আধুনিকতার ছোঁয়ায় হালখাতার প্রচলন এখন অতীত, বিক্রি নেই,সমস্যায় ব্যবসায়ীরা

আধুনিকতার ছোঁয়ায় হালখাতার প্রচলন এখন অতীত, বিক্রি নেই,সমস্যায় ব্যবসায়ীরা ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম, ১৪এপ্রিল: রাত পোহালেই পয়লাবৈশাখ আর পয়লা বৈশাখে সমস্ত ব্যবসায়ীরা তথা ছোট বড়ো দোকানদারেরা হালখাতা শুরু করেন| সেই খাতাই পয়লা বৈশাখের দিন পুজো করে সারা বছরের হিসাব রাখা হয়।তবে বর্তমানে সেই হাল খাতার আর তেমন বিক্রি নেই।এই বিষয়ে হাল খাতা বিক্রেতা দুলাল ভদ্র জানান, সবকিছুরই পরিবর্তন হয়েছে এসেছে আধুনিকতার ছোঁয়া এখন কম্পিউটারেই থাকছে আয় ব্যয় এর হিসাব।তাই হাল খাতার বিক্রি কমে গেছে।তবুও কয়েকজন এখনও নিয়ম রক্ষায় চালু রেখেছে হাল খাতা।একটা সময় ছিল হাল খাতার প্রচুর বিক্রি হতো।এখন সে সব অতীত।যদিও ব্যাবসায়ী তরণী মোদক বলেন, আমরা গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ী তাই প্রতি বছর হাল খাতা নিয়ে থাকি।

Read More

পরিকাঠামো থাকলেও শিক্ষকের অভাবে তালা পড়ল স্কুলে

পরিকাঠামো থাকলেও শিক্ষকের অভাবে তালা পড়ল স্কুলে ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১৩ এপ্রিল: পাকা স্কুল বাড়ি বড় স্কুলের মাঠ পানীয় জলের কল মিড ডে মিল রান্নাঘর বসে খাওয়ার ব্যবস্থা ইলেকট্রিক পাখা পঠন পাঠনের জন্য যা যা প্রয়োজন সবটাই আছে।কেবল শিক্ষক আর ছাত্র নেই তাই স্কুল ঘর এখন তালা মেরে বন্ধ রেখে দিয়েছে। এমনটাই ছবি দেখা গেল দক্ষিণ ২৪ পরগনা ডায়মন্ড হারবার এক নম্বর ব্লকের পূর্ব গোবিন্দপুর জুনিয়র হাই স্কুলে। ২০১১ সালে এই হাই স্কুল তৈরি হয় তখন এই এলাকার বিভিন্ন গ্রাম থেকে ছাত্র-ছাত্রী এই স্কুলে গমগম করত একাধিক মাস্টারমশাইও ছিল এখন যেন সব অতীত ধীরে ধীরে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কমতে কমতে একেবারেই তলানিতে ঠেকেছে। কেবল একজন শিক্ষক আছেন তিনি মাঝেমধ্যে আসেন না হলে স্কুলে তালা অবস্থায় পড়ে থাকে পাশে একটি প্রাইমারি স্কুল থাকলেও পাশে জুনিয়র হাই স্কুলটি বন্ধ পড়ে রয়েছে, শিক্ষার আলো আরো আলোকিত করার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়েছিল এই স্কুল ঘরটি। গ্রামের মানুষ অভিভাবক থেকে শুরু করে তারা চায় স্কুলটি পুনরায় চালু হোক।। স্থানীয় শিক্ষক ও পঞ্চায়েত সদস্য বিষয়টি জেনেও কিছু করার নেই বলে জানিয়ে দেন। কারণ শিক্ষকের অভাব থাকার কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলে ভর্তি করত না ডায়মন্ড হারবার শহরের বিভিন্ন স্কুলে তাদেরকে ভর্তি করা হয় বলে এমনটাই জানা যায়। তবে যে উদ্দেশ্যে স্কুলটি তৈরি করা হয়েছিল শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য, গ্রামের মানুষদের চেষ্টায় স্কুলটি তৈরি হয়েছিল তা আজ কেবল অতীত হয়ে গিয়ে ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হচ্ছে। এভাবে একের পর এক ছাত্র-ছাত্রী বা শিক্ষকের অভাবে বিদ্যালয় গুলি যদি বন্ধ হয়ে যায় আগামী দিনে শিক্ষার ঘোর অন্ধকার হয়ে আসছে বলে মনে করছেন শিক্ষা মহল।

Read More

ছয় বছরের শিশুকে খুন করে পুকুরে পুঁতে দিল তার পিসতুতো দাদা.

