মুখ্যমন্ত্রীর লন্ডন সফরকে কটাক্ষ করলেন দিলীপ ঘোষ

মুখ্যমন্ত্রীর লন্ডন সফরকে কটাক্ষ করলেন দিলীপ ঘোষ ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,২৬ মার্চ: নদীয়ার কৃষ্ণনগরে এলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। এদিন নদীয়ার কৃষ্ণনগর গভমেন্ট কলেজ মাঠে সকালবেলায় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে প্রাতঃ ভ্রমনে অংশগ্রহণ করলেন তিনি।পরবর্তীতে কৃষ্ণনগর সদর হাসপাতালের মোড়ে চায়ে পে চর্চা করেন কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে। এদিন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ইফতার পার্টি প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য যারা ইফতার করছে তারা করুক,হিন্দুরা মহাকুম্ভে যাচ্ছে, তবে ইফতার নিয়ে রাজনীতি না করাই ভালো অপরদিকে মেকি মুসলমান থেকে সাবধান হওয়া উচিত। অপরদিকে হুমায়ুন কবিরের প্রসঙ্গ তে কথা বলতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ জানান, দিলীপ ঘোষের কাউকে প্রয়োজন হয় না তার সঙ্গে তার দলের কর্মী-সমর্থকরা রয়েছে তবে হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব আছে আর থাকবে সে তিনি আমাকে যতই গালাগালি দিক। মুখ্যমন্ত্রী লন্ডন সফর সম্পর্কে কটাক্ষ দিলীপের জানালেন, বাংলায় খুব চাপ সেই আরজি কর থেকে আজ পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে সে কারণে বাইরে গেলে মনটা ফুরফুরে হয় উনি গিয়েছেন মনটা ফুরফুরে করতে। গত ১৫ বছর ধরে বাংলায় কোনরকম উন্নয়ন নেই তবে তিনি লন্ডনে গিয়ে বাংলায় লগ্নী করতে বলছেন শিল্পপতিদের। পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশ হয়ে যাচ্ছে।

Read More

সংসদে দেখানো হবে ‘ছাবা’থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহসহ সিনেমার কলাকুশলীরা

Read More

ডাম্পিং গ্রাউন্ড নিয়ে পুরকমিশনারকে ডেপুটেশন দিতে এসে পুলিশের সঙ্গে বিজেপির ধস্তাধস্তি.

ডাম্পিং গ্রাউন্ড নিয়ে পুরকমিশনারকে ডেপুটেশন দিতে এসে পুলিশের সঙ্গে বিজেপির ধস্তাধস্তি. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,২৪ মার্চ:শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৪২নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত ডাম্পিং গ্রাউন্ড সেই ডাম্পিং গ্রাউন্ডে বিগত কয়েকদিন ধরে জ্বলছে আগুন যার ফলে শহর জুড়ে ধোঁয়া ও গন্ধে সমস্যায় সেই এলাকার বাসিন্দারা।ডাম্পিং গ্রাউন্ডকে সেখান থেকে সরাতে হবে এই দাবিতে সোমবার ডাবগ্রাম ফুলবাড়ীর বিজেপি বিধায়িকা শিখা চ্যাটার্জি পুরকমিশনারকে ডেপুটেশন দিতে আসলে পুরনিগমের সামনে মোতায়ন করা পুলিশ বাহিনী ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দেওয়ায় ব্যারিকেট নিয়ে পুলিশ ও বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। পরবর্তীতে বিধায়ক ও বিজেপি সদস্যরা পুরনিগমের সামনে রাস্তায় বসে বিক্ষোভে সামিল হয়।পরবর্তীতে শিখা চ্যাটার্জি ও ৬জনের প্রতিনিধির দল পুরকমিশনারের কাছে তাদের দাবি সম্মিলিত স্মারকলিপি তুলে দেয়।

