু হলেই পাইপ এর মধ্যে সিমেন্ট ও খোয়া মিশিয়ে তা জ্যাম করে দেওয়ার কথা, স্পষ্টতো শোনা যাচ্ছে। এর পাশাপাশি তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী বিনোদ ঘোষ জানাচ্ছেন যে মুসলিম সম্প্রদায়কে কখনোই উঠতে দেওয়া যাবে না। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানোত্তর। পাশাপাশি পানীয় জলের সমস্যায় পড়েছেন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা। যদি এই স্বজল ধারা প্রকল্পটি চালু হয় তাহলে এলাকার মানুষ পানীয় জল থেকে উপকৃত পাবে। এই ঘটনার পর দেবপ্রসাদ বিশ্বাস হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে এবং প্রশাসনিকভাবে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন। এর পাশাপাশি প্রশাসনিক দপ্তরের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বিনোদ ঘোষ ও তার বন্ধুর বিরুদ্ধে। যদিও এই ঘটনা নিয়ে বিনোদ ঘোষের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, যে কল রেকর্ডিং ভাইরাল হয়েছে তা তাকে ফাঁসানোর জন্যই বানানো হয়েছে। অপরদিকে এই ঘটনা সামনে আসতেই শুরু হয়েছে শাসকবিরোধী রাজনৈতিক তরজা।

Read More

রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের দাবি, দিলীপ ঘোষের

রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের দাবি, দিলীপ ঘোষের ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৯ এপ্রিল:আজ দুর্গাপুরের বিধাননগর সান্টোস ক্লাবের মাঠে মর্নিং ওয়াকে এসে দিলীপ ঘোষ, বলেন সিদ্দিকুল্লা চোধুরীদের মতো সাম্প্রদায়িক লোকদের কাঁধে ভর করে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় এসেছেন, আর তাই নিরুপায় হয়ে এদেরকে মাথায় করে রেখেছেন, দেশদ্রোহীতার আইনে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের দাবি দিলীপ ঘোষের। এইদিন বিধাননগরের মর্নিং ওয়াকে দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ চন্দ্র ঘোড়ুই সহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ অংশ নিয়েছিলেন, আর এখান থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ করেন দিলীপ ঘোষ বলেন,অভিষেক তো বলেছিলেন কপালে নাকি গুলি করতেন, আজ ওনার রক্ত ঠান্ডা হয়ে গেছে, দম থাকে তো মুর্শিদাবাদে গিয়ে গুলি করার কথা বলুন, সিংহাসন টলে যাবে রাস্তায় নেমে আসবে অভিষেক আর সেই ভয়ে উনি চুপ, দুর্গাপুর থেকে অভিষেক কে চ্যালেঞ্জ দিলীপ ঘোষের।

Read More

রামনবমী শোভাযাত্রায় ইজরাইলের পতাকা থাকায় এফ আই আর দায়ের বিধায়কের

রামনবমী শোভাযাত্রায় ইজরাইলের পতাকা থাকায় এফ আই আর দায়ের বিধায়কের ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৮ এপ্রিল:গত ৬ই এপ্রিল হয়ে যাওয়া ভাটপাড়ার রামনবমী শোভাযাত্রায় প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং সহ বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্গু পান্ডের হাতে ইজরায়েলে পতাকা দেখা গিয়েছিলো। আর এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই ব্যাপারে জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম ভাটপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং সহ প্রিয়াঙ্গু পান্ডের বিরুদ্ধে। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম জানান, রামনবমী শোভাযাত্রায় ইজরায়েলের পতাকা হাতে নিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করা উদ্দেশ্য ছিল অর্জুনের বলে দাবি করেন তিনি। তার পাশাপাশি ভারত সহ বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করতে চাইছে। অপরদিকে বিধায়কের বক্তব্যের কথা খারিজ করে দিয়ে প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, ভারতের বন্ধুদেশ ইজরায়েল, সুতরাং প্রকাশ্যে সেই দেশের পতাকা নেওয়া কোন অপরাধ নয়।গোটা বিষয় নিয়ে বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্গু পান্ডে বলেন, ইজরায়েলের পতাকা নিয়ে ঘুরেছি এতে কোন অন্যায় নেই। ফিলিস্তিনের পতাকা নিয়ে ঘুরলে আমরাও ইজরাইলের পতাকা নিয়ে ঘুরবো।