ছয় বছরের শিশুকে খুন করে পুকুরে পুঁতে দিল তার পিসতুতো দাদা. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১৩ এপ্রিল:উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার হাসনাবাদ থানার হাসনাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের রামেশ্বরপুর মনোহরপুর গ্রামে ছয় বছরের শিশুকে খুন করে পুকুরে পুঁতে দিল তার দাদা। বছর ছয়ের সায়মা খাতুন প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী। গতকাল শনিবার পিসির বাড়ি যাওয়ার নাম করে ডেকে নিয়ে যায় পিসির ছেলে বছর ১৪ অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র আরিফ গাজী। তারপর থেকেই আর তার খোঁজ পাওয়া যায় না ওই ছাত্রীর বাবা-মা সহ পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করলেও পাওয়া যায়নি তাকে। আর তখনই সন্দেহ হয় সম্পর্কে দাদা আরিফের উপর। হাসনাবাদ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে প্রতিমা আরিফকে আটক করে জিজ্ঞাসা বাদ করলে পুলিশের জেরায় সেই স্বীকার করে বাড়িতে কেউ ছিল না সেই সুযোগে ওই ছাত্রীকে খুন করে বাড়ির পিছনে পুকুরে পুঁতে দেয় বলে অভিযোগ। পুলিশ গিয়ে পুকুর থেকে ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য প্রথমে টাকি গ্রামীন হাসপাতাল তারপর বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলার পুলিশ মর্গে পাঠিয়েছে। ইতিমধ্যে আরিফকে সঙ্গে নিয়ে ওই এলাকায় কিভাবে খুন করেছে আরিফ তার একটা পুনর্নির্মাণ করেন হাসনাবাদ থানার পুলিশ। এর পিছনে ঠিক কি কারণ আছে আত্মীয়ের দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ঝামেলা গন্ডগোল জমি বিবাদ না অন্য কিছু ঘটনা লুকিয়ে রয়েছে খুনের মোটিভ খোঁজার চেষ্টা করছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই বছর ১৪ ছাত্র আরিফ গাজিকে গ্রেপ্তার করেছে হাসনাবাদ থানার পুলিশ।

Read More

অবশেষে বিপদজনক ভাঙ্গা ঝুলে থাকা ব্রিজ সংস্কার হল মাটি দিয়ে

অবশেষে বিপদজনক ভাঙ্গা ঝুলে থাকা ব্রিজ সংস্কার হল মাটি দিয়ে. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১৩ এপ্রিল: বাঁকুড়া জেলা বিষ্ণুপুর ব্লকের দ্বারিকা গোসাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সুভাষপল্লী গ্রাম পাশ দিয়ে বয়ে গেছে বিড়াই নদী। এই নদীর বন্যার জলে বিড়াই নদীর উপরে থাকা কংক্রিটের ব্রিজ ভেঙে পড়েছিল।‌ এতদিন পর্যন্ত ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল ব্রিজ আর তার মধ্যেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হতো সাধারণ মানুষকে। একাধিকবার প্রশাসনিক আধিকারিকরা পরিদর্শনে গিয়েছেন সেই ব্রিজে। প্রায় দু বছর হতে চলল এখনো মেরামত করা সম্ভব হয়নি। ‌ অবশেষে সুভাষপল্লী গ্রামের পাশেই ঐতিহাসিক ষড়েশ্বরের গাজন শুরু হয়েছে, স্বাভাবিকভাবেই এই ব্রিজ দিয়ে বছরের অন্যান্য সময় যত সংখ্যক মানুষ পারাপার করত তার চেয়ে প্রায় পাঁচ গুণ মানুষের যাতায়াত বেড়েছে এই ব্রিজের ওপর দিয়ে। ঝুলন্ত এই ব্রিজ দিয়ে মোটরসাইকেল ও টোটো পারাপার করা সম্ভব হতো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। কিন্তু কোন চার চাকা বা অ্যাম্বুলেন্স পার করা যেত না। এবার মাটি বাস খোঁটা দিয়ে কংক্রিটের এই ব্রিজ সংস্কার করা হয়েছে । চরম সমস্যায় রয়েছে এলাকর মানুষ । এলাকার মানুষ রীতিমত আতঙ্কিত। এই ব্রীজটার উপরেই নির্ভর করে রয়েছে তিন থেকে চারটি গ্রামের মানুষের। কৃষি প্রধান এলাকার মানুষজনের কৃষিজাত পণ্য নিয়ে যেতে হয় ঘুর পথে ফলে চরম সমস্যায় রয়েছে এলাকার কৃষকরা। পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে অভিযোগ করলে তিনি সাফাই দিয়ে জিনিসটা এড়িয়ে যায়।