Read More

জেলা তৃণমূল কোর কমিটির বৈঠক হল অনুব্রত ছাড়াই

জেলা তৃণমূল কোর কমিটির বৈঠক হল অনুব্রত ছাড়াই ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,২২ মার্চ:চেয়ারম্যান অনুব্রত মণ্ডল ছাড়াই জেলা তৃণমূল কোর কমিটির বৈঠক হয়ে গেল বোলপুরে জেলার প্রধান তৃণমূল কার্যালয়ে। কাজলের জন্য কৌশলে বৈঠক এড়িয়ে গেলেন অনুব্রত? অনেকটাই সেই ইঙ্গিত দিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি ফাইজুল হক।মানতে নারাজ কোর কমিটির আয়বায়ক বিকাশ। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় ইনডোর স্টেডিয়াম থেকে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রতকে নির্দেশ দিয়েছিলেন কাজলকে কনফিডেন্সে নিয়ে মিটিং করতে হবে।সেই কাজল শেখ জেলা তৃণমূল কোর কমিটির বৈঠক হচ্ছে না অভিযোগ করেছিলেন। দীর্ঘ দুমাস পর কাজল শেখের অভিযোগের ভিত্তিতে এদিন বোলপুরে বীরভূম জেলার তৃণমূলের প্রধান দলীয় কার্যালয়ে বৈঠক হয়ে গেল কোর কমিটির।কোর কমিটির বৈঠকে গরহাজির বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল, কোর কমিটির আরো এক সদস্য সুদীপ্ত ঘোষ, একদা কেষ্ট মন্ডলের ঘনিষ্ঠ। জেলা তৃণমূল কোর কমিটির আহ্বায়ক বিকাশ রায় চৌধুরী বলেন, অনুব্রত মণ্ডলের অনুমতিতে কোর কমিটির বৈঠক হলো। সুদীপ্ত অসুস্থ। তাই আসতে পারেনি। শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশের কথা মাথায় রেখে জেলার দলীয় সংগঠন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী ১৯ শে এপ্রিল সিউড়িতে পরবর্তী কোর কমিটির মিটিং বসবে। কাজল শেখ বলেন, আমি জানি দেওচা নিয়ে কলকাতায় বৈঠক চলছে। যেখানে উপস্থিত আছেন জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা, সামিরুল, পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান। অনুব্রত মণ্ডল কেন এলো না ? জানিনা! কেষ্ট-কাজল দ্বন্দ্ব বীরভূমের রাঙ্গামাটির জেলা কারোরই অজানা নই। কাজলের জন্যই কি সুকৌশলে বৈঠক এড়ালেন অনুব্রত? এটা এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে।

Read More

পানিহাটির কাউন্সিলর অনুপম দত্ত খুনে,নেপথ্যে কি তবে বিধায়কের জামাই ?উঠছে প্রশ্ন?

পানিহাটির কাউন্সিলর অনুপম দত্ত খুনে,নেপথ্যে কি তবে বিধায়কের জামাই ?উঠছে প্রশ্ন? ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১৯ মার্চ: পানিহাটির চেয়ারম্যান বদল প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বিজেপি নেতা তথা বারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং টেনে আনেন অনুপম প্রসঙ্গ, বলেন চেয়ারম্যান বদল নিয়ে নির্মল ঘোষ অনেক আগেই বিদ্রোহ করতেন যদি না তার জামাই অনুপম খুনে জড়িত থাকতো, বিধায়ক নির্মল ঘোষ কে এই বলে ভয় দেখিয়ে রাখা হয়েছেআর তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে? তবে পানিহাটির কাউন্সিলর খুনের নেপোথ্যে কি বিধায়ক এর জামাই? যদিও এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অনুপম দত্তের স্ত্রী মীনাক্ষী দেবী জানান,অর্জুন সিং যতটুকু জানে তার প্রশাসন কে জানানো উচিৎ,প্রশাসন কে বললে অনেকটা সাহায্য হয় প্রশাসন এর এই বিষয়ে তদন্ত করতে।এবং অর্জুন সিং যে বিবৃতি দিয়েছে তার ভিত্তিতে প্রশাসন এর ও উচিৎ অর্জুন সিং কে প্রশ্ন করা।সরাসরি কিছু না বললেও তবে কি তিনিও চাইছেন মন থেকে তার স্বামী অনুপমের আসল খুনিরা সামনে আসুক?

