শেষ দেখে ছাড়বো! তনয়ের হুমকিতে কি করবেন অভিনেত্রী?

বনগাঁয় মিমি চক্রবর্তীর হেনস্থার ঘটনা। অভিনেত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার পুলিশ বনগাঁ গিয়েছিল ঘটনার তদন্তে। অভিযোগ, সেখানে অভিযুক্ত তনয় শাস্ত্রী ও আরও দু’জন পুলিশের কাজে বাধা দেন। পুলিশ সূত্রে খবর, তনয় নিজের বাড়িতেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করে। এরপর পুলিশ তনয়সহ আরও দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করে। ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবার। বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জ যুবক সংঘের পরিচালনায় ছিল একটি বাৎসরিক অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন মিমি চক্রবর্তী। ঘড়ির কাঁটায় সাড়ে দশটায় মিমির পারফরম্যান্সের সময় থাকলেও অভিযোগ, অনুযায়ী তিনি প্রায় এক ঘন্টা দেরিতে অনুষ্ঠান স্থলে পৌঁছন। ফলে মঞ্চে উঠতে উঠতে রাত প্রায় পৌনে ১২টা বেজে যায়। প্রশাসনের অনুমতি অনুযায়ী অনুষ্ঠান চলার সময়সীমা ছিল রাত ১২টা পর্যন্ত। সেই কারণেই তাঁকে মাঝপথে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় বলে দাবি ক্লাব কর্তৃপক্ষের। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তনয় শাস্ত্রী। অভিযোগে মিমি চক্রবর্তী জানান, অনুষ্ঠানের মাঝেই ক্লাবের এক কর্মকর্তা তনয় শাস্ত্রী মঞ্চে উঠে পড়েন। তাঁর গান থামিয়ে তাঁকে নামিয়ে দেওয়া হয়। চরম অপমানিত ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন অভিনেত্রী। অভিনেত্রী অভিযোগের ভিত্তিতে বনগাঁ থানার পুলিশ তনয় কে গ্রেফতার করে।বনগাঁ মহকুমা হাসপাতাল থেকে কোর্টে তোলার পথে বললেন তনয় জানা, শেষ দেখে ছাড়বো। তনয়ের শাস্ত্রী সহ বাকি দুজনকে বনগাঁ আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। বনগাঁ আদালতে যাওয়ার পথে অভিনেত্রীর উদ্দেশ্যে এই কথাগুলি বলেন তনয় শাস্ত্রী। যদি এ বিষয়ে অভিনেত্রীর তরফ এখনো কোনো মন্তব্য আসেনি।

Read More

স্কুল চত্বরে তাজা বোমা! আতঙ্কে পড়ুয়ারা

স্কুল চত্বরে ফের তাজা বোমা উদ্ধারের ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। বীরভূমের সিউড়ির আবদারপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভেতর দুটি তাজা বোমা পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর দ্রুত পুলিসকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোমা দুটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। ঘটনায় শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা বেশ আতঙ্কিত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল প্রায় ১০টা ৪৫ নাগাদ স্কুল খুলতে এসে শিক্ষকরা বিষয়টি লক্ষ্য করেন। স্কুলের পিছনের দিকের সীমানা প্রাচীর ভাঙা রয়েছে। তার ভেতরে দুটি সন্দেহজনক বস্তু পড়ে আছে। কাছে গিয়ে বোঝা যায় সেগুলি তাজা বোমা। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি সিউড়ি থানার পুলিশকে জানানো হয়। স্কুলের সহ-শিক্ষক তাপস কুমার মণ্ডল বলেন, ‘গত মাসে এই স্কুল থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে দু’বার বোমা উদ্ধার হয়েছিল। ছাত্রছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে সিসিটিভি বসানো হয়েছে। কিন্তু তাতেও দুষ্কৃতিদের রোখা গেল না। আজ স্কুলের ভেতর থেকেই বোমা উদ্ধার হলো। স্কুলে ৪৭ জন শিশু পড়াশোনা করে। কেউ যদি ভুল করে বোমাকে বল ভেবে তুলে নিত, তাহলে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।’ তিনি আরও জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হবে যাতে দ্রুত সীমানা প্রাচীর মেরামত করা হয় এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কে বা কারা এই বোমা রেখে গেল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। এই ঘটনার পর স্বাভাবিকভাবেই অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। সকলের দাবি, স্কুল চত্বরে স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। যাতে ছাত্র-ছাত্রীরা নিরাপদে বিদ্যালয়ের যেতে পারে।