Read More

রাতে গঙ্গায় স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেল দুই যুবক

রাতে গঙ্গায় স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেল দুই যুবক. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১৩ এপ্রিল:পানিহাটি পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ড ত্রাণনাথ বাবুর ঘাটে রাতে স্নান করতে নেমে গঙ্গায় তলিয়ে গেল দুই যুবক। ডুবুরি নামিয়ে চলছে তল্লাশি অভিযান।স্থানীয় মানুষেরা জানিয়েছেন, রাত দুটোর সময় পাঁচ জন আসে এই গঙ্গার ঘাটে, তার মধ্যে হঠাৎই দুজন যুবক স্নান করতে নামে গঙ্গায়, স্নান করতে নেমে গঙ্গায় তলিয়ে যায় তারা।তলিয়ে যাবার পর বাকি বন্ধুদের চিৎকার শুনে ছুটে আসে স্থানীয় বাসিন্দারা। তৎক্ষণাৎ খবর দেওয়া হয় খড়দা থানার পুলিশকে।সকালবেলা পুলিশ এসে ডুবুরি নামিয়ে একজনের দেহ উদ্ধার করে,তবে এখনো অধরা রয়ে যায় অপর একজনের দেহ, তার জন্যই গঙ্গায় ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে খড়দহ থানার পুলিশ।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।

Read More

নিজেকে বাঁচাতেই নাকি লাথি মারেন সাব ইন্সপেক্টর রিটন দাস,এমনটাই দাবি তার বাবা মায়ের.