Read More

২৮ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ইন্তেখাব আলমকে রাস্তায় ফেলে মারধর,এমনকি খুনের হুমকি

২৮ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ইন্তেখাব আলমকে রাস্তায় ফেলে মারধর,এমনকি খুনের হুমকি ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১৮ মার্চ: পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান পৌরসভার অন্তর্গত ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ইনতেকাব আলমকে রাস্তার মধ্যে মারধর এবং খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার দুই যুবক, সূত্রের খবর বারবার কাউন্সিলর সেই দুই যুবককে পাটির সমস্ত কাজে ব্যবহার করত সেই যুবক তাদের সঙ্গে থেকে কাজ করত কিন্তু কোন সুযোগ সুবিধা কাউন্সিলর পাইয়ে দেয়নি। তাই তারা রাস্তায় কাউন্সিলরকে চড় থাপ্পড় মারে। কাউন্সিলর কে মারধর করার কারণে বর্ধমান পৌরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ইনতেকাব আলাম এ বিষয়ে বর্ধমান সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার দাবি, ১৬ তারিখ সকাল ৯টা নাগাদ তিনি তার ওয়ার্ডের ভেরি খানা মোর এলাকার দাঁড়িয়ে ছিলেন. হটাৎ দুই যুবক মদ্যপ অবস্থায় এসে তার ওপর হামলা চালায়, শুধু তাই নয় তাকে রাস্তায় ফেলে মারধর করে খুনের হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন বর্ধমান পৌরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। এই বিষয়ে বর্ধমান থানার পুলিশকে জানানো হলে তৎক্ষণাৎ পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন, কিন্তু ততক্ষণে অভিযুক্ত যুবকরা ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। পরবর্তীতে পুলিশ অভিযুক্ত সেই দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে, ১৭ তারিখ সকালে নির্দিষ্ট মামলা রুজু করে অভিযুক্তদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। যদিও এই বিষয়ে কাউন্সিলর এর কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।বহুবার তার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন তোলেননি।

Read More

বিধান নগরে একাধিক জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে হিন্দুত্ব নিয়ে পোস্টার

বিধান নগরে একাধিক জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে হিন্দুত্ব নিয়ে পোস্টার ওয়েব ডেস্ক উত্তরের কলম,১৮ মার্চ:বিধান নগরের বিকাশ ভবনের উল্টোদিকে এবং করুণাময়ী মোড়ে একাধিক জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের আইটি ও সোশ্যাল মিডিয়ার শাখার পক্ষ থেকে একাধিক পোস্টার। পোস্টগুলোতে লেখা রয়েছে,“হিন্দু যদি ভাই ভাই গ্যাসে কেন ছাড় নাই “,“হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই আধার লিংকে ফাইন খাই”,“হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই কিন্তু বাঙালি পূর্ণ মন্ত্রী নাই”, “হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই তবু তেলের দামে লোটা চাই “।মঙ্গলবার সকালে বিকাশ ভবনের মেইন গেটের উল্টোদিকে এবং করুনাময় মোড়ে এইরকম পোস্টার দেখা যায়।পোস্টারের তলায় পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস আইটি ও সোশ্যাল মিডিয়া শাখা লেখা রয়েছে।প্রশ্নগুলি কখন লাগানো হয়েছে সে বিষয়ে জানা যায়নি এখনো।

Read More

মোহনপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে

মোহনপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১৮ মার্চ:পশ্চিম মেদিনীপুর মোহনপুরে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল।অভিযোগ বিধায়ক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কমগ্রেসের হোল টাইমার কে তুলে নিয়ে বেধড়ক মারধর প্রাক্তন ব্লক তৃণমূলের সভাপতির বিরুদ্ধে।গুরুতর আহত অবস্থায় বিধায়ক ঘনিষ্ঠ ভর্তি এগরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে।মঙ্গলবার রাতে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মোহনপুর বাগদা হাসপাতাল মোড়ে তৃণমূল হোল টাইমার সফিকুল আলমের উপর আক্রমণ চালায় অপর গোষ্ঠীর তৃণমূলকর্মীরা।তাঁকে লাঠি দিয়ে মারে এমনকি কিল চড় ঘুসি মারতে থাকে তাতে হাতে মাথায় ও আঙ্গুল ভেঙে যায়।গুরুতর আহত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সফিকুল আলম।স্থানীয়রা দেখতে উদ্ধার করে মোহনপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়।পরে এগরা সুপার হাসপাতালে রেফার করা হয়। প্রসঙ্গত ১ মাস আগে মোহনপুর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মানিক মাইতিকে সরিয়ে বিধায়ক বিক্রম প্রধানকে এই ব্লকের দায়িত্ব দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মোহনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত মেম্বার রেশমা আলমের স্বামী সফিকুল আলমের বাড়িতে বিধায়কের কার্যালয় খোলা হয়।সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই আক্রমণ বলে অভিযোগ করছেন বিধায়ক গোষ্ঠী।জানা গেছে,প্রাক্তন ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মানিক মাইতির নেতৃত্বে মসি খান নামের দুষ্কৃতিকে দিয়ে এই আক্রমণ চালানো হয় বলেই অভিযোগ করেন আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী সফিকুল আলম।এই ঘটনায় এলাকায় তৈরি হয়েছে চাপা উত্তেজনা।