Read More

আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে গ্রেপ্তার বেড়ে দু’জন, মৌনতা ভেঙে কি বললেন রাজ্যপাল!

আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে গ্রেপ্তার বেড়ে দু’জন, মৌনতা ভেঙে কি বললেন রাজ্যপাল! আনন্দপুরের নাজিরাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তে গতি বাড়াল পুলিশ। আরও দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নরেন্দ্রপুর এলাকা থেকে ধৃতদের গ্রেফতার করা হয়। ধৃতরা হলেন ম্যানেজার মনোরঞ্জন সিট এবং ডেপুটি ম্যানেজার রাজা চক্রবর্তী। এর ফলে এই ঘটনায় মোট গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল তিন। এদিকে মৌনতা ভেঙে এই প্রথম মুখ খুললেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। এদিন গান্ধী মূর্তি পাদদেশে মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন রাজ্যপাল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নাজিরাবাদ অগ্নিকান্ড নিয়ে তাঁকে বলতে শোনা যায়। রাজ্যপাল জানান, যে কোনো দুর্ঘটনা নিছক হয় না। তবে প্রশাসন কে আরো বেশি সতর্ক হতে হবে। পাব্লিক প্লেসে ফায়ার অডিট করা অনিবার্য। এই ধরনের দুর্ঘটনা যাতে পুনরায় না ঘটে সবাই কে দেখা উচিত। এখন অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের সময় নয়। প্রশাসনের উদ্দেশ্যে রাজ্যপাল কে বলতে শোনা যায়, উপযুক্ত সময়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। যদিও নাজিরাবাদে অগ্নিকান্ড ঘটনায় পুলিশি তৎপরতা নজরে এসেছে। এর আগে ডেকরেটার্স সংস্থার মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। ধৃত দু’জনকে আজ বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে। অন্যদিকে ঘটনার প্রতিবাদে আন্দোলনে নামছে বিজেপি। হাইকোর্টের নির্দেশে আজ প্রতিবাদ মিছিল ও থানায় ডেপুটেশনের কর্মসূচি রয়েছে। উপস্থিত থাকবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার রাতের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর সময় যত এগোচ্ছে, ততই দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। বৃহস্পতিবার সারাদিনে ধ্বংসস্তূপ সরানোর সময় উদ্ধার হয়েছে আরও চারটি দগ্ধ দেহ। ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫। বুধবার রাত পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছিল ২১। উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষ এতটাই পুড়ে গিয়েছে যে শনাক্ত করা কার্যত অসম্ভব। ইতিমধ্যেই ১৬ জনের দেহ ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে রাজ্যপালের মন্তব্য থেকে বিজেপির মিছিল বর্তমান রাজ্য রাজনীতিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি তৃণমূল। রাজ্যপালের ফায়ার অডিট করার নিয়ে বক্তব্যের প্রেক্ষিতে শোভন দেব চট্টোপাধ্যায় এদিন সাফাই পেশ করে বলেন যে সব সময়েই ফায়ার অডিট হয়ে থাকে। পাশাপাশি তিনি জানান প্রশাসন প্রশাসনের কাজ করছে।