নিজেকে বাঁচাতেই নাকি লাথি মারেন সাব ইন্সপেক্টর রিটন দাস,এমনটাই দাবি তার বাবা মায়ের. ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১২ এপ্রিল:ছেলের উপরেই আগে হামলা চালায় শিক্ষকরা, প্রাণ বাঁচাতেই লাথি মারার ঘটনা ঘটেছে দাবি কসবা কান্ডে অভিযুক্ত এস আই রিটন দাসের বাবা মায়ের।২০১০ সালের সাব ইন্সপেক্টরের ব‍্যাচ রিটন দাস। এই মুহূর্তে তার ছবি সমস্ত সামাজিক মিডিয়ায় ভাইরাল। কসবায় শিক্ষকদের ডি আই অফিস ঘেরাও অভিযানে শিক্ষকদের লাথি মারে পুলিশ। সেই ঘটনায় অভিযুক্ত এই রিটন। তাঁর লাথি মারার ছবিই সংবাদ মাধ্যমের পর্দায় ছড়িয়ে পড়েছে। নানা ভাবে ভাইরাল হয়েছে সেই ছবি। কটাক্ষ উড়ে এসেছে এই পুলিশ কর্মীকে কেন্দ্র করে। প্রশ্ন উঠেছে তার শিক্ষা নিয়েও? যদিও ছেলের পাশেই দাঁড়াচ্ছেন তাঁর বাবা জ্যোতিন্দ্র কুমার দাস ও মা দিপালী দাস। শুক্রবার গোসাবার শম্ভুনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝাউখালির বাড়িতে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তাঁরা জানান, আইনের রক্ষা করতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটেছে। নিজের প্রাণ বাঁচাতেই লাথি মারতে বাধ্য হয়েছেন রিটন। কারণ আগে তার জামাকাপড় ধরে টানাটানি, উর্দি খুলে নেওয়ার চেষ্টা ও তাকে নানাভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে দাবি তাঁর পরিবারের।প্রায় পনেরো ষোল বছর আগে কলকাতা পুলিশে চাকরি পান রিটন। বছর দশ বারো ধরে কলকাতাতে থাকেন তিনি। বর্তমানে বাঁশদ্রোনি থানা এলাকায় পুলিশ কোয়াটারে স্ত্রী ও একমাত্র কন্যাকে নিয়ে থাকেন।ছুটি পেলে গোসাবার বাড়িতেও আসেন।এলাকায় ভালো ছেলে বলেই পরিচিত সে।ছোট থেকেই পড়াশুনায় ভালো। ছোটবেলার খেলার সঙ্গীরাও এই ঘটনায় স্তম্ভিত।গত বছর নির্বাচনের সময় যে বদলির নির্দেশিকা প্রকাশ হয়েছিল সেই সময় কসবা থানায় পোস্টিং দেওয়া হয় রিটন দাসকে। তার আগে নিউ আলিপুর থানায় ছিলেন।মাস খানেক এআরও হিসেবে কাজ করেছিলেন নিউ আলিপুর থানায়। তার আগে বেহালা থানায় পোস্টিং ছিলেন। অফিসার হিসেবে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন বেহালা ও নিউআলিপুর থানায়। বেহালার জেমস লং সরনি ফ্রিজারের মধ্যে তিন বছর ধরে মায়ের দেহ আগলে রাখার ঘটনার কেসের তদন্তকারী অফিসার ছিলেন রিটন।নিউআলিপুরে কর্মরত অবস্থায় এক অভিজাত আবাসনে চুরির ঘটনার কিনারা করেছিলেন।জলন্ধর থেকে গ্রেপ্তার করে এনেছিলেন অভিযুক্তকে।

Read More

হাতির তাণ্ডবে আতঙ্কিত চাষিরা

হাতির তাণ্ডবে আতঙ্কিত চাষিরা ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১২ এপ্রিল:হাতির তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষতি ফসলের,চরম দুশ্চিন্তায় কৃষকেরা।ধান তিল বাদাম,খেয়ে ও মাড়িয়ে নষ্ট করল হাতির দল।পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা দু নম্বর ব্লকের ভগবন্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হুড়হুড়িয়া এলাকার ঘটনা। এলাকার কৃষকদের দাবি, রাতের বেলা বাঁকুড়ার দিক থেকে গড়বেতা হয়ে হুড়হুড়িয়া ও কামারখারি জঙ্গলে প্রবেশ করেছে ৪০-৫০ টি হাতির একটি দল। আর সেই হাতি আসার সময় একাধিক কৃষকের ধান, বাদাম তিল চাষে ব্যাপক ক্ষতি করেছে,ফলে দুশ্চিন্তায় রয়েছে এই সমস্ত এলাকার কৃষকেরা। কৃষকদের দাবি, বিকেলের দিকে আবার হাতি মাঠে নেমে আবার ক্ষতি করবে। এলাকার কৃষকেরা চাইছে হাতিকে বনদফতর অন্যত্র নিয়ে যাক।

Read More

রাজ্য প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক শিক্ষকর্মী চাকরি-বাতিলের জের