Read More

বিষ্ণুপুরে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

বিষ্ণুপুরে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১৭ মার্চ: বিষ্ণুপুরে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ প্রকাশ্যে, বিজেপির মন্ডল সভাপতির বুথেই, “মন্ডল সভাপতি মানছি না মানবো না” দাবি জানিয়ে বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা কর্মীদের প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বৈঠক ও বিক্ষোভ কর্মসূচি। ফেব্রুয়ারির ১৬ তারিখে বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির বিভিন্ন মন্ডল সভাপতি নাম ঘোষণা হয়েছে। কেন্দ্র বিজেপির নেতৃত্বে সক্রিয় বিজেপি কর্মীদের ভোটাভুটির মধ্য দিয়ে মন্ডল সভাপতি নির্বাচন হয়েছে এবছর প্রথমবার।এই নির্বাচনের পর থেকেই মন্ডল সভাপতিদের নিয়ে অসন্তোষ বেড়েছে বিজেপির অন্দরে। নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। মন্ডল সভাপতি লিস্ট ঘোষণার পরের দিনেই বিষ্ণুপুর মণ্ডল-4 সভাপতি এর বিরুদ্ধে “মানছি না মানবো না” পোস্টার পড়েছিল বিষ্ণুপুরে। এবার পোস্টার নয়, প্লাকার্ড হাতে নিয়ে রীতিমতো বৈঠক করে বিষ্ণুপুর মন্ডল-1 সভাপতির নিজের বুথ অর্থাৎ বিষ্ণুপুর মন্ডল-1 এর ধরমপুর বুথে বিপুল সংখ্যক বিজেপি নেতা ও কর্মী সমর্থক একজোট হয়ে হয়ে মন্ডল-1 সভাপতি “অরিজিৎ মন্ডলকে কে মানছি না মানবো না” দাবি জানিয়ে তুমুল বিক্ষোভ দেখালো বিক্ষুপ্ত বিজেপি নেতা ও কর্মী সমর্থকেরা। স্বাভাবিকভাবেই বিক্ষুব্ধ বিজেপিদের এই মন্ডল সভাপতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভে তাদের নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতাদের দাবি, বর্তমানে যিনি মন্ডল-1 সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে তিনি তৃণমূলের সঙ্গে সেটিং করে রাজনীতি করে। দলীয় কর্মীদের কোন সম্মান দিতে জানে না। বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট করেছে সে। এই বিজেপি মন্ডল সভাপতি সংগঠনকে নষ্ট করার চেষ্টা করছে তাই তাদের এই বিক্ষোভ। এবং দাবি অবিলম্বে যাতে দল এই মন্ডল সভাপতি কে সরিয়ে অন্য কোন স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মন্ডল সভাপতি কে আনা হয়। মন্ডল সভাপতির দাবী, দলের এক্টিভ মেম্বাররা ভোট দিয়ে তাকে মন্ডল সভাপতি করেছে। বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতাদের উদ্দেশ্যে মন্ডল সভাপতি বলেন কিছু মানুষ পদের জন্য এই ধরনের কাজ করে।বিজেপির জেলা নেতৃত্বের দাবি, বিজেপি বৃহত্তর পরিবার বড় পরিবার থাকলে ছোটখাটো অশান্তি হয়। এটা তাদের অন্দরের বিষয়। সভাপতি নির্বাচনে কোনরকম ভুল ত্রুটি হয়নি স্বচ্ছ ভোটাভুটির মধ্য দিয়েই সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে।কটাক্ষ তৃণমূলের বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ সারা বছরই লেগে থাকে বিষ্ণুপুরে। ২৬ শে নির্বাচনের আগে নিজেরাই মারামারি করে বিজেপির অস্তিত্ব হারিয়ে যাবে।

Read More