Read More

সুন্দরবনে বাঘের হামলা, গুরুতর জখম মৎস্যজীবী

সুন্দরবনের জঙ্গলে বাঘের আক্রমণে গুরুতর আহত হলেন এক মৎস্যজীবী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা ব্লকের জি-প্লট গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার সত্যদাসপুর গ্রামে। আহত মৎস্যজীবীর নাম বনু ভক্তা। বয়স ৩২ বছর। বর্তমানে তিনি পাথরপ্রতিমার মাধবনগর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চার দিন আগে প্রায় ১২ জনের একটি দল নৌকা করে সুন্দরবনের জঙ্গলে কাঁকড়া ধরতে যান। বুধবার বিকেলে তাঁরা বিজিয়াড়ির জঙ্গলের মধ্যে কাঁকড়া ধরছিলেন। সেই সময় আচমকাই জঙ্গল থেকে একটি বাঘ বেরিয়ে এসে বনু ভক্তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নেয়।সঙ্গে থাকা অন্য মৎস্যজীবীরা সাহসিকতার সঙ্গে কাঁকড়া ধরার শিখ ও লাঠি নিয়ে বাঘটির উপর পাল্টা আক্রমণ করেন। বেশ কিছুক্ষণ ধরে বাঘ ও মানুষের মধ্যে ধস্তাধস্তি চলে বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত বাঘটি বনু ভক্তাকে ছেড়ে দিয়ে গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যায়। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় বনু ভক্তাকে তাঁর সঙ্গীরা উদ্ধার করে নৌকায় করে পাথরপ্রতিমায় নিয়ে আসেন। মাধবনগর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশে গভীর ক্ষত রয়েছে। তবে আপাতত তিনি স্থিতিশীল অবস্থায় বলে জানিয়েছে চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, প্রায় তিন মাস আগে বনু ভক্তার দাদাকেও বাঘ আক্রমণ করেছিল বলে পরিবার সূত্রে জানা যায়। সৌভাগ্যক্রমে তিনি চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সুন্দরবনে বারবার বাঘের আক্রমণের ঘটনায় আতঙ্কিত মৎস্যজীবীরা। বন দফতরের কাছে আরও কড়া নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি করছেন এলাকার বাসিন্দারা। বাসিন্দারা জানান,রুজি রুটির জন্য প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গলে যাওয়া। পরিস্থিতি ক্রমশ দুঃস্বপ্নের মতো দুচোখে ধেয়ে আসে।

Read More

দিনহাটা কলেজের অধ্যাপকের দেহ উদ্ধার, মৃত্যু ঘিরে রহস্য!

দিনহাটা কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. অমিতাভ দত্তের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে রহস্য। দিনহাটা পুরসভার বাবুপাড়া এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল। কলেজ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার পর্যন্ত তিনি কলেজে পরীক্ষার ডিউটি করেছেন। অথচ বুধবার সকাল থেকে তাঁর কোনও খোঁজ না মেলায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা ও সহকর্মীরা। কলেজে যাননি অধ্যাপক। ফোনেও যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। এরপর পরিবারের লোকজন অধ্যাপকের বাড়িয়ে যায়। দরজা বন্ধ দেখে পুলিসকে খবর দেয়। পুলিশ ও দমকল কর্মীরা অধ্যাপকের বাড়িতে পৌঁছে দরজা খুলতে না পেরে দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশকরে। দেখা যায়, ঘরের বিছানায় নিথর অবস্থায় পড়ে রয়েছেন অধ্যাপক। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। প্রাথমিকভাবে কোনও আঘাতের চিহ্ন চোখে পড়েনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে। অধ্যাপকের বাড়ি থেকে কোনও সুইসাইড নোট বা সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি বলেও জানা গেছে। ফলে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা তদন্তসাপেক্ষ। ড.অমিতাভ দত্ত দীর্ঘদিন ধরে দিনহাটা কলেজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং দু’বছর কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বও সামলেছেন। তাঁর মৃত্যুতে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, পড়ুয়া ও শিক্ষা মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকাবাসীদের মধ্যেও এই ঘটনাকে ঘিরে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে।