রাজ্য প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক শিক্ষকর্মী চাকরি-বাতিলের জের। এবার শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীদের প্রশাসনিক বদলি ও স্থগিত করল রাজ্য। প্রশাসনিক স্তরে সারপ্লাস ট্রান্সফারের বদলি প্রত্যাহার করল রাজ্য স্কুল শিক্ষা দপ্তর। নির্দেশিকা প্রত্যাহারের কথা স্কুল সার্ভিস কমিশনকে জানালো স্কুল শিক্ষা দপ্তর।ছাত্র – শিক্ষক অনুপাত ঠিক রাখার জন্য এই বদলি চালু করেছিল রাজ্য ২০২৩ সালে। ২০২৩ সালের সেই অর্ডার প্রত্যাহার করল রাজ্য স্কুল শিক্ষা দপ্তর। শিক্ষকদের বদলি নিয়ে নতুন করে আইনের জটিলতাও চায় না রাজ্য। তাই আপাতত স্থিতাবস্থা না অবস্থা পর্যন্ত কোনো বদলি নয় বলেই এই নির্দেশিকা প্রত্যাহার করল রাজ্য।

Read More

জাল সন্দেহে রাজ্যের নজরে আরো দুই ওষুধ।

জাল সন্দেহে রাজ্যের নজরে আরো দুই ওষুধ। Certin tablet ও levipil এই দুই ওষুধ জাল করে বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ।উত্তরপ্রদেশ থেকেই জাল ওষুধ নিয়ে এসে কলকাতা থেকে দুই হোলসেলার সংস্থা কলকাতার পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলিতে পাঠাচ্ছিল বলে অভিযোগ। কলকাতায় এই দুই ওষুধের অতটাও চাহিদা না থাকলেও বিহার,উড়িষ্যা, ঝাড়খন্ডে এই দুই ওষুধের চাহিদা ব্যাপক।। অভিযোগ আসতেই শুক্রবার বিকেলের পর থেকে উল্টোডাঙ্গার মুচিপাড়া এলাকার দুই সংস্থার গোডাউনে তল্লাশি রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোলের অফিসারদের। প্রাথমিক তদন্তে জাল ওষুধ বিক্রির প্রমাণ উঠে আসায় দুই হোলসেলার সংস্থার গোডাউন সিল করল রাজ্য। আপাতত তারা ওই গোডাউন থেকে কোন কাজ করতে পারবেন না। ডিডি ফার্মা ও jaiswal ফার্মা এই দুই সংস্থায় গতকাল তল্লাশি চালানো হয় বলেই সূত্রের খবর।ওই দুই সংস্থার লাইসেন্স বাতিলও করতে চলেছে রাজ্য। উত্তরপ্রদেশের কোন এলাকা থেকে এই জাল ওষুধ কলকাতা আসছে তার ও হদিস পেয়েছে রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোলের অফিসাররা। উত্তর প্রদেশের যে সংস্থা এই জাল ওষুধ তৈরি করছিল সেই সংস্থাকেও ডেকে পাঠালো রাজ্য। আবারও চিঠি দেওয়া হল উত্তরপ্রদেশ সরকারকে। জানানো হল বিহার, উড়িষ্যা, ঝাড়খন্ড প্রশাসনকেও।নবান্ন সূত্রে খবর।

Read More

ফুটবল চলা কালীন মাঠে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়লো লোহার স্ট্রাকচার

ফুটবল চলা কালীন মাঠে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়লো লোহার স্ট্রাকচার ওয়েব ডেস্ক, উত্তরের কলম,১১ এপ্রিল:ভগবানপুরে দিবা রাত্রি ফুটবল চলা কালীন মাঠে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়লো লোহার স্ট্রাকচার।আহত ২০ জন।আশঙ্কা জনক ৯ জন।পূর্ব মেদিনীপুর ভগবানপুরের পশ্চিম শরবেড়িয়া গ্রামের মাঠে দিবা রাত্রি ফুটবল টুর্নামেন্ট চলা কালীন হটাৎ করেই মঠের মধ্যে ভেঙে পড়ে লোহার স্টার্চকার।মাঠের মধ্যেই লোহার স্টার্চকারের নীচে থেকে যায় প্রায় ২০ জন খেলা দেখতে আসা দর্শকরা।স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চন্ডিপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।১ জন কে গুরুতর আশঙ্কা অবস্থায় কলকাতা রেফার করেন চিকিৎসক।এই নিয়ে এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।

Read More