Read More

গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সিলিন্ডার রেখেই বিক্ষোভ তৃণমূলের

গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সিলিন্ডার রেখেই বিক্ষোভ তৃণমূলের ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৮ এপ্রিল:দিনের পর দিন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে নাজেহাল অবস্থা সাধারণ মানুষের। তারপর কেন্দ্রীয় সরকার রান্নার গ্যাসের দাম একধাপে ৫০ টাকা বাড়ানোর ফলে আমজনতার এখন গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মত অবস্থা। মঙ্গলবার রান্নার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আসানসোলের ইসমাইল মোড়ে গ্যাসের সিলিন্ডার রেখে এবং পোস্টার হাতে নিয়ে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব থেকে শুরু করে কর্মী সমর্থকরা।তাঁদের দাবি, “যদি দাম না কমে তবে আগামীদিনে বৃহত্তর আন্দোলনে আমরা নামতে বাধ্য হব”।

Read More

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে চ্যালেঞ্জ উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে চ্যালেঞ্জ উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৫ এপ্রিল:রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ। গতকাল বিজেপি নেতা অজয় রায়ের বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী পোস্ট করে লেখেন ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যাকে দুষ্কৃতী ও গুন্ডা আখ্যা দিয়েছিল সেই উদয়ন গুহর গুন্ডাবাহিনী কোচবিহার জেলার বিজেপি নেতা অজয় রায়ের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারী বলেন ২০২৬-এ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটবে। তার মন্তব্যের পাল্টা জবাবে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, যদি ওর দম থাকে তাহলে 2026 এর ভোটে যেন দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে লড়ে। তারপর জামানত নিয়ে যদি ফিরতে পারে তখন বুঝবো সে সত্যিকারের বিজেপির বড় নেতা। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহর সরাসরি চ্যালেঞ্জ এবার শুভেন্দু অধিকারী কে তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গেল।

Read More

কর্তব্যরত অবস্থায় পৌরসভার সাফাই কর্মীদের উপর মাধরের অভিযোগ সিপিএম নেতার বিরুদ্ধে