Read More

SIR শুনানির লাইনে প্রতারণার ছক

SIR শুনানির লাইনে প্রতারণার ছক, ৩৪ মহিলা কত টাকা হারালেন!রাজ্যের প্রতিটা জেলায় চলছে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়া। শুনানিকে কেন্দ্রকরে প্রতিদিন নানান রকমের খবর সামনে আসছে। এবারের খবর শুনলে চোখ কপালে উঠবে। SIR-র শুনানি কেন্দ্রে প্রতারণার ছক!স্মার্ট কার্ড বানিয়ে দেবার নামে ভাওতা। ঘটনার সূত্রপাত চলতি মাসের ২২শে জানুয়ারি। নারায়ণপুর চরের বহু মানুষ এসআইয়ের শুনানির জন্য মানিকচক ব্লক প্রশাসনিক ভবনে আসেন। সেখানেই অভিযুক্ত রাজা আলী মহিলাদের কাছে গিয়ে প্রলোভন দিতে শুরু করে। স্মার্ট কার্ড বানিয়ে দেবে। কার্ডের দরুন প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে প্রতি উপভক্তা পাবে। এই কার্ড হয়ে যাওয়ার পর ১০০০ টাকা করে নিয়ে নেওয়া হবে। প্রত্যন্ত এলাকার মহিলারা টাকার প্রলোভনে পড়ে নিজের ব্যাংকের পাসবুক, আধার কার্ড, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, চোখের ছবি অভিযুক্তর কথামতো মহিলারা দিয়ে দেন। আর এর পরেই ৩৪ জন মহিলার মোবাইল ফোনে টাকা তুলে নেওয়ার SMS আসতে শুরু করে। প্রত্যেকের অ্যাকাউন্ট থেকে বিপুল অর্থ টাকা কেটে নেওয়া ঘটনায় গ্রাম জুড়াই মহিলাদের মধ্যে শোরগোল পড়ে যায়। এরপরেই মহিলারা বুঝতে পারেন তারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এরপর অভিযুক্ত রাজা আলি নামে ওই প্রতারক ব্যক্তিকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে মহিলারা। পরবর্তীতে পুলিশের কাছে মহিলারা লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। ৩৪ জন মহিলারা নিজেদের টাকা ফিরে পাওয়া এবং অভিযুক্তর কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। মানিকচক থানার পুলিশ জানাচ্ছেন, নির্দিষ্ট ধারায় মামলার রুজু করে ধৃত রাজা আলিকে বৃহস্পতিবার মালদা জেলা আদালতে পাঠানো হচ্ছে ।

Read More

সাগরে স্বপ্নের ‘বাংলার বাড়ি’,পাকা ছাদের তালিকায় কতো জন!

সাধারণ মানুষের মাথার ওপর পাকা ছাদ নিশ্চিত করতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প ‘বাংলার বাড়ি’-র দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ সাড়ম্বরে শুরু হলো। দক্ষিণ 24 পরগনার সাগর ব্লকে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের কাজ শুরু। দীর্ঘদিনের আশা পূরণ হচ্ছে। কারণ সাগরের বাসিন্দাদের কাছে ভিটে মাটি হারানোর যন্ত্রণা দীর্ঘদিনের। নদীর ভয়াল গ্রাসে ঘরবাড়ি হারিয়ে কার্যত নিঃস্ব হয়ে পরিবর্তনের দিন গুনতেন। কবে নতুন করে আবার সব ফিরে পাবে। মাথায় ছাদ নেই। রোদ ঝড়-বৃষ্টিতে দিন যাপন করা মানুষগুলো অসহায় মুখ। নদী ভাঙনে ভিটেমাটি হারানো অসহায় পরিবারগুলোর কাছে এই প্রকল্প এখন নতুন জীবনের দিশারি। সম্প্রতি সাগর ব্লকের রুদ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের মনসাদ্বীপ খাসমহাল গ্রামে এক অভিনব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই পর্যায়ের সূচনা হয়। ১৯৯৪-৯৫ সালে সাগরের ঘোড়ামারা দ্বীপের ভয়াবহ ভূমি ক্ষয়ে বাস্তুহারা তফসিলি জাতিভুক্ত পরিবারগুলো দীর্ঘকাল কাঁচা ঘরে কষ্টে দিন কাটিয়েছেন। এদিন ১৫টি বাড়িতে একযোগে প্রথা মেনে ‘ক্লাস্টার মোড’-এ ভূমিপুজো সম্পন্ন হয়। সাগর ব্লকে এবার মোট ৪,৫৫০ টি পরিবার এই ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছে। প্রতিটি পরিবার বাড়ি তৈরির জন্য সরাসরি ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা অনুদানের ঘোষণা হয়েছে। পাকা বাড়ির পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারকে শৌচাগার প্রদান করে ১০০ শতাংশ স্যানিটেশন নিশ্চিত করা হচ্ছে। এদিন ১৮৫ জন নতুন উপভোক্তার হাতে অনুমোদনপত্র তুলে দেন সাগরের বিডিও কানাইয়া কুমার রায় এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাবিনা বিবি। ঘর পেয়ে উচ্ছ্বসিত বাসিন্দারা জানান, ঝড়-বৃষ্টির আতঙ্ক কাটিয়ে ‘দিদি’র কৃপায় অবশেষে তাঁরা নিরাপদ আশ্রয় পাচ্ছেন। প্রশাসনের এই তৎপরতায় সুন্দরবনের উপকূল জুড়ে এখন খুশির হাওয়া। সাগরে স্বপ্নের ‘বাংলার বাড়ি’। পাকা ছাদ পাচ্ছে প্রায় ৫ হাজার পরিবার, উৎসবের মেজাজে করা হলো ভূমিপূজা।

Read More

হুমায়ুন সেলিম বৈঠকে ঘিরে দিলীপ কটাক্ষ! ঘোষের মন্তব্যে জল্পনা তুঙ্গে

বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ক্রমশ চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। প্রতিটা রাজনৈতিক দল সভা সমিতি নিয়ে পুরোদস্তুর ব্যস্ত। রাজনৈতিক সমীকরণ ওলট-পালট করতে দফায় দফায় বৈঠক চলছে। নেতারা প্রতিপক্ষকে মঞ্চ থেকে কটাক্ষ করছেন। ছুঁড়ে দিচ্ছেন চ্যালেঞ্জ। পাল্টা উত্তরে কটাক্ষের ঝড় বয়ে চলেছে। সদ্য বৈঠক হওয়া হুমায়ুন ও সেলিমের নিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে ফের চড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। নিউ টাউনের একটি হোটেলে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে মোঃ সেলিম ও হুমায়ুন কবিরের বৈঠক হয়। সেই বৈঠক প্রসঙ্গে কটাক্ষ করেছেন প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি। বৈঠক প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ সরাসরি বলেন, ‘ভোটের আগেঅনেক কিছু হয়। ভাঙাগড়া, দলবদল হয়, সেই এক্সারসাইজ চলছে। রেজাল্ট কী হয় সেটা দেখা যাবে।’ বুধবার সিঙ্গুরের প্রশাসনিক জনসভা থেকে ভার্চুয়ালি বহু প্রতীক্ষিত ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান’ এর শিলান্যাস করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিলান্যাস নিয়েও দিলীপের মন্তব্য করতে শোনা যায়। প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি জানান, ‘আমি তো দেখতে কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। ইলেকশন যখন হবে তখন বোঝা যাবে। দেখতে থাকুন কী হচ্ছে।’ পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকে যদি চাকরি ও শিল্প না হয় আর কবে করবেন? এখন তো বিদায়ের সময় চলে এসেছে। SIR নিয়েও রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছেন বিজেপি নেতা। দিলীপ বলেন ‘রাজ্য সরকার চায় না এসআইআর হোক। যতরকম অসহোযোগিতা করার চেষ্টা করছে৷ সাদাধরণ মানুষকে ক্ষেপান হচ্ছে। এই যে এত মানুষকে ডাকা হচ্ছে সেটা দিল্লি ডাকছে না রাজ্য ডাকছে।’ কয়েকদিন আগেও বিজেপির অন্ধরে, দিলীপ অস্তিত্ব নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ডাক পাচ্ছেন না দিলীপ। বঙ্গে মোদি আসছেন সবাই দিলীপ নেই। একদা সভাপতির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কর্মী সমর্থকরা বেশ উদ্বেগে ছিলেন। রাজনৈতিক মহলেও প্রশ্ন উঠেছিল ধীরে ধীরে দলের মধ্যে কোণঠাসা হচ্ছেন দিলীপ ঘোষ। ২৪ শে হারের পর দিলীপ কি রাজনৈতিক অস্তিত্ব সংকটে! এ নিয়ে যখন জল্পনা চলছে, ছাব্বিশে নির্বাচনের আগে ফের একবার মন্তব্য করে রাজনীতির শিরোনামে দিলীপ ঘোষ।