কর্তব্যরত অবস্থায় পৌরসভার সাফাই কর্মীদের উপর মাধরের অভিযোগ সিপিএম নেতার বিরুদ্ধে. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,৩১ মার্চ:সরকারি কাজে বাঁধা এবং সরকারি কাজে কর্মরত শ্রমিকদের বেধড়ক মার ও অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগ সিপিআইএম নেতা তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর এর বিরুদ্ধে। ঘটনায় শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের। জানা যায়, শান্তিপুর পৌরসভার ডেঙ্গু প্রতিরোধ দপ্তরের ৫ জন শ্রমিক কে বেধড়ক মারধর এবং প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করে শান্তিপুর পৌরসভার ১১ নং প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা সিপিআইএম নেতা সৌমেন মাহাতো। শুধু মারধরই নয় তার সঙ্গে সরকারি কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে প্রাক্তন কাউন্সিলর এর বিরুদ্ধে। সুপারভাইজার বাসুদেব প্রামানিক এর অভিযোগ, আজ বিকেল পাঁচটা নাগাদ পৌরসভা নির্দেশমতো শান্তিপুর পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের গোভাগার মোড় থেকে ওস্তাগার লেন যাওয়ার রাস্তায় ডেঙ্গু প্রতিরোধের কাজ করছিলেন। সে সময় হঠাৎই প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা সিপিআইএম নেতা সৌমেন মাহাতো কাজ বন্ধ করার হুমকি দিতে শুরু করেন। বারবার বাধা সৃষ্টি করেন কাজ করতে। পরবর্তীতে তার পাঁচ জন কর্মীকে প্রথমে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ এবং পরবর্তীতে বেধড়ক মারধর এবং প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করেন। তারপর ব্লিচিং ভর্তি ঠেলাগাড়ি ঠেলা মেরে রাস্তায় ফেলে দেন। ঘটনায় পাঁচ জন শ্রমিক গুরুতরভাবে আহত হন। তৎক্ষণাৎ এলাকাবাসী ছুটে আসলে অভিযুক্ত সিপিআইএম নেতা সৌমেন মাহাতো সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এরপর এলাকাবাসী আহত পাঁচ শ্রমিককে শান্তিপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই তাদের চিকিৎসা করানো হয়। ঘটনায় ডেঙ্গু প্রতিরোধের সুপারভাইজার বাসুদেব প্রামানিক অভিযুক্ত সিপিআইএম নেতা তথা প্রাক্তন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে শান্তিপুর থানায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং কর্মীদের মারধরের ঘটনায় সঠিক তদন্ত করে অভিযুক্ত সাজা চেয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। যদিও এই ঘটনা সামনে আসার পরই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব সহ শান্তিপুর পৌরসভার কর্তৃপক্ষ।তবে আইনের উপর ভরসা রেখে অভিযুক্ত সাজা হবে বলেই মনে করছেন তৃণমূল নেতৃত্বরা। যদিও মারধরের ঘটনা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা সিপিআইএম নেতা সৌমেন মাহাতো।

Read More

ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সংসদ অর্জুন সিং এর বাড়ির সামনে বোমাবাজি, গুলিবিদ্ধ এক যুবক

ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সংসদ অর্জুন সিং এর বাড়ির সামনে বোমাবাজি, গুলিবিদ্ধ এক যুবক ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,২৬ মার্চ:ফের উত্তপ্ত ভাটপাড়া। বোমা গুলির শব্দে কেপে উঠলো জগৎদলের মজদুর ভবন চত্বর। প্রসঙ্গতই মজদুর ভবনেই থাকেন ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সংসদ তথা বিজেপি নেতা অর্জুন সিং।এর আগেও বারবার মেঘনা মোড় চত্বরে বোমা গুলির ঘটনা ঘটেছে। প্রাক্তন সংসদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে লাগানো হয়েছে একাধিক উন্নতমানের সিসিটিভি ক্যামেরা। তবুও প্রাক্তন সংসদের কার্যালয়ের সামনে পরল একের পর এক বোমা। এমনকি পাঁচ রাউন্ড গুলি চলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে জগদ্দল থানা ও ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের বিশাল পুলিশ বাহিনী গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে। গলি গলিতে ঘুরে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।শুধু তাই নয় বোমাবাজির সময় নিজের কার্যালয়ের নিচে নেমে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন খোদ অর্জুন সিং নিজেও। ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপি নেতা অর্জুন সিং এর অভিযোগ আচমকা তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বোমা এবং গুলি চালায়। তিনি ভাটপাড়া পৌরসভার পৌর মাতা সুনিতা সিংয়ের পুত্র তথা যুব তৃণমূল নেতা নমিত সিং এর নাম করে গুলি চালানোর অভিযোগ করেন।তিনি বলেন আমি সবাইকে চিনি না। কারা হঠাৎ বোমা গুলি চালাতে শুরু করল সেটা বুঝতে পারছি না। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তবে অমিত সিং ঘনিষ্ঠ সাদ্দাম নামক এক যুবককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতাল পরবর্তী সময়ে কলকাতা এক বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তবে হঠাৎ কি কারণে পরিস্থিতি এতটা উত্তপ্ত হয়ে উঠলো সেই বিষয়ে জোর তল্লাশিতে নেমেছে জগদল থানা ও ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট।

Read More