Read More

দিলীপ মন্তব্যে অসস্তি বাড়লো বিজেপি শিবিরে!

দিলীপ মন্তব্যে অসস্তি বাড়লো বিজেপি শিবিরে! বঙ্গে নির্বাচন কয়েক মাসের অপেক্ষা। কমিশনের তরফে দিনক্ষণ প্রকাশ না হলেও নির্বাচনী দামামা বেজে গিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো ইতিমধ্যেই প্রচার কর্মসূচি শুরু করে দিয়েছে। শাসক দল তৃণমূল এবং প্রধান প্রতিপক্ষ বিজেপি ভোট মরশুমে কর্মসূচি ঘিরে ব্যস্ত। উভয় দলের যখন নির্বাচনী ব্যস্ততা তুঙ্গে এরই মাঝে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে কিছুটা হলেও ব্যাগ ফুটে পড়লো বিজেপি! দলকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের। বর্ধমান–দুর্গাপুর লোকসভা আসনে হারের জন্য দলের সাংগঠনিক দুর্বলতাকেই দায়ী করলেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, মেদিনীপুরে পাঁচ বছর ধরে মানুষের সঙ্গে মিশে কাজ করলেও খুব কম সময়ের মধ্যে বর্ধমান–দুর্গাপুরে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল। যার ফলে সংগঠনের ঘাটতি কাটানো সম্ভব হয়নি। বুধবার সকালে দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার থেকে গান্ধীমোড় পর্যন্ত মর্নিং ওয়াকের পর চা চক্রে অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। লোকসভা ভোটে হারের পর দিলীপ ঘোষ দলের প্রতি বিরক্তি নতুন নয়। একাধিকবার তার মুখে হাড়ের প্রসঙ্গ উঠেছে। প্রতিবারই দলের সিদ্ধান্তকেই ভুল হিসেবে দেখিয়েছেন দিলীপ। কয়েক মাস হল বিজেপিতে সভাপতি বদল হয়েছে। সুকান্ত মজুমদার এর পরিবর্তে শমীক ভট্টাচার্য কে রাজ্য বিজেপি সভাপতি করেছে হাই কমান্ড। শমীক সভাপতি হবার পর আদি নব্যের দমদম মিটিয়ে সবাইকে একসাথে নিয়ে ২৬ এর বিতরণী পার করার কথা বলেছিলেন। কিন্তু আদৌ কি তা সম্ভব হবে। এখনো তো বিক্ষুব্ধ নেতাদের দলে জায়গা নিয়ে একাধিকবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি। কখনো রাজু, কখনো সায়ন্তন কিংবা প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ। আজও পুরনো মুখগুলো দলে ব্রাত্য। অমিত শাহের সভাতে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তখন রাজনৈতিক মহলে দিলীপের কাম ব্যাক নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছিল। এইবার কি নতুনভাবে ইনিং শুরু করবে দিলীপ। ২৬ শের নির্বাচনে কি দিলীপ ঘোষকে বিশেষ পদে দেখাজাবে। রকমারি কৌতূহলের মাঝে ফের বেফাস মন্তব্য করে রাজ্য রাজনীতির শিরোনামে দিলীপ ঘোষ। ২৬ এর নির্বাচনে দিলীপ ঘোষকে আদৌ কোন ভূমিকায় দেখা যাবে কিনা তা নিয়ে বিজেপি শিবিরে একাধিক প্রশ্ন উঠছে।

Read More

SIR আবহে কবরের মাটি নিয়ে শুনানি কেন্দ্রে হাজির! নন্দীগ্রামের ছবি ভাইরাল

মাথায় ডকুমেন্ট ভর্তি ট্রাঙ্ক, শুনানি কেন্দ্রে হাজির নন্দীগ্রামের বাসিন্দা। কয়েকদিন আগে এই ছবি দেখে চর্চা শুরু হয়েছিল। এস আই আর শুনানিতে আর কত করুন ছবি উঠে আসবে। বঙ্গের আনাচে-কানাচে এমনই সব প্রশ্ন। নন্দীগ্রামের কেন্দ্যেমারি গ্রাম পঞ্চায়েতে এস আই আর ক্যাম্পে কাগজ ভর্তি ট্রাংক নিয়ে হাজির হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। আজকে শুনানি কেন্দ্রে চিত্রটা আরো মারাত্মক। বাপ দাদার কবরের মাটি তুলে সটান শুনানি কেন্দ্রে হাজির। নাগরিকত্ব প্রমাণের তাগিদে এমন ছবি সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল। নন্দীগ্রাম এক নম্বর ব্লকের দাউদপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার নয়নান ছয়ঘড়ি গ্রামের ১৯৩ নম্বর বুথের বাসিন্দা শেখ শাহিদের কীর্তি।কবরের মাটি ভোরে ট্রাংক মাথায় করে দাউদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের SIR ক্যাম্পে ঢুকতে দেখা গেল। সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তিনি দাবি করছেন এই ট্র্যাংকের মধ্যে সমস্ত কাগজপত্র এনেছেন সঙ্গে তার বাপ দাদার কবরের মাটিও এনেছেন। আসলে এস আই আর প্রক্রিয়ায় ২০০২ সালের ভোটার লিস্টের নাম থাকলেও বর্তমানে নতুন লিস্টে ইংরেজি নামের বানান ভুলের কারণে প্রচুর মানুষকে হেয়ারিং এর জন্য ডাকা হচ্ছে। তবে তারা কেউই জানেন না এই হেয়ারিং প্রক্রিয়ায় তাদের নাম আদপে নতুন ভোটার লিস্টে থাকবে কিনা। এ নিয়ে জল্পনা চলছে। তারই মাঝে নন্দীগ্রামে দেখা গেল ট্রাংক ভর্তি কাগজ সঙ্গে নাকি কবরের মাটি নিয়ে এসছেন ক্যাম্পে। ঘটনা সামনে আসতে বিষয়টিকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। বিজেপির দাবি এই সমস্ত মানুষকে ভুল বুঝিয়ে তৃণমূল সমাজ মাধ্যমে টিকে থাকার জন্য এই সমস্ত করাচ্ছে। অপরদিকে তৃণমূলের দাবি, এস আই আর প্রক্রিয়ায় একের পর এক ত্রুটি সামনে আসছে। তার জেরে অযথা হয়রানির মুখে পড়ছে সাধারন মানুষ। নির্বাচন কমিশনের খামখেয়ালি নির্দেশে কার্যত বিরক্ত হয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে এমন পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে।

Read More